
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কোনো স্তম্ভকে ‘অবজ্ঞা’ করার মতো কোনো পদক্ষেপ ভারত আর নেবে না বলে আশা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। আজ সোমবার ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরাঘচি পুনর্ব্যক্ত করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে তেহরান ও মাসকাটের মধ্যে একটি সমঝোতা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে। তবে এই সমঝোতার মাধ্যমে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শিক্ষা হল বাংলাদেশকে আর কখনো ‘ক্লায়েন্ট রাষ্ট্র’ বা পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ২০২৪-এর

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সীমানায় ঢুকলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যাপর্নের জন্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এ সময়

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় না—এমন কোনো সমস্যা নেই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলেই বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে এগোবে। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে পৃথক ব্রিফিংয়ে সাংবাদ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করিনি। কিছু অস্বস্তির বিষয় রয়েছে। তিনি জানেন, আমিও জানি। সেগুলো সমাধান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রয়োজনীয়তা সবাই বোঝেন।”
ব্রিটেনে ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। কেমন হলো নতুন মন্ত্রীসভা? দেশটির পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র নীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে? চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এআরএফ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের সাইডলাইনে ম্যানিলায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানান।

রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন “সবসময় কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”। তবে তেহরান আলোচনায় একই ধরনের অঙ্গীকার দেখাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের সম্পর্ক ছাড়িয়ে এবারের সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ বন্ধুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিষয়টি নিয়ে জাপানি কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্বের অন্যান্য উন্নত জি-৭ অর্থনীতির দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ফি ১৮৫ থেকে ৩১৫ ডলার এবং যুক্তরাজ্যে ৬ মাসের স্ট্যান্ডার্ড শর্ট-টার্ম ভিসার জন্য ১৩৫ পাউন্ড খরচ করতে হয়।

মন্ত্রী বলেন, “বিদেশে বসবাসরত আমাদের বাংলাদেশি ভাই-বোনেরা জাতীয় উন্নয়নে অনন্য অবদান রাখছেন। তারা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শক্তি। বর্তমান সরকার তাদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা এবং মর্যাদা রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।”

সিএনএন-নিউজ১৮ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের নাম ভারতের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় থাকার কারণে এই জটিলতা হয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরে নিয়মিত তল্লাশির সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাময়িকভাবে আটকে রাখেন।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক বাজার ও প্রতিষ্ঠানগুলো এখন উৎপাদন, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের প্রবাহকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গত ২ জুন মঙ্গলবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে ৮ ভোটে পরাজিত করে তিনি এক বছরের জন্য এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক গোপন ব্যালট ভোটে তিনি জয়লাভ করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা শুনেছি, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কাজ করেছেন। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে তড়িঘড়ি করে এই চুক্তি করা হয়েছে, যাতে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপানো যায়।”

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালানোর কারণে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এখনো দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তির সম্ভাবনা আছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। রুবিওর এই দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।