
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন যেসব প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে এই অভিযান শুরু করেছিল—যেমন ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, দেশটির দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা—তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন যেসব প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে এই অভিযান শুরু করেছিল—যেমন ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, দেশটির দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা—তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ছাড় আদায় করতে চাইছে। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জুনের সেই সমঝোতার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণ।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করবে, ইরান তাদের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

গত কয়েক দিন ধরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন কিছু বিলবোর্ড দেখা গেছে। এসব বিলবোর্ডে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের দায়িত্ব নেওয়া সাত নেতার ছবি রয়েছে। তবে বিলবোর্ডে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো–নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কোনো ছবি নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার মধ্যরাত থেকে কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর জবাবে কানাডাও পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের স্টিল, ইলেকট্রনিকস ও অন্যান্য পণ্যের ওপর শুল্ক বসাবে।

ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ছাড় আদায় করতে চাইছে। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জুনের সেই সমঝোতার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণ।

ট্রাম্পের নির্দেশের পর দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া অর্ধেক পেরোতেই শেষ করে দেওয়া হলো। বছরের শেষদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে মিত্র দেশগুলো বিস্মিত, আর দক্ষিণ কোরিয়ার মাথায় হাত। কেন?

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে তিন দিন ধরে বাণিজ্য আলোচনা চললেও কোনো চুক্তি হয়নি। ফলে কানাডা থেকে আমদানি করা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্কারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখার ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছেন নিউইয়র্কের এক ফেডারেল বিচারক। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জেনেট ভার্গাস এই রায় দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্যের ভিত্তিতে এই চিত্রটি সামনে এসেছে, যা দেশটির সার্বিক সরকারি অর্থব্যবস্থায় এক গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, “কোনো দেশ তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থাকে ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তার পথ করে দেওয়ার অনুমতি দিলে, সেই দেশ নিজেই ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়বে।”

ভারতের নির্বাচনব্যবস্থা ও ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মের উদাহরণ টেনে যুক্তরাষ্ট্রে ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাসের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিরোধিতা রয়েছে। ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের প্রধান

গত রোববার ট্রাম্প মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা “উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর” নির্দেশ দেওয়ার পরই এই পরিবর্তন আনা হলো। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার “খুব ভালো সম্পর্কের” কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প ওই নির্দেশ দিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শেষ মুহূর্তে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর আওতায় কানাডার পণ্যের ওপর বড় ধরনের শুল্কারোপ আপাতত স্থগিত করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এতে নতুন করে বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় থাকা কানাডার রপ্তানিকারকেরা সাময়িক স্বস্তি পেয়েছেন।

হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখন্ড হিসেবে দাবি করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এই মানচিত্র প্রকাশ করেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাস ও গাজার অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করার পরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার করবে। কূটনীতিকরা বলছেন, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বড় কোনো ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে দুই পক্ষের একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

স্থল অবরোধ ইরানের খাদ্য, জ্বালানি ও বস্ত্র আমদানি বন্ধ করে দেশটির জনগণের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অবরোধ বাস্তবায়ন করা কঠিন এবং এর ফলে ইরানে বিক্ষোভ বা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ তৈরি হবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই।

এই ঘটনার তাৎপর্য শুধু একটি সামরিক মহড়ার পরিধি কমানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন-সিউল সামরিক জোটের ভবিষ্যৎ, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশল এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।