Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোন দিকে যাচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৮: ৩৩
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোন দিকে যাচ্ছে?

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘নতুন যুগের অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন কমিউনিটি’ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ও চীন।

Advertisement

চীনের ইংরেজি ভাষায় সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ চালু এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বিস্তৃত ঐকমত্যে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ও চীন।

সফরের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকগুলোর পরই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে এসব ঘোষণা আসে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে প্রথমে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন তারেক রহমান। পরে চীনে যান তিনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন এক সময়ে তারেক রহমানের চীন সফর হলো, যখন দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের পরবর্তী ‘স্বর্ণালী ৫০ বছর’ শুরু করতে যাচ্ছে। এই সফরের ফলে রাজনৈতিক আস্থা আরও বাড়বে, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা গভীর হবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।

চীন কী বলছে?

তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সি চিনপিং বলেছেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী এবং ভালো অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।”

PM tareque
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

চীনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “বৈশ্বিক পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সামগ্রিক দিকনির্দেশনার প্রতি চীন তার অঙ্গীকার থেকে কখনোই বিচ্যুত হবে না।”

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে?PM tareque

সি চিনপিং আরও বলেন, বৈঠকে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সমর্থন করে চীন। একই সঙ্গে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন করে দেশটি। নতুন সরকারের দেশ পরিচালনার উদ্যোগে চীন সমর্থন দিয়ে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়ন নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সব পর্যায়ে যোগাযোগ, কৌশলগত সহযোগিতা ও রাজনৈতিক আস্থা আরও জোরদার করতে হবে। উভয় দেশকে একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমর্থন অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

সি-এর ভাষ্য, চীন প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব, আন্তরিকতা, পারস্পরিক লাভ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সহযোগিতার নীতি অনুসরণ করে। চীনের উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশের নতুন সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে চীন প্রস্তুত। এ জন্য দুই দেশ উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে পরিকল্পিতভাবে সহযোগিতা বাড়াবে।

সি চিনপিং আরও বলেন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে সহযোগিতার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং স্থানীয় পর্যায়ের যোগাযোগ ও সহযোগিতাও আরও জোরদার করা হবে। বৃহত্তর আঞ্চলিক সংযুক্তি আরও জোরদারের লক্ষ্যে চীন–মিয়ানমার–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

প্রথম সফরে তারেক যাচ্ছেন মালয়েশিয়াতে, কোথায় গিয়েছিলেন জিয়া-খালেদা?tareq-khaleda-zia

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও জোরদার করার আশ্বাসও দিয়েছে চীন। এর মাধ্যমে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল বহুমেরু বিশ্ব গঠন, সবার জন্য উপকারী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা এবং দুই দেশ ও গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

কী বলছে বাংলাদেশ?

চীনকে বাংলাদেশের এক মূল্যবান ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের শক্তিশালী নেতৃত্বে চীন উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন অর্জন করেছে এবং চীনের আধুনিকায়ন থেকে বাংলাদেশের শেখার রয়েছে।

তারেক রহমান ‘এক চীন নীতি’-এর প্রতিও বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার যেকোনো ধরনের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্পন্ন সম্প্রদায় গড়ে তোলার ধারণা এবং প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উত্থাপিত চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বিশ্ব শান্তি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও ন্যায্যতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার পাশাপাশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ের অর্জন এবং জাতিসংঘকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ কাজ করে যাবে।

PMO
ছবি: পিএমও

বিশ্লেষকরা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সেই সম্পর্ক আরও মজবুত হচ্ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

ভারতের আগে কেন মালয়েশিয়া-চীন সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান?tarek-rahman

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টানা ১৫ বছর ধরে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে।

তাছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও বাংলাদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক নিবন্ধে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এত দ্রুত তারেক রহমানের চীন সফর প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।

চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক ঝাং জিয়াডং চীনের রাষ্ট্রীয় ইংরেজি ভাষার সংবাদ চ্যানেল সিজিটিএনকে বলেন, প্রচলিত বড় অবকাঠামো প্রকল্পের তুলনায় সবুজ জ্বালানি ও ডিজিটাল অর্থনীতি বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নের জন্য কম খরচে এবং আরও কার্যকর পথ হতে পারে।

তার মতে, এসব খাতে চীনের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে চীনের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বড় সহায়তা মিলবে। এ ছাড়া দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগও আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সভাপতি এম. হুমায়ুন কবিরের বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক নিবন্ধের বরাত দিয়ে চায়না ডেইলি লিখেছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রয়োজনের কারণে এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে চীনের বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা এখনো ঢাকার অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশতারেক রহমানবৈদেশিক সম্পর্কসি চিনপিংচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    জনশক্তি রপ্তানির গণ্ডি ছাড়িয়ে ঢাকা-রিয়াদকে বৃহত্তর কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়তে হবে

  • ২

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

  • ৩

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী নিয়ে করা প্রশ্নগুলোর ইন্টেনশন ঠিক নাই’

  • ৪

    ‘এনজিও সরকার ২ বছরের শাসনে দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেল’

  • ৫

    ‘আমাদের হাতে অন্য ধর্মের লোকেরা অনিরাপদ-এটা আওয়ামী লীগের পুরনো খেলা’

সম্পর্কিত
  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে

  • বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    কয়েক বছর আগেও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তারকা- বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ সারির সুরকার ও শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখরিত থাকত ঢাকার কনসার্ট অঙ্গন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত কনসার্টের টিকিট কেনা দর্শক-শ্রোতাদের জন্য যেন এক বড় ধরনের অনিশ্চয়তার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং বিতর্কিত বিশেষ নিবিড় পুনর্নিরীক্ষণ (এসআইআর ) বাতিলের দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

  • আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    একদিন বাদেই বাংলাদেশের একটা টেস্ট ম্যাচ, তবে তার আগে নেই কোনো উত্তাপ। এমনকি অনেকেই জানেন না যে কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে লাল বলের ক্রিকেট খেলবে নাজমুল হোসেনের দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এমন একটি ম্যাচে চলতি বছরই জিম্বাবুয়ের কাছে ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশ দলের। তা