Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের বাজার?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ২১: ৫৮
কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের বাজার?
ফাইল ছবি।

বাংলাদেশের বাজারে মূল্যস্ফীতি আগের তুলনায় কিছুটা কমার ইঙ্গিত থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং ক্রয়ক্ষমতা।

Advertisement

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর জুন-২০২৬ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে কয়েকটি ঝুঁকি একসঙ্গে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে- মজুরি বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির উচ্চ হার, প্রধান খাদ্যপণ্যের দামে অস্থিরতা, সম্ভাব্য উৎপাদন ঘাটতি, আমদানি নির্ভরতা, রপ্তানি আয়ে ধীরগতি এবং কিছু অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যয় বৃদ্ধি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ক্রয়ক্ষমতার ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো- তাদের আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত গতিতে বাড়ছে।

জুন মাসে মুদ্রাস্ফীতি কমলেও টানা ৫৩ মাস ধরে মূল্যস্ফীতির হার মজুরি বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গেছে। ডব্লিউএফপি বলছে, এর ফলে বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমছে। এর প্রভাব খাদ্য ব্যয়েও দেখা যাচ্ছে।

বর্তমানে পুষ্টিকর খাদ্যের মাসিক গড় খরচ ২ হাজার ৮৬৮ টাকা, যা জাতীয় খাদ্য দারিদ্র্যসীমা ১ হাজার ৮৫১ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর অর্থ হলো দরিদ্র পরিবারগুলোর পক্ষে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

শ্রমজীবী মানুষের ক্ষেত্রেও একই ধরনের চিত্র দেখা যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন পোশাক শ্রমিকের একদিনের আয় দিয়ে ৯ দশমিক ৭ কেজি চাল কেনা সম্ভব। অন্যদিকে একজন কৃষি শ্রমিক একই আয় দিয়ে ১২ কেজি মোটা চাল কিনতে পারেন।

চাল ও আলুর বাজার

সাধারণত ধান কাটার মৌসুমে চালের দাম কমে। তবে জুন মাসে এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও জাতীয়ভাবে চালের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উৎপাদন ও কল-কারখানার খরচ বৃদ্ধি, বাজার কারসাজি (মার্কেট ম্যানিপুলেশন) এবং উচ্চ আমদানি ব্যয়কে এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে আলুর বাজারেও বড় ধরনের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে।

মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সারা দেশে আলুর দাম গড়ে ২৬.৮ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি নিম্নবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য ব্যয়ে বড় প্রভাব ফেলছে।

উৎপাদন ঘাটতির আশঙ্কা

বর্তমান বাজার পরিস্থিতির পাশাপাশি ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একটি ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছে ডব্লিউএফপি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আউশ ও আমন ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হতে পারে।

আউশ ধানের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ৩.২২ মিলিয়ন মেট্রিক টন হলেও সম্ভাব্য উৎপাদন ২ দশমিক ৭১ মিলিয়ন মেট্রিক টন। অন্যদিকে, আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ১৮ দশমিক ১৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন নির্ধারণ হলেও সম্ভাব্য উৎপাদন ১৬ দশমিক ০৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন। শুধু তাই নয়, গমের উৎপাদনও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আমদানির ওপর নির্ভরতা

ডব্লিউএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ তার বার্ষিক গমের চাহিদার ৮৫ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। এ কারণে বিশ্ব বাজারে সামান্য অস্থিরতাও সরাসরি দেশের বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রপ্তানি আয়

বাংলাদেশ মার্কেট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে (মে মাসের তুলনায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি), যা দিয়ে ৫-৬ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এই সময়ে ডলারের বিনিময় হার ১২২ দশমিক ৭৬ টাকায় স্থিতিশীল ছিল।

আবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। কিন্তু জুন মাসে রপ্তানি আয় কমেছে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের আয় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

আঞ্চলিক বৈষম্য

প্রতিবেদনটি ভাসান চর ও কক্সবাজার অঞ্চলের সরবরাহ ব্যবস্থার দিকেও আলোকপাত করেছে। ভাসান চরে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন করতে হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিবহন ব্যয়ের কারণেই সেখানে পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি থাকে।

এছাড়া, বর্ষা মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই সরবরাহ ব্যবস্থা আরো ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হলেও বাজারে কয়েকটি ঝুঁকি একই সঙ্গে বিদ্যমান। প্রতিবেদনে বিশেষভাবে চাল ও আলুর উচ্চমূল্য, সম্ভাব্য উৎপাদন ঘাটতি এবং মজুরি বৃদ্ধির তুলনায় দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিষয়: বাজারে অস্থিরতাচালতেলনিত্যপণ্যআলুডব্লিউএফপি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ২

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ৩

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৪

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    পারমাণবিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই সম্ভাবনার হার তুলনামূলকভাবে কম।

  • কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আজ রোববার অভিযোগ করেছেন যে, গতকাল শনিবার পুলিশ তাকে দিল্লির বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যায় এবং প্রায় এক দিন আটক করে রাখে। এ সময় তাকে কোনো আইনজীবী বা নিজের ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, এটি পুলিশের কোনো বৈধ

  • ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    যে রাশিয়ার ওপর বছরের পর বছর ধরে নানান নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, গত মাসেই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপরই যেখানে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, সেই রাশিয়ার কাছ থেকেই এবার ডিজেল সরবরাহের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে