
শেষ পর্যন্ত পুরো সংকটটি গিয়ে ঠেকছে আস্থার প্রশ্নে। ইরান বিশ্বাস করে না যে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি দিলে তা অবশ্যই পালন করবে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের বড় অংশ মনে করে, ইরান কৌশলগত সুবিধা পেলেই আবার আগের অবস্থানে ফিরে যেতে পারে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেছেন, তারা একটি ড্রোন দিয়ে শোধনাগারটিতে হামলা চালিয়েছে। এর আগে জাজান ও লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবুতেও আরামকোর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল হুতিরা।

ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হতে পারে এবং পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিও আবার স্বাভাবিকভাবে চালু হতে পারে। এ আশায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে।

ইরানের অবকাঠামোতে পরিকল্পিত হামলা থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরে দাঁড়ানোর পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলারের বেশি কমেছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। তবে মাসজুড়ে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বা ২০ শতাংশ বৃদ্ধির পথেই রয়েছে জ্বালানি তেলের দাম।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আগের দিনের তুলনায় কমেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় ১টা পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২৯ ডলার বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ কমে ৮৯ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমে এসেছে।

গত সপ্তাহে হুতিরা লোহিত সাগর ছেড়ে যাওয়া অন্তত দুটি সৌদি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এ সপ্তাহে তারা সৌদি আরবের তেল স্থাপনাতেও হামলা করেছে। ফলে বাব এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশের বাজারে মূল্যস্ফীতি আগের তুলনায় কিছুটা কমার ইঙ্গিত থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং ক্রয়ক্ষমতা। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর জুন-২০২৬ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজারে বর্তমান

টানা দুই সপ্তাহের সংঘাতের পর গত দুইদিন ধরে হামলা সাময়িক বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্ব তেলের বাজারে। রোববার লেনদেন শুরুর পরই তেলের দাম কমতে শুরু করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। টানা দুই সপ্তাহের উত্তেজনার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি রপ্তানি দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকের নিচে থাকতে পারে এমন আশঙ্কাই দাম বৃদ্ধির প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। আজ সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের প্রভাব কাটিয়ে জ্বালানি বাজারে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা আসতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে উৎপাদন আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস।

স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানালেও এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।

ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সোমবার জানান, ৬০ দিনের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ইরানের অবরুদ্ধ ১২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রথম দফার বৈঠকের পর আজ সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। বৈঠক শেষে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির জন্য ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ছাড় পেয়েছে।
জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন- এনপিএ। বিকেলে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে এনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষ

ইরানের জব্দ করা কয়েক বিলিয়ন ডলারের অর্থ ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের হামলার মুখে পড়ার পর আবুধাবি এই কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এমন খবর অস্বীকার করেছে দেশটির প্রশাসন।

ইরানের কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই আবার বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।

ভারতের মোট আমদানিতে রুশ তেলের অংশীদারিত্ব আগের থেকে ৫০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে আনুমানিক ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এরপরও রাশিয়া ভারতের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।