আল জাজিরার বিশ্লেষণ

এনসিপি কি বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তি হয়ে উঠতে পারবে?

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
এনসিপি কি বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তি হয়ে উঠতে পারবে?
জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের দিন দলটির নেতারা মঞ্চে। ছবি: রয়টার্স

রুহুল আমিন দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে হতাশ ছিলেন। তিনি অপেক্ষা করছিলেন একটি বিশ্বাসযোগ্য তৃতীয় শক্তির।

এরমধ্যে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার সেই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্ররা একটি দল গঠন করে। নাম দেওয়া হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তখন ত্রিশের কোটায় থাকা রুহুল আমিনের মনে একটি আশা জাগে। তিনি মনে করেন, অবশেষে এমন একটি দল পেয়েছেন যাকে ভোট দেওয়া এবং নিজের দল বলে দাবি করা যায়।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এনসিপির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়। দলটির নেতারা ব্যাপক জনসমর্থন ও উজ্জ্বল নির্বাচনী সম্ভাবনার কথা বলেন, এমনকি ভবিষ্যতে সরকার গঠনের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন সে সময়।

তবে অল্প সময়ের মধ্যেই বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অভ্যুত্থানের সময় পাওয়া জনসমর্থনকে ব্যালটে রুপান্তর করতে পারেনি এনসিপি। সংসদ নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো শক্তিশালী তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন গড়ে তুলতে পারেনি তারা। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে দলটির সমর্থন এক অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

পরবর্তীতে এনসিপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৩০টিতে এবং জয় পায় ছয়টিতে।

অন্যদিকে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট বিপুল ব্যবধানে ২১২টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট পায় ৭৭টি আসন।

তবে প্রতিষ্ঠিত দলের এই ফলাফলে রুহুল আমিনের মনোবল ভাঙেনি। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “নতুন দল হিসেবে আমরা এই নির্বাচনে ভালো করেছি। আমরা সবে শুরু করেছি। আগামী কয়েকটি নির্বাচনে এনসিপি নতুন বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে।”

গণঅভ্যুত্থান থেকে সংসদ

২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের সময় আলোচনায় আসা এনসিপির কয়েকজন নেতা এখন সংসদ সদস্য। সমর্থকদের কাছে ছয়টি আসন একটি নবগঠিত রাজনৈতিক দলের জন্য অপ্রত্যাশিত অগ্রগতি। তবে সমালোচকদের মতে, এই ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে প্রতিবাদ আন্দোলন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ছবি: ফেসবুক
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ছবি: ফেসবুক

নির্বাচনের ফলাফলকে উৎসাহব্যঞ্জক হিসেবে অভিহিত করেছেন এনসিপির মুখপাত্র ও দলের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “মাত্র ১১ মাসের একটি দলের জন্য এটি খুবই ভালো ফলাফল। অবশ্যই আরও ভালো হতে পারত, আমরা আরও বেশি আশা করেছিলাম। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা খুশি।”

আসিফের দাবি, ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগের কারণে এনসিপি অল্প ব্যবধানে আরও দুই বা তিনটি আসন হারাতে পারে। প্রমাণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময়ই দলটি তাদের উদ্বেগ জানিয়েছে।

তবে নির্বাচনে অংশ নিতে গিয়ে আপস করতে হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। শুরুতে এনসিপি এককভাবে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। তিনি বলেন “রাজনৈতিক কাঠামো বিবেচনায় প্রতিনিধিত্ব ও টিকে থাকা নিশ্চিত করতে আমাদের জোটে যেতে হয়েছে।”

আর জামায়াতের এই জোট এখন এনসিপির নির্বাচন-পরবর্তী ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় টানাপোড়েনের বিষয় হয়ে উঠেছে।

জোট রাজনীতি ও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি

ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত জামায়াত ঐতিহাসিকভাবে শরিয়াভিত্তিক আইন ও নারীর অধিকার প্রশ্নে রক্ষণশীল অবস্থান নিয়ে এসেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে দলটি দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান মেনে চলার অঙ্গীকার করেছে, এমনকি এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো একজন হিন্দু প্রার্থীও দিয়েছে। তবুও জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত এনসিপির ভেতরে বিভক্তির সৃষ্টি করে।

জোট ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যেই এক ডজনের বেশি জ্যেষ্ঠ নেতা পদত্যাগ করেন। তাদের মতে, জামায়াতের সঙ্গে জোট এনসিপির আদর্শ ও ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের অন্তর্ভুক্তিমূলক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এতে দলের গ্রহণযোগ্যতা ও মধ্যপন্থী সমর্থন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

তবে এসব আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, “আমরা ছায়া রাজনীতি করছি না। আমাদের বক্তব্য পর্যবেক্ষণ করলে দেখবেন, তা জামায়াতের বক্তব্যের মতো নয়।” জামায়াতের সঙ্গে এই সমঝোতা একটি নির্বাচনী জোট, “‘রাজনৈতিক একীভূতকরণ নয়’ বলেও জোর দেন তিনি।

বর্তমানে এনসিপি জানিয়েছে, তারা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে দলীয় নেতৃত্বে জামায়াতের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরেকটি সমঝোতার সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেনি।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বান্দরবান আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়া এনসিপি নেতা এস এম সুজা উদ্দিন আল জাজিরাকে বলেন, সে সময় তাদের ‘বিকল্প সীমিত’ ছিল এবং জামায়াতের সঙ্গে জোটকে তিনি রাজনৈতিক বাস্তবতা হিসেবে বর্ণনা করেন।

তার দাবি, এনসিপি দেশের রাজনৈতিক দলগুলোতে বিদ্যমান নেতৃত্ব সংকটের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রজন্মগত সংশোধন’। তিনি বলেন, “বিভিন্ন দলের তরুণ রাজনীতিকরা হতাশ। মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা যেখানে গেছি, সেখানেই সেই আকাঙ্ক্ষা দেখেছি।”

সুজা আরও বলেন, “এনসিপিই আশা, এনসিপিই বিকল্প।” সংসদে ছয়জন সদস্য থাকা দলকে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা অর্জন ও ভবিষ্যৎ ভিত্তি গঠনে সহায়তা করবে বলে মনে করেন তিনি। তবে সবাই তার সঙ্গে একমত নন।

গত বছর জামায়াতের সঙ্গে জোট ঘোষণার আগেই পদত্যাগ করা সাবেক এনসিপি নেতা অনিক রায় মনে করেন, এই জোট কাঠামোগতভাবে দলটিকে জামায়াতের সঙ্গে আবদ্ধ করে ফেলেছে। তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে এনসিপির পক্ষে জামায়াত ছাড়ার কোনো বাস্তবসম্মত পথ দেখি না।” তার মতে, সংসদের ভেতরে বিরোধী রাজনীতিও ইতোমধ্যে জোটভিত্তিক কাঠামোয় সংগঠিত।

অনিক আরও বলেন, “আসল পরীক্ষা হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। যদি তারা আবার জামায়াতের সঙ্গে যায়, সেটাই তাদের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করবে।”

দলের আদর্শিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনিক। তিনি বলেন, “তারা যদি নিজেদের মধ্যপন্থী বলে, তাহলে সেটার অর্থ কী- ‘মধ্য-ডান না মধ্য-বাম’?” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এসব পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এনসিপি এখনো তাদের মূল্যবোধ স্পষ্ট করেনি।”

অনিকের মতে, জামায়াতের সমর্থন ছাড়া এনসিপি সম্ভবত কোনো আসনই পেত না। তিনি বলেন, “তাদের ভিত্তি নাজুক। এনসিপি জামায়াতকে শক্তিশালী করার একটি পরোক্ষ হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।”

তবে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এ ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার ভাষ্য, “অনেকে মনে করেন তৃণমূল সংগঠনে প্রথমে বিএনপি, তারপর জামায়াত, এরপর এনসিপি। কিন্তু বাস্তবতা জেলা ভেদে ভিন্ন।” কিছু আসনে স্থানীয় ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়ে এনসিপি প্রার্থীরা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো ফল করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তৃতীয় শক্তি কি শেকড় গাঁড়তে পারবে?

এনসিপির রাজনৈতিক মূলধনের বড় অংশই ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান থেকে এসেছে, যা সাময়িকভাবে বিভিন্ন বিরোধী শক্তিকে একত্র করেছিল। সে সময় নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদের মতো নেতারা দলীয় সীমা ছাড়িয়ে জনপ্রিয়তা পান।

এনসিপি থেকে নির্বাচিত ছয়জন শপথ নেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
এনসিপি থেকে নির্বাচিত ছয়জন শপথ নেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ নাহিদ ইসলাম বর্তমানে এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি ঢাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং বিরোধী জোটের চিফহুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “অভ্যুত্থানের সময়ের সঙ্গে দলীয় রাজনীতির তুলনা করা ঠিক নয়। একবার আপনি দলীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করলে সংঘাত অবশ্যম্ভাবী।”

তার ভাষ্য, ২০২৪ সালের সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের নেতারা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ ছিলেন। কিন্তু দল গঠনের পর এনসিপি একটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হয়েছে এবং সেই কারণেই এখন তারা সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ডক্টরাল ফেলো আসিফ বিন আলী এই রূপান্তরকে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছেন। এই বিশ্লেষক আল জাজিরাকে বলেন, “বাস্তবে এনসিপি একটি স্বতন্ত্র তৃতীয় শক্তি হয়ে ওঠার ব্যাপারে খুব কম আগ্রহ দেখিয়েছে। নির্বাচনের পর থেকে তারা জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান থেকে আলাদা কোনো স্পষ্ট কর্মসূচি তুলে ধরেনি এবং জামায়াতের ছায়াতলে কাজ করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে বলে মনে হচ্ছে।”

তার মতে, দলটির কৌশল ক্রমেই প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর মতো হয়ে উঠছে। আসিফ বিন আলী বলেন, “এটি মূলত একটি প্রচলিত দল, শুধু মুখগুলো তরুণ।”

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল লতিফ মাসুম মনে করেন, এনসিপির স্বতন্ত্র বিকাশের সুযোগ সীমিত, যদিও তিনি সংসদে দলটির প্রবেশকে ‘ইতিবাচক সূচনা’ হিসেবে আখ্যা দেন।

আবদুল লতিফ বলেন, “এনসিপি শক্তিশালী ও স্বাধীন তৃতীয় শক্তিতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত।” এর পেছনে সাংগঠনিক দুর্বলতা ও অভ্যন্তরীণ বিভক্তির কথা উল্লেখ করেন তিনি।

তবে আবদুল লতিফ স্বীকার করেন, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের আবেগীয় বৈধতা পুরোপুরি মুছে যায়নি। দলটি যদি নিজেদের সংগঠিত করতে পারে এবং স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে ‘কিছু সম্ভাবনা এখনো রয়ে গেছে’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে এনসিপি একটি অস্পষ্ট অবস্থানে রয়েছে। সংসদে আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি আছে, ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রতীকী সংযোগও রয়েছে, তবে একই সঙ্গে তীব্রভাবে বিভক্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভেতরে জোট রাজনীতির পথ ধরে এগোচ্ছে।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘নেতৃত্বকে তাদের কাজের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা উচিত। তার ভাষ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ছিল একটি পরীক্ষা এবং এনসিপি এখন বাংলাদেশের ‘তৃতীয় শক্তি’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।’’

তবে বিশ্লেষকদের মতে, ছয়টি আসন আদৌ তৃতীয় শক্তিতে রূপ নেবে কি না, তা নির্ভর করবে পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। দলটি জোট রাজনীতির বাইরে নিজেদের বিস্তৃত করতে পারবে কিনা, তৃণমূল সংগঠন জোরদার করে আরও সুস্পষ্ট আদর্শিক অবস্থান তুলে ধরতে সক্ষম হবে কি না—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

রুহুল আমিন অবশ্য আশাবাদী। তার কাছে সংসদে ছয়টি আসন কোনো চূড়ান্ত সাফল্য নয় বরং প্রমাণ যে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন একটি রাজনৈতিক উদ্যোগ বাংলাদেশের কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতায় টিকে থাকতে পারে। তিনি বলেন, “আমরা রাজপথ থেকে শুরু করেছি। এখন আমরা সংসদে। আমরা আর পেছনে ফিরব না।”

সম্পর্কিত