
আমাদের দেশে অনেক রোগা ও তরুণ ডায়াবেটিস রোগীকে ভুল করে টাইপ-১ বা টাইপ-২ ডায়াবেটিস হিসেবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফলে চিকিৎসার ফল আশানুরূপ হয় না।

হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে সবাই চায় এর থেকে নিরাময় পেতে। ব্যথা বেড়ে যন্ত্রণাদায়ক পর্যায়ে গেলে অনেক সময় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাদ দিয়ে দিতে হয়।
সব মিষ্টি খাবার শরীরের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। তবে পরিশোধিত চিনি দিয়ে তৈরি ক্যান্ডি, কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো।

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।

ডেঙ্গু এখন রোজকার ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। বিশেষত শিশুসহ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই এ ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ঘুমের শরীরের শক্তি কমে যায়। কারণ এ সময়েও আমাদের শরীর সক্রিয় থাকে। ক্যালরি বার্ন হয়। রাতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কম থাকে।

গলায় কাঁটা বিঁধলে আমরা অনেকেই অদ্ভুত সব কাণ্ড করে বসি। ছোটবেলায় এমন পরিস্থিতিতে একটা কথা খুব শোনা যেত। গলায় কাঁটা আটকালে বিড়ালের পা ধরে মাফ চাইতে হয় নাকি।

আমাদের মস্তিষ্ক এবং শরীরকে একসাথে কাজে লাগিয়ে নিখুঁত কোনো কাজ করার যে ক্ষমতা, তাকে বলা হয় মোটর স্কিল বা পেশি সঞ্চালনের দক্ষতা। প্রযুক্তি এই ক্ষমতার ওপর বড় প্রভাব ফেলছে।

অন্ত্রে ভালো ও খারাপ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য এ দুধরণের খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

মূল কথা হলো, আপনার পেশী আর হাড়কে নিয়মিত মনে করিয়ে দেওয়া যে তাদের এখনও কাজ করতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ছোট পরিবর্তনগুলো অনেক উপকার করে।

কিডনি ভালো রাখতে শরীরের বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখা জরুরি। রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে কিডনির ক্ষতি কম হয়। তাই খাবারের সময় ঠিক রাখা, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং সুষম খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের দেশে লবঙ্গ ঘরোয়া ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে বহু বছর ধরে। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এছাড়া শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমাতে পারে মসলাটি।

এসির ঠান্ডা বাতাস শ্বাসনালীতে অস্বস্তি সৃষ্টি করে কাশি, বুক ধড়ফড় বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই অ্যাজমা বা অ্যালার্জি রয়েছে।

যারা আলো জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলেন, তাদের শরীরে এই ভারসাম্যটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের স্ট্রেস রেসপন্স সক্রিয় অবস্থায় ছিল, যা হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ইনসুলিনের প্রতি পেশির স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

আমরা শুধু পেটের ক্ষুধা নয়, অনেক সময় মনের ক্ষুধা মেটাতেও খাবার খাই। তবে সেক্ষেত্রে খাওয়াটা বেশি হয়ে যায়।

শীতকাল এলেই মনটা কেমন জানি করে, কারণ ছাড়াই মন খারাপ লাগে, আলসেমি লাগে, কিচ্ছু করতে ইচ্ছে করে না। মনে হয় সবকিছু কেমন যেন ধূসর লাগছে-তাই না? এরকম যদি হয়, তাহলে মনে রাখবেন আপনি একা নন! প্রায় সবারই শীতকালে কোন না কোন একসময় এই অভিজ্ঞতাটি হয়েছে। এই মন খারাপের অনুভূতির কিন্তু একটা নাম আছে। 'উইন্টার ব্লুজ'

শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া এর প্রধান কাজ। যখন লিভার সঠিক উপায়ে কাজ করতে পারে না, তখন রক্তে টক্সিনের মাত্রা বেড়ে যায়।