
ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে দশ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা হয়তো কখনো জানাই যাবে না।

ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানা ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের চার দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্যে গত বুধবারের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিহতের সংখ্যা এর মধ্যে ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে।

ভেনেজুয়েলার কারাবালেদা অঞ্চলে জোড়া ভূমিকম্পের পর ড্রোন ক্যামেরায় উঠে এসেছে সরকারি আবাসন ধসে পড়ার ভয়াবহ এক দৃশ্য। সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো স্যাভেজের জনপ্রিয় ‘মিশন ভিভিয়েন্দা’ সামাজিক প্রকল্পের আওতায় তৈরি এই ভবনগুলোতে ২০১০ সালের বন্যায় ঘর হারানো মানুষদের পুনর্বাসন করা হয়েছিল।

কারাকাসের শক্তিশালী ভূমিকম্পে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন সুসানা সাভেদ্রা। তার ভবনের পেছনের অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেখান থেকে এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চাকরি জীবনের শেষ বোনাস দিয়ে কেনা সব আসবাব হারিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই হলেও জীবন ফিরে পাওয়ায় কৃতজ্ঞ সুসানা।

গত বুধবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে এরই মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৪৫০ ছাড়িয়েছে। উদ্ধার ও অনুসন্ধান তৎপরতা জোরদার করতে বর্তমানে অঞ্চলটিতে ১ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি বিদেশি উদ্ধারকারী কর্মী কাজ করছেন।

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৯ মাস বয়সী এক শিশু ও তার মাকে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করেছে মার্কিন এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল। গত বুধবারের এই প্রলয়ঙ্কারী দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১,৪০০ ছাড়িয়ে গেছে এবং উপকূলীয় এলাকায় এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

ভেনেজুয়েলায় চলতি সপ্তাহের শুরুতে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্কারী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ গতকাল শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভয়াবহ দুই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার মানুষের জন্য কলম্বিয়ার বোগোটায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য টন টন জরুরি ত্রাণ সামগ্রী জমা হয়েছে। ‘হুন্তোস সে পুয়েদে’ ফাউন্ডেশনে শত শত স্বেচ্ছাসেবক মানব-শিকল তৈরি করে খাদ্য, পানি, চিকিৎসা ও উদ্ধারকারী সরঞ্জাম সংগ্রহের কাজ করছেন।

লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে চোখের নিমিষেই এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার তীব্র কম্পনে মুহূর্তেই ধসে পড়েছে বহুতল ভবন, ধুলার মেঘে ঢাকা পড়েছে চারপাশ আর চুরমার হয়ে গেছে শহরের চেনা রূপ।

পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলায় সরকারি উদ্ধারকর্মীর সংকটের অভিযোগ তুলে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজে বের করতে নিজেরাই ধ্বংসস্তূপে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯২০ জনে পৌঁছেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ।

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৯০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ৩ হাজার ৩৬০ জন আহত হয়েছেন

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সমবেদনা ও পূর্ণ সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন।

ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ।

রদ্রিগেজ বিষয়টি নিয়ে বলেন, “ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতাল ও বাড়িঘর পুনর্নির্মাণের জন্য সরকার ২০ কোটি ডলারের একটি পুনর্গঠন তহবিল গঠন করছে। এ কার্যক্রম তদারকির জন্য অর্থনীতি ও অর্থমন্ত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষজন তাদের অ্যাপার্টমেন্ট ও ঘরবাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছিল। আমি যা বলতে পারি তা হলো, আজ যা ঘটেছে তার জন্য আমরা মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।”

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিমাঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় ব্যাপক আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ১৬০ কিলোমিটার ব্যবধানে প্রথমে ৭.২ এবং এক মিনিটের কম সময়ে ৭.৫ মাত্রার তীব্র ভূকম্পন অনুভূত হয়। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে এই জোড়া ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একটি পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে সাহায্য করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম!”

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া শিশুর বাবা-মাও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ পান। টিজুয়ানার বহু হাইতিয়ান পরিবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছে।

আর্জেন্টিনায় জন্ম নেওয়া কিংবদন্তি মার্ক্সবাদী বিপ্লবী চে গেভারা আজ কি শুধুই বিপ্লবের প্রতীক? নাকি বিশ্বজুড়ে ফ্যাশন ও পপ সংস্কৃতির অন্যতম বড় ব্র্যান্ড নেম? যে পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে চে আমৃত্যু লড়েছেন, আজ সেই পুঁজিবাদের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনী পণ্যে কীভাবে পরিণত হয়েছেন এই বিপ্লবী?