
আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এটি রাশিয়ার নিজেদের ব্যাপার। কিন্তু এর লক্ষ্য শুধুই প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়। এটি একটি সুচিন্তিত ভূ-রাজনৈতিক কৌশল, যার মাধ্যমে মস্কো এক ঢিলে তিন পাখি মারতে চাইছে।

ধর্মেন্দ্রকে দর্শক ভালোবাসত কারণ তিনি সেই যুগের ভারতীয় যুবকের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সৎ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজের মর্যাদা নিয়ে আপসহীন। এই ইমেজ ভারতীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।

সিএনএনের প্রতিবেদন
ট্রাইব্যুনালে হাসিনার বিরুদ্ধে প্রধানত যে অভিযোগগুলি আনা হয়েছিল, তার মধ্যে ছিল ২০২৪ এর আন্দোলনকারীদের হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দেওয়া ফাঁসিতে ঝোলানোর নির্দেশ দেওয়া এবং অস্থিরতা দমন করার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া।

কম্পনগুলোকে ফোরশক ধরে নিয়ে দেশের মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশ। এমন অবস্থায় এতটা আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা বলছে, শুক্রবার সকালে নরসিংদীর ৫ দশমিক ৭ মাত্রার কম্পনের পর এখন পর্যন্ত যে তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, তার সবই আফটার শক। তাই এতে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশ যে ভূমির ওপরে গড়ে উঠেছে, তা ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে। এই সরে যাওয়ার হার বছরে দু’ইঞ্চি। বাংলাদেশের টেকটোনিক প্লেট মিয়ানমারে থাকা প্লেটের সঙ্গে ধাক্কাও খাচ্ছে। তার ফলে মাঝেমধ্যে হচ্ছে ভূমিকম্প।

জোহরান মামদানির বিজয় তাই নতুন দিগন্তের আশা দেখায়। কঠোর ইসলামোফোবিয়া ও বর্ণবাদের মাঝেও তার জয় প্রমাণ করে–মানুষ এখনো ন্যায়, সমতা ও মর্যাদার রাজনীতিকে মূল্য দিতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচন কেবল শুরু। সামনে আরও কঠিন কাজ–প্রতিশ্রুতিকে নীতিতে রূপান্তর, আশাকে বাস্তব পরিবর্তনে পরিণত করা।

ভারতের তামিলনাড়ু্তে গত কয়েক মাসে অন্তত ২৪ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় যে কফ সিরাপে বিষাক্ততা পাওয়া গেছে, সেটির উপাদান সরবরাহে কোনো গাফিলতি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন ভারতের কর্মকর্তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ৮ মাত্রা বা তার চেয়ে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে রকম ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অন্তত ৬ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রাণহানি হবে অন্তত ৩ লাখ মানুষের।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।

বাংলাদেশ-ভারত সর্বোচ্চ পর্যায়ে সম্পর্ক এখনও সীমিত। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিক সফরের আমন্ত্রণ জানায়নি। এ বছরের শুরুতে থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও ইউনুসের প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হয়।

বাংলাদেশ-ভারত সর্বোচ্চ পর্যায়ে সম্পর্ক এখনও সীমিত। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিক সফরের আমন্ত্রণ জানায়নি। এ বছরের শুরুতে থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও ইউনুসের প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হয়।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ
মাদুরো সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আমেরিকা হামলা চালালেও তারা প্রতিহত করতে প্রস্তুত। কিন্তু ভেনেজুয়েলা কি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বা আগ্রাসন ঠেকাতে প্রস্তুত? তাদের সামরিক সক্ষমতাই বা কতটুকু? এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে নানা আলোচনা।

বুধবারের সেই হামলার পর থেকেই পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে শুরু করে। তাজিক সরকার হামলাকারীদের প্রতিবেশী দেশের অপরাধী দল হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের অভিযোগ, পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, অপেশাদার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক্ষেত্রে এআই আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। চ্যাটবট তাদের হাজার হাজার প্রাইভেট মেসেজের জবাব দিচ্ছে, ভিডিও এডিটিংয়ের সময় কমে গেছে। কিন্তু বড় তারকাদের জন্য এটি হুমকি হয়েই দেখা দিয়েছে।

‘যুদ্ধবিরতি’ আসলে একটি কূটনৈতিক ছলনা–গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নির্মূল, উচ্ছেদ ও মুছে ফেলার প্রক্রিয়াকে আড়াল করার উপায়, এবং আন্তর্জাতিক জনমত ও গণমাধ্যমকে পথভ্রষ্ট করার কৌশল।

দুবাই এয়ার শোয়ে ভারতের নিজেদের তৈরি তেজাস মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়া দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা–প্রযুক্তির সক্ষমতা অর্জনের স্বপ্নকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের চীনের সহায়তায় তৈরি জেএফ থান্ডার–১৭ ব্লক থ্রি আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির ব্যাপারে এগিয়ে গেছে অনেকটাই

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এটি রাশিয়ার নিজেদের ব্যাপার। কিন্তু এর লক্ষ্য শুধুই প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়। এটি একটি সুচিন্তিত ভূ-রাজনৈতিক কৌশল, যার মাধ্যমে মস্কো এক ঢিলে তিন পাখি মারতে চাইছে।

ধর্মেন্দ্রকে দর্শক ভালোবাসত কারণ তিনি সেই যুগের ভারতীয় যুবকের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সৎ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজের মর্যাদা নিয়ে আপসহীন। এই ইমেজ ভারতীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।

সিএনএনের প্রতিবেদন
ট্রাইব্যুনালে হাসিনার বিরুদ্ধে প্রধানত যে অভিযোগগুলি আনা হয়েছিল, তার মধ্যে ছিল ২০২৪ এর আন্দোলনকারীদের হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দেওয়া ফাঁসিতে ঝোলানোর নির্দেশ দেওয়া এবং অস্থিরতা দমন করার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া।

কম্পনগুলোকে ফোরশক ধরে নিয়ে দেশের মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশ। এমন অবস্থায় এতটা আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা বলছে, শুক্রবার সকালে নরসিংদীর ৫ দশমিক ৭ মাত্রার কম্পনের পর এখন পর্যন্ত যে তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, তার সবই আফটার শক। তাই এতে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশ যে ভূমির ওপরে গড়ে উঠেছে, তা ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে। এই সরে যাওয়ার হার বছরে দু’ইঞ্চি। বাংলাদেশের টেকটোনিক প্লেট মিয়ানমারে থাকা প্লেটের সঙ্গে ধাক্কাও খাচ্ছে। তার ফলে মাঝেমধ্যে হচ্ছে ভূমিকম্প।

জোহরান মামদানির বিজয় তাই নতুন দিগন্তের আশা দেখায়। কঠোর ইসলামোফোবিয়া ও বর্ণবাদের মাঝেও তার জয় প্রমাণ করে–মানুষ এখনো ন্যায়, সমতা ও মর্যাদার রাজনীতিকে মূল্য দিতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচন কেবল শুরু। সামনে আরও কঠিন কাজ–প্রতিশ্রুতিকে নীতিতে রূপান্তর, আশাকে বাস্তব পরিবর্তনে পরিণত করা।

ভারতের তামিলনাড়ু্তে গত কয়েক মাসে অন্তত ২৪ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় যে কফ সিরাপে বিষাক্ততা পাওয়া গেছে, সেটির উপাদান সরবরাহে কোনো গাফিলতি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন ভারতের কর্মকর্তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ৮ মাত্রা বা তার চেয়ে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে রকম ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অন্তত ৬ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রাণহানি হবে অন্তত ৩ লাখ মানুষের।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।

বাংলাদেশ-ভারত সর্বোচ্চ পর্যায়ে সম্পর্ক এখনও সীমিত। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিক সফরের আমন্ত্রণ জানায়নি। এ বছরের শুরুতে থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও ইউনুসের প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হয়।

বাংলাদেশ-ভারত সর্বোচ্চ পর্যায়ে সম্পর্ক এখনও সীমিত। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিক সফরের আমন্ত্রণ জানায়নি। এ বছরের শুরুতে থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও ইউনুসের প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হয়।