
২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের এমন লক্ষণ ততটা প্রকট ছিল না। তবে এর পর থেকে দিনকে দিন লক্ষণগুলো প্রকট থেকে প্রকটতর হয়েছে। শেখ হাসিনা নিজেকে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন ক্রমে। তার এমন সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি হয়, যারা নানাভাবে এই কেন্দ্রীভূত ও একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে

নতুন বন্দোবস্তে প্রবেশের পর থেকে বাউলদের ওপর হামলা যেমন বেড়েছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাজারে হামলা ও ভাঙচুর। এমনকি মৃত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে তুলে আগুনে ভস্মিভূত করতেও আমরা দেখেছি।

এক সময়ের মজলুম জনগোষ্ঠীর জালিম হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ আছে। সাতচল্লিশের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা ছিল সংখ্যালঘু মজলুম। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানে সেই মুসলমানেরাই জুলুমবাজ হয়ে ওঠে।

গবেষকদের মতে, বর্তমানের শাসকদের কাছে এই অংশগ্রহণমূলক ফ্যাসিবাদ সবচেয়ে আদরনীয় পন্থা। কারণ, এতে সাপও মরে, কিন্তু লাঠিও ভাঙে না। এই ব্যবস্থায় একদিকে সমাজে প্রবল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, অন্যদিকে বিভ্রান্ত জনতাকে বোকাও বানানো যায় এবং ব্যবহারও করা যায়।

এটি বন্ধনীর চেয়ে কম কাজে লাগে, কিন্তু কমার চেয়ে বেশি। এর দৈর্ঘ্য একটি ‘এম’-এর সমান, যা এটিকে বিরক্তিকর ও ছোট এন ড্যাশ থেকে আলাদা করে। লেখকদের জন্য এটি পুরুষের চেঞ্জিং রুমের মতো।

মানুষের জীবনে টের পাওয়া যায় এমন পরিবর্তন আনতে অনেক বড় আলোচনার প্রয়োজন নেই। দরকার একটু সদিচ্ছার। সেটা যেমন দরকার সরকারের পক্ষ থেকে, তেমনি দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও। ৫ আগস্টের পর পুরোনো সিন্ডিকেটের লোকজন সটকে পড়েছিল। তাই টেম্পো ভাড়া থেকে শুরু করে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম সবই কমেছিল এক রকম হঠাৎ করেই।

বঙ্গমুলুকে শিক্ষার আরেক নাম শাস্তিও সম্ভবত। না হলে, আমরা কি আর সাধে বলি যে, এবার তাকে একটা শিক্ষা দিতে হবে। ভাবা যায়! কাউকে একহাত নেওয়া বা কাউকে সাজা দেওয়া অর্থে শিক্ষার এমন ব্যবহার আমাদের এখানে এমন প্রবলভাবে আছে যে, শিক্ষার পাশ ঘেঁষতেও একটু ভয় পেতে হয় বৈকি।

উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে তিন ধরনের অভিযোগ হতে পারে: (১) অদক্ষতা, (২) দুর্নীতি ও (৩) দলীয় পক্ষপাত। যদি এসব অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হয়, সেখানে যদি তথ্যপ্রমাণ থাকে, তাহলে সরকারকে অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে তা বিবেচনা করতে হবে।

ইরাকিরা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে। বিশ্ব অধিকার রাখে সত্য প্রতিষ্ঠার। আর মৃতেরা অধিকার রাখে তাদের স্মরণ করার। এবং ইতিহাসের উচিত চেনি ও বুশকে নেতা নয়, বরং সেই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মনে রাখা, যারা তাদের প্রাপ্য জবাবদিহি এড়িয়েছেন।

ইরাকিরা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে। বিশ্ব অধিকার রাখে সত্য প্রতিষ্ঠার। আর মৃতেরা অধিকার রাখে তাদের স্মরণ করার। এবং ইতিহাসের উচিত চেনি ও বুশকে নেতা নয়, বরং সেই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মনে রাখা, যারা তাদের প্রাপ্য জবাবদিহি এড়িয়েছেন।

বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ। ২০২৬ সালে ফিফা শুরু করতে যাচ্ছে নতুন এক প্রতিযোগিতা। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলো ফিফার ‘ফুটবল সিরিজে’ লাভবান হতে পারে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভিন্ন মহাদেশের প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেতে পারে।

বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ। ২০২৬ সালে ফিফা শুরু করতে যাচ্ছে নতুন এক প্রতিযোগিতা। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলো ফিফার ‘ফুটবল সিরিজে’ লাভবান হতে পারে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভিন্ন মহাদেশের প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেতে পারে।

এই অস্থিতিশীল পরিবেশে মতাদর্শিক গোষ্ঠী, বিশেষ করে ধর্মভিত্তিক শক্তিগুলো অস্বাভাবিক প্রভাব অর্জন করছে। জামায়াত ঘনিষ্ঠ সংগঠনগুলো তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধ অফিস খুলে ফেলেছে। ছাত্রশিবির ক্যাম্পাস ইউনিটগুলো ফের সক্রিয় করছে; ছোট ইসলামি দলগুলো নির্বাচনের আগে জোট নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ব

ইউরোপের সামনে পড়ে থাকে একটি কঠিন সমাধান এবং একটি খারাপ সমাধান। কঠিন সমাধান হলো, আরও প্রতিযোগিতামূলক হওয়া এবং নতুন উৎস খোঁজা। যেমনটা আমেরিকা তার প্রযুক্তি খাতের মাধ্যমে করে।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর নতুন দেশ হিসেবে উদ্ভব ঘটে বাংলাদেশের। এর পর শুরু হয় দেশের ভেতরে নতুন শাসক ও শোষক শ্রেণির সৃষ্টিপ্রক্রিয়া। বাংলাদেশে এই কাজ সম্পন্ন হতে বেশি সময় লাগেনি। খুব দ্রুতই নতুন ক্ষমতাবান শ্রেণিটি গড়ে ওঠে এবং বছর যত গড়ায়, এই শ্রেণি পরিপুষ্ট হয়ে উঠতে থাকে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির এক বোমা ফাটিয়েছেন। চট্টগ্রাম প্যারেড মাঠে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হলে নির্বাচনের জেনোসাইড হবে।

ওয়াশিংটনে দুই দিনের সফরে এমবিএস ও ট্রাম্প একগুচ্ছ নতুন মার্কিন–সৌদি চুক্তির কথা জানান। এর মধ্যে ছিল মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে নতুন এআই অংশীদারিত্ব, সৌদি এআই কোম্পানির জন্য এনভিডিয়ার সর্বাধুনিক চিপ ছাড়, সৌদিতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাবনা, যুক্তরাষ্ট্রে সৌদির প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার বি

২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের এমন লক্ষণ ততটা প্রকট ছিল না। তবে এর পর থেকে দিনকে দিন লক্ষণগুলো প্রকট থেকে প্রকটতর হয়েছে। শেখ হাসিনা নিজেকে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন ক্রমে। তার এমন সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি হয়, যারা নানাভাবে এই কেন্দ্রীভূত ও একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে

নতুন বন্দোবস্তে প্রবেশের পর থেকে বাউলদের ওপর হামলা যেমন বেড়েছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাজারে হামলা ও ভাঙচুর। এমনকি মৃত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে তুলে আগুনে ভস্মিভূত করতেও আমরা দেখেছি।

এক সময়ের মজলুম জনগোষ্ঠীর জালিম হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ আছে। সাতচল্লিশের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা ছিল সংখ্যালঘু মজলুম। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানে সেই মুসলমানেরাই জুলুমবাজ হয়ে ওঠে।

গবেষকদের মতে, বর্তমানের শাসকদের কাছে এই অংশগ্রহণমূলক ফ্যাসিবাদ সবচেয়ে আদরনীয় পন্থা। কারণ, এতে সাপও মরে, কিন্তু লাঠিও ভাঙে না। এই ব্যবস্থায় একদিকে সমাজে প্রবল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, অন্যদিকে বিভ্রান্ত জনতাকে বোকাও বানানো যায় এবং ব্যবহারও করা যায়।

এটি বন্ধনীর চেয়ে কম কাজে লাগে, কিন্তু কমার চেয়ে বেশি। এর দৈর্ঘ্য একটি ‘এম’-এর সমান, যা এটিকে বিরক্তিকর ও ছোট এন ড্যাশ থেকে আলাদা করে। লেখকদের জন্য এটি পুরুষের চেঞ্জিং রুমের মতো।

মানুষের জীবনে টের পাওয়া যায় এমন পরিবর্তন আনতে অনেক বড় আলোচনার প্রয়োজন নেই। দরকার একটু সদিচ্ছার। সেটা যেমন দরকার সরকারের পক্ষ থেকে, তেমনি দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও। ৫ আগস্টের পর পুরোনো সিন্ডিকেটের লোকজন সটকে পড়েছিল। তাই টেম্পো ভাড়া থেকে শুরু করে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম সবই কমেছিল এক রকম হঠাৎ করেই।

বঙ্গমুলুকে শিক্ষার আরেক নাম শাস্তিও সম্ভবত। না হলে, আমরা কি আর সাধে বলি যে, এবার তাকে একটা শিক্ষা দিতে হবে। ভাবা যায়! কাউকে একহাত নেওয়া বা কাউকে সাজা দেওয়া অর্থে শিক্ষার এমন ব্যবহার আমাদের এখানে এমন প্রবলভাবে আছে যে, শিক্ষার পাশ ঘেঁষতেও একটু ভয় পেতে হয় বৈকি।

উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে তিন ধরনের অভিযোগ হতে পারে: (১) অদক্ষতা, (২) দুর্নীতি ও (৩) দলীয় পক্ষপাত। যদি এসব অভিযোগ সুনির্দিষ্ট হয়, সেখানে যদি তথ্যপ্রমাণ থাকে, তাহলে সরকারকে অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে তা বিবেচনা করতে হবে।

ইরাকিরা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে। বিশ্ব অধিকার রাখে সত্য প্রতিষ্ঠার। আর মৃতেরা অধিকার রাখে তাদের স্মরণ করার। এবং ইতিহাসের উচিত চেনি ও বুশকে নেতা নয়, বরং সেই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মনে রাখা, যারা তাদের প্রাপ্য জবাবদিহি এড়িয়েছেন।

ইরাকিরা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে। বিশ্ব অধিকার রাখে সত্য প্রতিষ্ঠার। আর মৃতেরা অধিকার রাখে তাদের স্মরণ করার। এবং ইতিহাসের উচিত চেনি ও বুশকে নেতা নয়, বরং সেই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মনে রাখা, যারা তাদের প্রাপ্য জবাবদিহি এড়িয়েছেন।

বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ। ২০২৬ সালে ফিফা শুরু করতে যাচ্ছে নতুন এক প্রতিযোগিতা। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলো ফিফার ‘ফুটবল সিরিজে’ লাভবান হতে পারে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভিন্ন মহাদেশের প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেতে পারে।

বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ। ২০২৬ সালে ফিফা শুরু করতে যাচ্ছে নতুন এক প্রতিযোগিতা। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলো ফিফার ‘ফুটবল সিরিজে’ লাভবান হতে পারে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভিন্ন মহাদেশের প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেতে পারে।