চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে নবম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে এই আলোচনা শুরু হয়।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।
এক সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুই দেশের বাণিজ্যে অনেক বড় ব্যবধান রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে প্রায় ৭৮৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। তবে বাংলাদেশ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই ব্যবধান কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার বৈঠকে পাকিস্তানি বাজারে পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক ও কোটা তুলে নেওয়ার দাবি জানাবে।
এছাড়াও, দুই দেশের মধ্যে কৃষি গবেষণা,খাদ্য, তথ্যপ্রযুক্তি এবং নৌপরিবহনসহ কয়েকটি খাতে সমঝোতা স্মারক সই করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
গত কয়েক বছর ধরে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত বছরের আগস্টের পর থেকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মন্ত্রীরা ঢাকা সফর করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টাও ইসলামাবাদ সফর করেছেন।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে নবম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে এই আলোচনা শুরু হয়।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।
এক সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুই দেশের বাণিজ্যে অনেক বড় ব্যবধান রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে প্রায় ৭৮৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। তবে বাংলাদেশ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই ব্যবধান কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার বৈঠকে পাকিস্তানি বাজারে পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক ও কোটা তুলে নেওয়ার দাবি জানাবে।
এছাড়াও, দুই দেশের মধ্যে কৃষি গবেষণা,খাদ্য, তথ্যপ্রযুক্তি এবং নৌপরিবহনসহ কয়েকটি খাতে সমঝোতা স্মারক সই করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
গত কয়েক বছর ধরে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত বছরের আগস্টের পর থেকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মন্ত্রীরা ঢাকা সফর করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টাও ইসলামাবাদ সফর করেছেন।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।