চরচা ডেস্ক

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই দেশে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান বর্ষা মৌসুমে এ রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। তারা স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ যেমন, তেমনি ডেঙ্গু বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতার ওপরও জোর দিচ্ছেন।
প্রথমেই একটু তথ্যের দিকে নজর দেওয়া যাক। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে আগেই।
এ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন চরচাকে বলেন, “প্রবণতা বলছে আগামী ১ মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে। ফলে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। বিশেষত সেকেন্ডারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করা এবং বিনামূল্যে ডেঙ্গু টেস্ট কিট তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক হতে হবে। জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে দ্রুত।”
ডেঙ্গুর এই প্রকোপের সময় বিশেষজ্ঞরা যে সতর্কতার কথা বলছেন, তা আসলে কী? এ বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন হতে হলে জানা প্রয়োজন ডেঙ্গুর লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে।
ডেঙ্গু জ্বর
ডেঙ্গু হলো ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। এডিস মশা এই ভাইরাসের বাহক। এর কামড়ে ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী এডিস মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে ওই ব্যক্তি চার থেকে ছয়দিনের মধ্যে এ জ্বরে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিকে এই সময়ে জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে মশার মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ডেঙ্গু ছড়ায়।
ডেঙ্গু জ্বর কখন হয়
সাধারণত মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকে। বিশেষ করে বর্ষার সময়ে। তবে গত কয়েক বছর ধরে সারা বছরই ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দেখা গেছে।
পুরানো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনে ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা জন্ম নেয়। এরা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননের জন্য এখন আর শুধু স্বচ্ছ পানির প্রয়োজন নেই। জমে থাকা পানি পেলেই এই মশা ডিম পাড়ে।

এ বিষয়ে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এডিস মশার ডিম পানির প্রান্তদেশে থাকে। ফলে এই বর্ষা মৌসুমে খুঁজে খুঁজে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। যেহেতু একটা বড় ধরনের জলাবদ্ধতা গেছে, সেহেতু বহু স্থানে ডাবের খোসা থেকে শুরু করে ভাঙা বোতল বা পাত্রে পানি জমে থাকতে পারে। এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। সবাইকে নিজ জায়গা থেকেই ভূমিকা নিতে হবে।”
তাই ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতার অংশ হিসেবে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান, ডাবের খোল, ক্যান, টায়ার, ফুলের টবে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।
লক্ষণ
ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ জ্বর। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এর সঙ্গে দেখা দিতে পারে বমি, মাথাব্যথা ও শরীরের অন্যান্য অংশে ব্যথা। ৪-৫ দিন পর শরীরে র্যাশ বের হয়। ডেঙ্গু জ্বর শরীরকে অনেক বেশি দুর্বল করে দেয়।
ডেঙ্গুর হিমোরোজিক ফিভারের কারণে অনেক সময় রক্তক্ষরণও হয়। কারো নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। এ ছাড়া দাঁত ব্রাশ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। অনেক সময় প্রস্রাব-পায়খানার সঙ্গেও রক্ত যেতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডকালীন রক্তক্ষরণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় হয়। এ ছাড়া খাবারে অরুচিসহ আরও কিছু উপসর্গ ও লক্ষণ থাকে।
প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় অস্ত্র
ডেঙ্গু এখন রোজকার ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। বিশেষত শিশুসহ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই এ ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য—
মনে রাখবেন–হৃদরোগীদের জন্য ডেঙ্গু কখনো কখনো প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা, পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলে এ ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, সচেতন থাকলেই রক্ষা পাওয়া যায়। ডেঙ্গুতে ভয় নয়— সতর্কতাই হোক বাঁচার পথ।
প্রতিকার
শত সতর্কতার পরও ডেঙ্গুতে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিলে এটি প্রাণঘাতি হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়াভাবে চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। পরিস্থিতি বাজে আকার নিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।
ঘরোয়া চিকিৎসা

এ সময় করণীয়
কখন হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?
ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে–এ, বি এবং সি। প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। তাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।
বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে। শুধু শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন: পেট ব্যথা, বমি ইত্যাদি। আবার দুদিন জ্বরের পর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো। আর সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এ ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন পর্যন্ত হতে পারে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই দেশে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান বর্ষা মৌসুমে এ রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। তারা স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ যেমন, তেমনি ডেঙ্গু বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতার ওপরও জোর দিচ্ছেন।
প্রথমেই একটু তথ্যের দিকে নজর দেওয়া যাক। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে আগেই।
এ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন চরচাকে বলেন, “প্রবণতা বলছে আগামী ১ মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে। ফলে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। বিশেষত সেকেন্ডারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করা এবং বিনামূল্যে ডেঙ্গু টেস্ট কিট তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক হতে হবে। জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে দ্রুত।”
ডেঙ্গুর এই প্রকোপের সময় বিশেষজ্ঞরা যে সতর্কতার কথা বলছেন, তা আসলে কী? এ বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন হতে হলে জানা প্রয়োজন ডেঙ্গুর লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে।
ডেঙ্গু জ্বর
ডেঙ্গু হলো ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। এডিস মশা এই ভাইরাসের বাহক। এর কামড়ে ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী এডিস মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে ওই ব্যক্তি চার থেকে ছয়দিনের মধ্যে এ জ্বরে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিকে এই সময়ে জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে মশার মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ডেঙ্গু ছড়ায়।
ডেঙ্গু জ্বর কখন হয়
সাধারণত মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকে। বিশেষ করে বর্ষার সময়ে। তবে গত কয়েক বছর ধরে সারা বছরই ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দেখা গেছে।
পুরানো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনে ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা জন্ম নেয়। এরা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননের জন্য এখন আর শুধু স্বচ্ছ পানির প্রয়োজন নেই। জমে থাকা পানি পেলেই এই মশা ডিম পাড়ে।

এ বিষয়ে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এডিস মশার ডিম পানির প্রান্তদেশে থাকে। ফলে এই বর্ষা মৌসুমে খুঁজে খুঁজে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। যেহেতু একটা বড় ধরনের জলাবদ্ধতা গেছে, সেহেতু বহু স্থানে ডাবের খোসা থেকে শুরু করে ভাঙা বোতল বা পাত্রে পানি জমে থাকতে পারে। এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। সবাইকে নিজ জায়গা থেকেই ভূমিকা নিতে হবে।”
তাই ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতার অংশ হিসেবে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান, ডাবের খোল, ক্যান, টায়ার, ফুলের টবে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।
লক্ষণ
ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ জ্বর। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এর সঙ্গে দেখা দিতে পারে বমি, মাথাব্যথা ও শরীরের অন্যান্য অংশে ব্যথা। ৪-৫ দিন পর শরীরে র্যাশ বের হয়। ডেঙ্গু জ্বর শরীরকে অনেক বেশি দুর্বল করে দেয়।
ডেঙ্গুর হিমোরোজিক ফিভারের কারণে অনেক সময় রক্তক্ষরণও হয়। কারো নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। এ ছাড়া দাঁত ব্রাশ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। অনেক সময় প্রস্রাব-পায়খানার সঙ্গেও রক্ত যেতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডকালীন রক্তক্ষরণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় হয়। এ ছাড়া খাবারে অরুচিসহ আরও কিছু উপসর্গ ও লক্ষণ থাকে।
প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় অস্ত্র
ডেঙ্গু এখন রোজকার ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। বিশেষত শিশুসহ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই এ ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য—
মনে রাখবেন–হৃদরোগীদের জন্য ডেঙ্গু কখনো কখনো প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা, পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলে এ ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, সচেতন থাকলেই রক্ষা পাওয়া যায়। ডেঙ্গুতে ভয় নয়— সতর্কতাই হোক বাঁচার পথ।
প্রতিকার
শত সতর্কতার পরও ডেঙ্গুতে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিলে এটি প্রাণঘাতি হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়াভাবে চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। পরিস্থিতি বাজে আকার নিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।
ঘরোয়া চিকিৎসা

এ সময় করণীয়
কখন হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?
ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে–এ, বি এবং সি। প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। তাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।
বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে। শুধু শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন: পেট ব্যথা, বমি ইত্যাদি। আবার দুদিন জ্বরের পর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো। আর সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এ ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন পর্যন্ত হতে পারে।