
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

চীনে সি চিনপিংয়ের শাসনামলে সংস্কারের যুগের অবসান ঘটেছে। এই বিষয়টি খুব একটা আশ্চর্যজনক নয়। তবে অনেকের কাছে যা সত্যিই আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে তা হলো, সি চিনপিং নিজেই ক্রমাগত এই কথাটি প্রকাশ্যে বলে যাচ্ছেন। গত ১ জুলাই চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। তাকে সমর্থন দেওয়ায় বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব আরও বেড়েছে। এছাড়া ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে পুশইন অব্যাহত রাখায়ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

আমেরিকার আড়াইশ বছরের ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় ভালো আর মন্দের এমন দোলাচল বারবার দেখা গেছে। দাসপ্রথা, বর্ণবাদ, দুর্নীতি, এমনকি গৃহযুদ্ধ আর বিশ্বযুদ্ধের মতো ভয়ংকর সব আঘাত এসেছে। কিন্তু সব ধাক্কা সামলে নিয়ে আমেরিকা মুক্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভরসার প্রতীক হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।

চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির (পিএলএএন) একটি পারমাণবিক সাবমেরিন স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১ মিনিটে একটি ডামি ওয়ারহেড বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক জলসীমার দিকে উৎক্ষেপণ করে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে শেখ হাসিনার বেইজিং সফরের সময় বাংলাদেশ ও চীন তাদের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তবে এবার তারেক রহমানের সফরে দুই দেশ জানিয়েছে, তারা এই সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে ‘নতুন যুগের অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন কমিউনিটি’ গড়ে তুলতে চায়।

একদিকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত। প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশ কি সত্যিই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি অনুসরণ করছে?

একই সঙ্গে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণও জরুরি। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতার ভিত্তিতে অনুগ্রহের নয়, অংশীদারত্বের। ভারতকেও বুঝতে হবে: বাংলাদেশ কোনো বাফার স্টেট নয়, এটি একটি গর্বিত জাতি যার নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়া হয়ে চীন, এটিই তার প্রথম সফর। এই সফর দেশে, বিদেশে ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নানা আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সেই আলোচনার ঊর্ধ্বে যে প্রশ্ন উঠছে, তা হলো, এই সফর থেকে বাংলাদেশ কী পেল? কতটা সফল এই সফর?

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা মানেই যেন একটু বাড়িয়ে বলা। ২০১৭ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প দুঃখ করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন এক বিধ্বস্ত দেশ। আবার ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নিয়ে তিনিই ঘোষণা করলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে মহান, শক্তিশালী আর সম্মানিত দেশ হবে যুক্তরাষ্ট্র।

এক প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন বলেন, অর্থনৈতিক করিডোরের ধারণা নতুন নয়। প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

২৯ জুন (২০২৬) করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এবং কিছুক্ষেত্রে করছাড়ের ৬৪টি সংশোধনীসহ অর্থ বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পাস হলো ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। এই বাজেট জনগণকে কতটা স্বস্তি দিল? তা বাংলাদেশকে কতটা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিতে পারবে? চরচা সংলাপে সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঞ্চালনায়

উল্লেখ্য, বেইজিংয়ে ভারত-চীন সীমান্ত বিষয়ক ‘ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন’ (ডব্লিউএমসিসি)-এর ৩৫তম বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ পর এই অভিযোগগুলো সামনে এলো।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক কাঠামোয় উন্নীত করা, মিয়ানমার হয়ে নতুন অর্থনৈতিক করিডোরের আলোচনা, প্রথমবারের মতো ‘টু প্লাস টু’ নিরাপত্তা সংলাপ, তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা, জিডিআইয়ে যোগদান এবং ১৭টি সমঝোতা–সব মিলিয়ে সফরের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলো দৃশ্যমান অবকাঠামোর চেয়ে অনেক বেশি কৌশলগত।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক কাঠামোয় উন্নীত করা, মিয়ানমার হয়ে নতুন অর্থনৈতিক করিডোরের আলোচনা, প্রথমবারের মতো ‘টু প্লাস টু’ নিরাপত্তা সংলাপ, তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা, জিডিআইয়ে যোগদান এবং ১৭টি সমঝোতা–সব মিলিয়ে সফরের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলো দৃশ্যমান অবকাঠামোর চেয়ে অনেক বেশি কৌশলগত।