চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। এই রায়ের ফলে আসনটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে কি না তা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর।
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের এই রায় দেন।
চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী।
আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া কোনো প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করার নজির রয়েছে। তবে এই মামলার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে সুনির্দিষ্ট কী নির্দেশনা আসে, তার ওপরই নির্ভর করবে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ।
আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপত্তি জানানো হলেও তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হলে কমিশনও তা বৈধ রাখে। কমিশনের যুক্তি ছিল—আসলাম চৌধুরী মূল ঋণগ্রহীতা নন, বরং ঋণের জামিনদার।
আনোয়ার সিদ্দিকীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘‘আপিল মঞ্জুর হওয়ার অর্থ হলো আসলাম চৌধুরী শুরু থেকেই নির্বাচনের অযোগ্য ছিলেন এবং তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।’’ তিনি দাবি করেন, ইসি ঋণের জামিনদারের দায় সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছিল। আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, ঋণের জামিনদারের দায়ও মূল ঋণগ্রহীতার সমান।
রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘‘আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখে এর আইনি পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা উচিত হবে না।’’ তিনি আরও যোগ করেন, এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটের পূর্ণ প্রতিফলন হয়তো হয়নি। পরিস্থিতি অনুযায়ী এই আসনে আবারও জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (উপ-নির্বাচন)।
নতুন করে নির্বাচন হলে আসলাম চৌধুরী অংশ নিতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘‘এই মামলার মূল বিষয় ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার আইনগত অবস্থান। ভবিষ্যতে আইনি অযোগ্যতা কেটে গেলে পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে তার কোনো বাধা থাকবে না।’’

এদিকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ে যে নির্দেশনা থাকবে, কমিশন অক্ষরে অক্ষরে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, ‘‘আদালত যদি পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেন, তাহলে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে। আর যদি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার নির্দেশ থাকে, তবে সেই অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করা হবে।’’
আনোয়ার সিদ্দিকীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘‘আপিল মঞ্জুর হওয়ার অর্থ হলো আসলাম চৌধুরী শুরু থেকেই নির্বাচনের অযোগ্য ছিলেন এবং তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।’’ তিনি দাবি করেন, ইসি ঋণের জামিনদারের দায় সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছিল। আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, ঋণের জামিনদারের দায়ও মূল ঋণগ্রহীতার সমান।
আইনজীবী শিশির মনির আরও বলেন, ‘‘ইলেকশন ট্রাইব্যুনাল সাধারণত গেজেট প্রকাশের ৪৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এই মামলায় আপিল বিভাগের পূর্ববর্তী আদেশে গেজেট প্রকাশই স্থগিত ছিল। তাই এখন নির্বাচন কমিশন কীভাবে গেজেট প্রকাশ করবে, তা পূর্ণাঙ্গ রায় দেখার আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। এই রায়ের ফলে আসনটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে কি না তা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর।
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের এই রায় দেন।
চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী।
আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া কোনো প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করার নজির রয়েছে। তবে এই মামলার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে সুনির্দিষ্ট কী নির্দেশনা আসে, তার ওপরই নির্ভর করবে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ।
আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপত্তি জানানো হলেও তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হলে কমিশনও তা বৈধ রাখে। কমিশনের যুক্তি ছিল—আসলাম চৌধুরী মূল ঋণগ্রহীতা নন, বরং ঋণের জামিনদার।
আনোয়ার সিদ্দিকীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘‘আপিল মঞ্জুর হওয়ার অর্থ হলো আসলাম চৌধুরী শুরু থেকেই নির্বাচনের অযোগ্য ছিলেন এবং তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।’’ তিনি দাবি করেন, ইসি ঋণের জামিনদারের দায় সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছিল। আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, ঋণের জামিনদারের দায়ও মূল ঋণগ্রহীতার সমান।
রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘‘আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখে এর আইনি পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা উচিত হবে না।’’ তিনি আরও যোগ করেন, এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটের পূর্ণ প্রতিফলন হয়তো হয়নি। পরিস্থিতি অনুযায়ী এই আসনে আবারও জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (উপ-নির্বাচন)।
নতুন করে নির্বাচন হলে আসলাম চৌধুরী অংশ নিতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘‘এই মামলার মূল বিষয় ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার আইনগত অবস্থান। ভবিষ্যতে আইনি অযোগ্যতা কেটে গেলে পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে তার কোনো বাধা থাকবে না।’’

এদিকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ে যে নির্দেশনা থাকবে, কমিশন অক্ষরে অক্ষরে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, ‘‘আদালত যদি পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেন, তাহলে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে। আর যদি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার নির্দেশ থাকে, তবে সেই অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করা হবে।’’
আনোয়ার সিদ্দিকীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘‘আপিল মঞ্জুর হওয়ার অর্থ হলো আসলাম চৌধুরী শুরু থেকেই নির্বাচনের অযোগ্য ছিলেন এবং তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।’’ তিনি দাবি করেন, ইসি ঋণের জামিনদারের দায় সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছিল। আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, ঋণের জামিনদারের দায়ও মূল ঋণগ্রহীতার সমান।
আইনজীবী শিশির মনির আরও বলেন, ‘‘ইলেকশন ট্রাইব্যুনাল সাধারণত গেজেট প্রকাশের ৪৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এই মামলায় আপিল বিভাগের পূর্ববর্তী আদেশে গেজেট প্রকাশই স্থগিত ছিল। তাই এখন নির্বাচন কমিশন কীভাবে গেজেট প্রকাশ করবে, তা পূর্ণাঙ্গ রায় দেখার আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। এই রায়ের ফলে আসনটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে কি না তা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইন কর্মকর্তারা