
হিটলারের ফ্যাসিবাদের বিরোধিতা করা আমেরিকা কি আজ নিজেই সেই পথে? ভেনেজুয়েলার তেল দখলের বাসনা বা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ছাপিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখে এখন অন্য দেশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আগ্রাসী নীতি বিশ্বজুড়ে এক বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে- ট্রাম্প কি আসলেই একজন ফ্যাসিস্ট?

ভেনেজুয়েলার তেল দ্রুত উত্তোলন করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠক করেছেন মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর প্রধানদের সাথে । বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েও মন জিততে পারেননি তেল উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপের পথে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভেনেজুয়েলাতে আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য কী? কেন বিশ্ব রাজনীতিকে বিপজ্জনক দিকে নিতে সে মরিয়া। আমেরিকার ‘আমরাই করি, আমরাই করব’ নীতি কত দিন চলবে?

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির প্রশাসন ও তেল অবকাঠামোর দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। আমেরিকান পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চভবন সিনেটে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। খবর আল-জাজিরার।

উত্তর আটলান্টিকে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ধাওয়া করার পর ‘মেরিনেরা’ নামক একটি রুশ পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে আমেরিকা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে দেশঠির ইউরোপীয় কমান্ড।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ নজরদারি’ হিসেবে অভিহিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, জাহাজটি আন্তর্জাতিক আইন মেনেই শান্তিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। মস্কো আশা করে যে, পশ্চিমা দেশগুলো সমুদ্রে অবাধ নৌ চলাচলের নীতি নিজেরাও মেনে চলবে।

ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন (৩ থেকে ৫ কোটি) ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকান জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। খবর এনডিটিভির।

ভেনেজুয়েলার মিত্ররা খুব সামান্যই সমর্থন জুগিয়েছে। কিউবান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা, যারা দীর্ঘদিন ধরে মাদুরোকে রক্ষা করতে এবং সেনাবাহিনী থেকে বিরোধীদের নির্মূল করতে কাজ করেছেন, তারা তাদের মক্কেলকে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান ও মাদুরোর গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইনে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। বৈদেশিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে নজিরবিহীন ও বিতর্কিত বলা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মাদুরোর বিচার প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩ জানুয়ারি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার যে বিপুল তেলসম্পদ রয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র তার নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং দেশটির তেলশিল্প পুনর্গঠনে জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলোকে যুক্ত করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র–ভেনেজুয়েলা উত্তেজনার মধ্যেই কারাকাসের সামরিক ঘাঁটির কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় ট্রাম্পের সরাসরি সম্পৃক্ততার দাবি উঠেছে। মাদক দমন, অভিবাসন সংকট ও ‘নার্কো-ডিক্টেটর’ আখ্যার আড়ালে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেল রিজার্ভই কি আসল লক্ষ্য—সে প্রশ্ন ঘুরছে বিশ্বজুড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল খাতে এখন আরও ভালোভাবে যুক্ত হবে আমেরিকা। তবে দেশটিতে ক্ষমতায় কারা আসবে, সে ব্যাপারে কোনো ইঙ্গিত করেননি তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল খাতে এখন আরও ভালোভাবে যুক্ত হবে আমেরিকা। তবে দেশটিতে ক্ষমতায় কারা আসবে, সে ব্যাপারে কোনো ইঙ্গিত করেননি তিনি।

সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মাদুরো এবং ভেনেজুয়েলার সরকার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তি বেশ কয়েকবার দাবি করেছেন, আমেরিকা মূলত ভেনেজুয়েলার তেলের রিজার্ভ দখল করতেই এ ধরনের অভিযোগ তুলছেন।

সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মাদুরো এবং ভেনেজুয়েলার সরকার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তি বেশ কয়েকবার দাবি করেছেন, আমেরিকা মূলত ভেনেজুয়েলার তেলের রিজার্ভ দখল করতেই এ ধরনের অভিযোগ তুলছেন।

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মনে সবসময় একটিই প্রশ্ন ঘোরে-সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর তেল কোনটি? বিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো একটি তেলকে এককভাবে ‘সেরা’ বলা কঠিন।

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মনে সবসময় একটিই প্রশ্ন ঘোরে-সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর তেল কোনটি? বিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো একটি তেলকে এককভাবে ‘সেরা’ বলা কঠিন।