
বাংলাদেশের অর্থনীতি নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারওপর বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে করে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে? এ নিয়ে চরচা সংলাপ অনুষ্ঠানে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঙ্গে কথা বলেছেন অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান।

জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে শিথিলতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৬০টি ব্যবসায়িক অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানায়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন এবং একই সাথে নতুন সরকারের গৃহীত “বাংলাদেশ বিফোর অল” নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেছে বেইজিং।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ‘রিকন্ডিশনড’ মোটরযান খাতের সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্কায়নের বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। একই সাথে আমদানিকৃত গাড়ির ওপর নতুন করে আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, চুক্তিটা বোঝার সহজ উপায় হলো একটি সাধারণ বাজারের কথা ভাবা। বড় অংশীদারের কাছ থেকে তৈরি পোশাকে শুল্ক ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করার সুযোগ পেতে অন্যপক্ষ ১৩১টি শর্ত মানবে, অথচ আমদানিকারক দেশের দায় থাকবে মাত্র ছয়টি শর্ত মানার।

জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ আরও ৫৯টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

টাকা খরচ করে ভারতের ধনী মানুষ আসলে কী পাচ্ছে? ভালো চিকিৎসা বা শিক্ষা তো নয়ই। এই শ্রেণির কেউ তাদের সন্তানদের সরকারি স্কুলে পাঠানোর কথা স্বপ্নেও ভাববেন না (এমনকি তাদের বাড়ির রাঁধুনি বা গাড়িচালকেরাও নয়)। ভালো গণপরিবহনও তারা পান না যেটা ব্যবহার করার জন্য মোদি মশাই বেশ হালকাভাবেই পরামর্শ দিচ্ছেন।

বিইআরসি জানিয়েছে, কমিশনের শুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

সাত সমুদ্র তের নদী অতিক্রম করে চড়া দামের আমেরিকান পণ্য আনতে পরিবহণ খরচও বেশি দিতে হবে। এতেও আপত্তি নেই।

ইইউ থেকে আমদানিকৃত গাড়ি ও ট্রাকের ওপর বিদ্যমান শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি কেন অন্যায্য? অন্তর্বর্তী সরকার কোন এখতিয়ারে এমন চুক্তি করেছে? স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশেষ শুল্ক সুবিধা দিচ্ছে? চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঞ্চালনায় চরচা সংলাপে এ নিয়ে কথা বলেছেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ

মার্কিন নৌ অবরোধের জেরে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। আমেরিকার পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে ক্রমাগত অবরোধ জারি রাখার কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

কার্নি মনে করেন, একটি দেশের নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয়, যখন সে তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে এবং অন্য দেশের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল না থাকে।

এই প্রেক্ষাপট থেকে একটি মৌলিক সত্য বেরিয়ে আসে। চিরস্থায়ী এবং অবিসংবাদিত ক্ষমতার ধারণাটি দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যেই এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেখানকার সরকারগুলো ক্রমে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

নতুন এই শুল্কনীতির প্রক্রিয়া এমন এক সময়ে সামনে আসছে, যখন ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনও সামনে।

লাইটস্প্রে প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে জুতা তৈরির পুরোনো সব ধারা। শুরুটা বুসান থেকে। রোবটিক অটোমেশন, নিয়ারশোরিং আর বৈশ্বিক শুল্কচাপ–সব ছাপিয়ে ক্রীড়া শিল্পে শুরু হতে যাচ্ছে এক নতুন প্রযুক্তি বিপ্লব।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন বৈশ্বিক শুল্ক কার্যকর হয়েছে ১০ শতাংশ হারে। আজ এই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেন।

আদালত শুল্কনীতি বাতিলের একদিন পরই ফের শুল্ক বাড়িয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প। দেশটিতে আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ মুহূর্তে করে যাওয়া চুক্তি কীভাবে সামলাবে বিএনপি? কেমন হবে বাংলাদেশের অর্থনীতি? ট্রাম্পের শুল্কনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কেমন সংকট তৈরি করবে তা নিয়ে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সাথে আলোচনা করেছেন অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান ও সৈয়দ তারিকুজ জামান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত চীন সফর করবেন বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির শীর্ষ নেতাদের এই বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আরোপিত ব্যাপক আমদানি শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে