
জাপানের ১০-মাত্রার ভূকম্পন স্কেলে এর তীব্রতা ছিল চতুর্থ-স্তরে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মাটির ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল। তবে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

বাংলাদেশের মাটির গঠন, নদীসমৃদ্ধ এ দেশের কাঠামো বিবেচনায় নিয়ে এখানকার বাড়ি–ঘরের নকশা কেমন হওয়া উচিত? ভূমিকম্পে এখানকার বাড়ি বা স্থাপনাগুলো টিকে থাকতে পারবে তো? ভূমিকম্প সহনীয় বাড়ি আসলে কেমন হওয়া উচিত? এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন স্থপতি ও গবেষক ড. নন্দন মুখার্জী

২৪ নভেম্বর (২০২৫) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন ভবনে রাজউক আয়োজিত ‘ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাসে প্রস্তুতি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক কম্পনগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের সতর্ক সংকেত। তাই কোনো ধরনের উদাসীনতা না দেখিয়ে এখনই পূর্বপ্রস্তুতি জোরদার করা জরুরি।

গত ২১ নভেম্বরের (২০২৫) ভূমিকম্পে পুরান ঢাকায় তিনজন নিহত। ভূমিকম্পের প্রসঙ্গে উঠলেই আসে পুরান ঢাকার কথা। অনেকে মনে করেন, ভূমিকম্প হলে পুরান ঢাকার ক্ষয়ক্ষতি হবে ব্যাপক। ঝুঁকি নিয়ে এই এলাকায় বসবাস করে কয়েক লাখ মানুষ। আতঙ্কে কাটছে তাদের দিন।

ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করার পর হল ছাড়ছেন শিক্ষার্থী।

বাংলাদেশে একের পর এক হচ্ছে ভূমিকম্প। এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত ছয় শতাধিক। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক এবং ভূতাত্ত্বিক অবস্থানই এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী। আমরা কী করছি? কতটা প্রস্তুতি রয়েছে? ঘটনা ঘটলেই আমরা সচেতনতার ভান করি, তারপর সব আগের মতোই।

সকলের সম্মিলিত চেষ্টা ও সচেতনতায় ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা সম্ভব। জরুরি সেবার প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স হটলাইন নম্বর: ১০২।

কম্পনগুলোকে ফোরশক ধরে নিয়ে দেশের মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশ। এমন অবস্থায় এতটা আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা বলছে, শুক্রবার সকালে নরসিংদীর ৫ দশমিক ৭ মাত্রার কম্পনের পর এখন পর্যন্ত যে তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, তার সবই আফটার শক। তাই এতে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

কম্পনগুলোকে ফোরশক ধরে নিয়ে দেশের মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশ। এমন অবস্থায় এতটা আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা বলছে, শুক্রবার সকালে নরসিংদীর ৫ দশমিক ৭ মাত্রার কম্পনের পর এখন পর্যন্ত যে তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, তার সবই আফটার শক। তাই এতে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশ যে ভূমির ওপরে গড়ে উঠেছে, তা ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে। এই সরে যাওয়ার হার বছরে দু’ইঞ্চি। বাংলাদেশের টেকটোনিক প্লেট মিয়ানমারে থাকা প্লেটের সঙ্গে ধাক্কাও খাচ্ছে। তার ফলে মাঝেমধ্যে হচ্ছে ভূমিকম্প।

গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশ যে ভূমির ওপরে গড়ে উঠেছে, তা ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে। এই সরে যাওয়ার হার বছরে দু’ইঞ্চি। বাংলাদেশের টেকটোনিক প্লেট মিয়ানমারে থাকা প্লেটের সঙ্গে ধাক্কাও খাচ্ছে। তার ফলে মাঝেমধ্যে হচ্ছে ভূমিকম্প।

পৃথিবীতে বছরে গড়ে ছয় হাজার ভূমিকম্প হয়। এগুলোর বেশিরভাগই মৃদু, যেগুলো আমরা টের পাই না। সাধারণত তিন ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে— প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু। আবার উৎসের গভীরতা অনুসারে ভূমিকম্পকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়— অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভূ-পৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে

পৃথিবীতে বছরে গড়ে ছয় হাজার ভূমিকম্প হয়। এগুলোর বেশিরভাগই মৃদু, যেগুলো আমরা টের পাই না। সাধারণত তিন ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে— প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু। আবার উৎসের গভীরতা অনুসারে ভূমিকম্পকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়— অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভূ-পৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে