
ফিলিস্তিনের ওপর চালানো দশকের পর দশক ধরে চলা ইসরায়েলি নিপীড়নের প্রতি ফিফার এই অন্ধ সমর্থন ও পক্ষপাতিত্ব আজ বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশের ফুটবল ভক্তদের কাছেও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে, যা ফিলিস্তিনিরা তাদের জীবনের চড়া মূল্য চুকিয়ে অনেক আগে থেকেই উপলব্ধি করে আসছিল।

চীনকে প্রতিহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক কৌশল বা ডিটারেন্স আর্কিটেকচার গড়ে তোলার জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা চালাচ্ছে।

মালিবাগ রেলগেটে রোববার দুপুরে এক ব্যাটারি রিকশার চালককে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলছিলেন জরুরি কাজে বের হওয়া একজন নারী। ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নের অবশ্য উত্তর এলো না। উল্টো চালক সরিয়ে দিলেন প্লাস্টিকের চাদর। ওই নারী তখন ভাড়া মিটিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বৃষ্টিবিঘ্নিত রাজধানীর রাস্তায় ‘যুদ্ধ’ করার!

ইতিহাস কখনো কখনো এত দ্রুত বাঁক নেয় যে, পুরনো মানচিত্র দিয়ে নতুন পথ চেনা যায় না। ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে যা ঘটেছিল, তা স্রেফ একটি সরকার পরিবর্তন ছিল না, ছিল একটি দীর্ঘ মনস্তাত্ত্বিক বন্দিত্ব থেকে মুক্তির ঘোষণা। সেই মুক্তির ঢেউ এখন আছড়ে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির পাথুরে উপকূলে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা বাড়ছে, এটা নিশ্চয়ই আনন্দের সংবাদ। সেই সঙ্গে সরকার ১২তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য রেশনিংয়ের ব্যবস্থাও করছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষুদ্র একটা অংশ বর্তমানে রেশনিং সুবিধা পেলেও বেশির ভাগই এর বাইরে আছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি নতুন মনস্তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল তৈরি করছে। ওয়াশিংটন মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক ফ্রন্টসমূহ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জোট গঠনকে একটি একক কৌশলে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য। সম্প্রতি তুরস্কের আঙ্কারায়

ইসরায়েল বিশ্বকে দেখাচ্ছে কীভাবে একটি রাষ্ট্র বস্তুগতভাবে টিকে থেকেও রাজনৈতিকভাবে মারা যেতে পারে। ভারতের এই শিক্ষাটি অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়া উচিত– কোনো নির্দেশিকা বা ম্যানুয়াল হিসেবে নয়, বরং একটি সতর্কবার্তা হিসেবে।

আসলে কোনো সামাজিক আচরণগত পরিবর্তনই হুট করে তৈরি হয় না। এর পেছনে নানামাত্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কারণ থাকে। আমাদের এই দেশটা সংকট ছাড়া খুব বেশি সময় থাকেনি। বেশির ভাগ সময়ই বহুমাত্রিক সংকটে ভুগে চলেছে বাংলাদেশের মানুষ। কখনো প্রত্যক্ষ, কখনো পরোক্ষ সংকট তাড়া করছে মানুষকে। ফলে উৎসবের উপলক্ষ বেশ কম। আর যখনই

সবশেষে দেখা যায়, এই দেশে সবারই কোনো না কোনো ছাতা আছে। শুধু নেই আমজনতার। তারা নিজেরাই যেন ব্যাঙের ছাতা; বর্ষায় হঠাৎ জন্মায়, রোদ উঠলে শুকিয়ে যায়, আর ক্ষমতার পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে মিলিয়ে যায়।

সবশেষে দেখা যায়, এই দেশে সবারই কোনো না কোনো ছাতা আছে। শুধু নেই আমজনতার। তারা নিজেরাই যেন ব্যাঙের ছাতা; বর্ষায় হঠাৎ জন্মায়, রোদ উঠলে শুকিয়ে যায়, আর ক্ষমতার পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে মিলিয়ে যায়।

জাতীয় সংসদ কেবল আইন প্রণয়নের কোনো যান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, ক্ষমতার বিন্যাস এবং সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিপক্বতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।সংসদের কাঠামোগত ও আচরণগত চরিত্র বিশ্লেষণ করলে একটি রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার সংখ্যাভিত্তিক, নাকি অংশীদারত্বমূলক তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

দক্ষিণ চীন সাগর নয়, বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দাবাখেলা এখন ঘরের পাশেই। থ্রিলার মুভি যাদের পছন্দ, তারা একটু নড়েচড়ে বসতে পারেন। আর ভূরাজনীতি নিয়ে আগ্রহ থাকলে তো কথাই নেই। বাড়ির পাশের এই আরশিনগরে এখন সব পড়শির চোখ। অবশ্য অনেক আগে থেকেই। আর সেই আরশিনগরটি আর কিছু নয়, বঙ্গোপসাগর।

চীনের মুদ্রা ইউয়ানের বৈশ্বিক মুদ্রা হয়ে ওঠার ভবিষ্যৎ যাত্রা রাজনৈতিক বোঝাপড়া বা প্রচারের মাধ্যমে সফল হবে না। ইউয়ানের আন্তর্জাতিকীকরণের আসল পরীক্ষা এখানে নয় যে বেইজিং একটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা চায় কি না, কিংবা হংকং এই মুদ্রাকে কেন্দ্র করে বড় বড় সম্মেলন বা সামিটের আয়োজন করতে পারছে কি না।

ভূরাজনীতি ইউয়ানকে একটি বড় সুযোগ বা ওপেনিং দিলেও কোনো ফ্রি পাস বা অনায়াস জয় এনে দিচ্ছে না। বিশ্বের অনেক উদীয়মান অর্থনীতি বর্তমানে মার্কিন ডলারের বিকল্প খুঁজছে ঠিকই, কিন্তু মার্কিন ডলারের প্রতি এই অসন্তুষ্টির মানেই কিন্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউয়ানের প্রতি পূর্ণ আস্থা বা আত্মবিশ্বাস তৈরি হওয়া নয়।

একটি বহুল প্রচলিত এবং আকর্ষণীয় ধারণা রয়েছে যে চীন ও ইরান হচ্ছে রক্ত এবং আদর্শের বন্ধনে আবদ্ধ দুটি পরম মিত্র দেশ। এবং ন্যাটো জোটের কোনো সদস্য আক্রান্ত হলে অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী যেভাবে সবাই তার সাহায্যে এগিয়ে আসে, ঠিক সেভাবেই তেহরানের যেকোনো বিপদে বেইজিং ঢাল হয়ে দাঁড়াবে। তবে ভূ-রাজনীতির প্রকৃত বাস্তবতার

ফিলিস্তিনের ওপর চালানো দশকের পর দশক ধরে চলা ইসরায়েলি নিপীড়নের প্রতি ফিফার এই অন্ধ সমর্থন ও পক্ষপাতিত্ব আজ বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশের ফুটবল ভক্তদের কাছেও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে, যা ফিলিস্তিনিরা তাদের জীবনের চড়া মূল্য চুকিয়ে অনেক আগে থেকেই উপলব্ধি করে আসছিল।

চীনকে প্রতিহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক কৌশল বা ডিটারেন্স আর্কিটেকচার গড়ে তোলার জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা চালাচ্ছে।

মালিবাগ রেলগেটে রোববার দুপুরে এক ব্যাটারি রিকশার চালককে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলছিলেন জরুরি কাজে বের হওয়া একজন নারী। ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নের অবশ্য উত্তর এলো না। উল্টো চালক সরিয়ে দিলেন প্লাস্টিকের চাদর। ওই নারী তখন ভাড়া মিটিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বৃষ্টিবিঘ্নিত রাজধানীর রাস্তায় ‘যুদ্ধ’ করার!

ইতিহাস কখনো কখনো এত দ্রুত বাঁক নেয় যে, পুরনো মানচিত্র দিয়ে নতুন পথ চেনা যায় না। ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে যা ঘটেছিল, তা স্রেফ একটি সরকার পরিবর্তন ছিল না, ছিল একটি দীর্ঘ মনস্তাত্ত্বিক বন্দিত্ব থেকে মুক্তির ঘোষণা। সেই মুক্তির ঢেউ এখন আছড়ে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির পাথুরে উপকূলে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা বাড়ছে, এটা নিশ্চয়ই আনন্দের সংবাদ। সেই সঙ্গে সরকার ১২তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য রেশনিংয়ের ব্যবস্থাও করছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষুদ্র একটা অংশ বর্তমানে রেশনিং সুবিধা পেলেও বেশির ভাগই এর বাইরে আছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি নতুন মনস্তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল তৈরি করছে। ওয়াশিংটন মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক ফ্রন্টসমূহ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জোট গঠনকে একটি একক কৌশলে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য। সম্প্রতি তুরস্কের আঙ্কারায়

ইসরায়েল বিশ্বকে দেখাচ্ছে কীভাবে একটি রাষ্ট্র বস্তুগতভাবে টিকে থেকেও রাজনৈতিকভাবে মারা যেতে পারে। ভারতের এই শিক্ষাটি অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়া উচিত– কোনো নির্দেশিকা বা ম্যানুয়াল হিসেবে নয়, বরং একটি সতর্কবার্তা হিসেবে।

আসলে কোনো সামাজিক আচরণগত পরিবর্তনই হুট করে তৈরি হয় না। এর পেছনে নানামাত্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কারণ থাকে। আমাদের এই দেশটা সংকট ছাড়া খুব বেশি সময় থাকেনি। বেশির ভাগ সময়ই বহুমাত্রিক সংকটে ভুগে চলেছে বাংলাদেশের মানুষ। কখনো প্রত্যক্ষ, কখনো পরোক্ষ সংকট তাড়া করছে মানুষকে। ফলে উৎসবের উপলক্ষ বেশ কম। আর যখনই

সবশেষে দেখা যায়, এই দেশে সবারই কোনো না কোনো ছাতা আছে। শুধু নেই আমজনতার। তারা নিজেরাই যেন ব্যাঙের ছাতা; বর্ষায় হঠাৎ জন্মায়, রোদ উঠলে শুকিয়ে যায়, আর ক্ষমতার পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে মিলিয়ে যায়।

সবশেষে দেখা যায়, এই দেশে সবারই কোনো না কোনো ছাতা আছে। শুধু নেই আমজনতার। তারা নিজেরাই যেন ব্যাঙের ছাতা; বর্ষায় হঠাৎ জন্মায়, রোদ উঠলে শুকিয়ে যায়, আর ক্ষমতার পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে মিলিয়ে যায়।