চরচা ডেস্ক

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে আমেরিকার হাতে। আমেরিকান পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চভবন সিনেটে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ব্রিফিংয়ে মার্কো রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক, এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”
এর আগে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দেওয়া হবে বলে জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকান জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে ‘ঢেলে সাজানোর’ উদ্যোগ নিয়েছে। এটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল খাত সংস্কারের ‘প্রথম পর্যায়’। তাই এই মুহূর্তে মার্কিন সরকার এবং সরকারের অনুমোদিত সংস্থা বা কোম্পানি ছাড়া আর কাউকে এই খাতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তেল খাত সংস্কারের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এই পর্যায়ে মার্কিন ও অন্যান্য পশ্চিমা কোম্পানিকে ন্যায্যভাবে ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।”
এদিকে, ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “আমাকে এইমাত্র জানানো হয়েছে যে, ভেনেজুয়েলা আমাদের নতুন তেল চুক্তি থেকে যে অর্থ পাবে, তা দিয়ে শুধুমাত্র আমেরিকায় তৈরি পণ্যই কিনবে।”
তিনি আরও লেখেন, “এই কেনাকাটার মধ্যে থাকবে-আমেরিকান কৃষিপণ্য, আমেরিকায় তৈরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস, পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার বিদ্যুৎ গ্রিড ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।”
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা বিশ্বের সবচেয়ে তেলসমৃদ্ধ দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ সংস্থা ইউএস অ্যানার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুসারে, ভেনেজুয়েলার খনিগুলোতে কমপক্ষে ৩০ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত আছে। বিশ্বের খনিগুলোতে মোট যত তেল মজুত আছে, তার এক পঞ্চমাংশই আছে ভেনেজুয়েলায়।
তবে এত বড় মজুত থাকা সত্ত্বেও দেশটির দৈনিক তেলের উৎপাদন খুবই কম। প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে ভেনেজুয়েলা। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতিদিন যে পরিমাণ অপরিশোধিত তেল সরবরাহ আসে, তার মাত্র দশমিক ৮ শতাংশ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে আমেরিকার হাতে। আমেরিকান পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চভবন সিনেটে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ব্রিফিংয়ে মার্কো রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক, এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”
এর আগে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দেওয়া হবে বলে জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকান জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে ‘ঢেলে সাজানোর’ উদ্যোগ নিয়েছে। এটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল খাত সংস্কারের ‘প্রথম পর্যায়’। তাই এই মুহূর্তে মার্কিন সরকার এবং সরকারের অনুমোদিত সংস্থা বা কোম্পানি ছাড়া আর কাউকে এই খাতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তেল খাত সংস্কারের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এই পর্যায়ে মার্কিন ও অন্যান্য পশ্চিমা কোম্পানিকে ন্যায্যভাবে ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।”
এদিকে, ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “আমাকে এইমাত্র জানানো হয়েছে যে, ভেনেজুয়েলা আমাদের নতুন তেল চুক্তি থেকে যে অর্থ পাবে, তা দিয়ে শুধুমাত্র আমেরিকায় তৈরি পণ্যই কিনবে।”
তিনি আরও লেখেন, “এই কেনাকাটার মধ্যে থাকবে-আমেরিকান কৃষিপণ্য, আমেরিকায় তৈরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস, পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার বিদ্যুৎ গ্রিড ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।”
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা বিশ্বের সবচেয়ে তেলসমৃদ্ধ দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ সংস্থা ইউএস অ্যানার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুসারে, ভেনেজুয়েলার খনিগুলোতে কমপক্ষে ৩০ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত আছে। বিশ্বের খনিগুলোতে মোট যত তেল মজুত আছে, তার এক পঞ্চমাংশই আছে ভেনেজুয়েলায়।
তবে এত বড় মজুত থাকা সত্ত্বেও দেশটির দৈনিক তেলের উৎপাদন খুবই কম। প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে ভেনেজুয়েলা। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতিদিন যে পরিমাণ অপরিশোধিত তেল সরবরাহ আসে, তার মাত্র দশমিক ৮ শতাংশ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে।

সিরিয়ার ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় কুর্দি কর্তৃপক্ষ উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার পাশাপাশি আলেপ্পোর কিছু অংশে আধা স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলে। এরপর ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির পর আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে ইসলামপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসে।