হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জেই আছি। যদি পারে আমাদের মেরে ফেলুক, এখান থেকে প্রয়োজনে আমাদের লাশ যাবে।”
আজ মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এনসিপির এই নেতা বিস্তারিত তুলে ধরেন। ভিডিওতে দেওয়া সারজিস আলমের বক্তব্যটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো:
“কারো হাত ভেঙে গেছে, কারো মাথা ফেটে গেছে। ক্যামেরা, ফোন- সব ওই জিকে গউসের ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গেছে।”
“আমাদের এক ভাইয়ের চোখে রড দিয়ে যখন গুঁতো দেওয়া হয়েছে, তখন তার চোখ বের হয়ে আসার মতো অবস্থা। আরেকজনের মুখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই ভাইদের বাঁচাতে গেলে রড দিয়ে উনার (এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা সচিব) কনুই ভেঙে দেওয়া হয়েছে।”
“আমাদের এই আহত ৭-৮ জন ভাইকে নিয়ে সদর হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলাম। তখন চব্বিশের জুলাইয়ের সময় ওই খুনি বাহিনী যেভাবে হাসপাতালে আক্রমণের চেষ্টা করেছিল- ঢাকা মেডিকেলের গেটে যেভাবে করেছিল- ঠিক একইভাবে ছাত্রদল-যুবদলের ক্যাডাররা, জিকে গউসের ক্যাডাররা আমাদের হাসপাতাল পর্যন্ত ঢুকতে দেয় নাই।”
“আমি যখন আমার ভাইদের নিয়ে যাচ্ছিলাম, তারা আমার হাতে পর্যন্ত রড দিয়ে আঘাত করেছে। ইট মারতে শুরু করে, রড থেকে শুরু করে যত ধরনের লাঠিসোটা আছে, তা দিয়ে আক্রমণ করতে থাকে। সেখানে আমাদের ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির অনেক ভাইকে তারা সবার সামনে পিটিয়েছে।”
“আমরা দেখলাম পুলিশ সেখানে আমাদের সামনে থাকা তো দূরের কথা, সাথে থাকাও দূরের কথা! এত বড় হামলার পর তারা পেছনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে। যদি বাংলাদেশের এই অবস্থা হয়, তবে তারেক রহমানকে এর জবাব দিতে হবে। এটা কি তারেক রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী?”
“সালাউদ্দীন আহমেদকে জবাব দিতে হবে, তারা কি জিকে গউসদের এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ইজারা দিয়ে রেখেছে কি না?”