চরচা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে ভবন ধসে পড়ে চাপা পড়ে আছেন হাজার হাজার মানুষ। সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভবন ধসে পড়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই লাশের দুর্গন্ধ বের হওয়া শুরু করে।
সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায় এক সপ্তাহ পরেও সম্পূর্ণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। প্রিয়জনের খোঁজের আশায় ধ্বংসস্তূপের পাশেই অবস্থান করছেন।
নিজের ছেলের বাসস্থানের পাশে অপেক্ষা করছে মিরেল্লা হেরেরা নামে এক নারী।
মিরেল্লা হেরেরা বলেন, “এই অপেক্ষা পাগল হয়ে যাওয়ার মতো। আমি যতটা উদগ্রীব হয়ে আছি, নিজেকে সুস্থ রাখতে পানি খাচ্ছি, হাঁটছি। আমি ভাবি তারা কেমন আছে। যদি তারা এখনো বেঁচে থাকে তাহলে তারাও হয়ত সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।”
ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে দশ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা হয়তো কখনো জানাই যাবে না।
এর আগে ১৯৯৯ সালে যখন লা গুয়াইরা রাজ্যে এরকম একটি ঘটনা ঘটেছিল। তখনও সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
অন্যদিকে, সরকার স্কুল বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কেবল কারাকাসেই ৪৩২টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত স্কুলগুলোকে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার মানুষের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা ভবনগুলোর তালিকায় রাখা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে ভবন ধসে পড়ে চাপা পড়ে আছেন হাজার হাজার মানুষ। সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভবন ধসে পড়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই লাশের দুর্গন্ধ বের হওয়া শুরু করে।
সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায় এক সপ্তাহ পরেও সম্পূর্ণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। প্রিয়জনের খোঁজের আশায় ধ্বংসস্তূপের পাশেই অবস্থান করছেন।
নিজের ছেলের বাসস্থানের পাশে অপেক্ষা করছে মিরেল্লা হেরেরা নামে এক নারী।
মিরেল্লা হেরেরা বলেন, “এই অপেক্ষা পাগল হয়ে যাওয়ার মতো। আমি যতটা উদগ্রীব হয়ে আছি, নিজেকে সুস্থ রাখতে পানি খাচ্ছি, হাঁটছি। আমি ভাবি তারা কেমন আছে। যদি তারা এখনো বেঁচে থাকে তাহলে তারাও হয়ত সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।”
ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে দশ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা হয়তো কখনো জানাই যাবে না।
এর আগে ১৯৯৯ সালে যখন লা গুয়াইরা রাজ্যে এরকম একটি ঘটনা ঘটেছিল। তখনও সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
অন্যদিকে, সরকার স্কুল বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কেবল কারাকাসেই ৪৩২টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত স্কুলগুলোকে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার মানুষের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা ভবনগুলোর তালিকায় রাখা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নকশা অনুসারে ব্রিজের ঢালাইয়ের পুরুত্ব ৫ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সাড়ে ৩ ইঞ্চিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। একইসঙ্গে প্রতি ৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৬ ইঞ্চি প্রস্থ পরপর রড ব্যবহার করার বিধান থাকলেও নির্মাণকাজে প্রায় এক ফুট পরপর রড বসানো হয়েছে।