
আর্কটিক অঞ্চলের গলতে থাকা বরফ এক নতুন ভূরাজনীতির ছক সামনে আনছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া–সবাই চায় এর দখল নিতে, কীন্তু কে জিতবে? আর্কটিকের এই রাজনীতির সাথেই কি জড়িয়ে আছে ভেনেজুয়েলার বিষয়টি? পশ্চিম গোলার্ধের দখল কেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র? এ নিয়ে চরচার ধারাবাহিক ভূরাজনীতির খেল…

১৯৬৩ সালে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান প্রায় ৫ হাজার ১৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা চীনের কাছে হস্তান্তর করে।

অভিযানে বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম, ৫১টি মোবাইল ফোন এবং ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।

চীন সরকার দ্রুত এই অভিযানের নিন্দা জানালেও এর বিস্তারিত বিবরণ এবং এ নিয়ে আলোচনা অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। কট্টর জাতীয়তাবাদী মন্তব্যের পাশাপাশি একটি সাধারণ প্রশ্নও বারবার উঠে এসেছে–এটি কি তাইওয়ানে চীনা হামলার একটি ব্লু-প্রিন্ট বা টেমপ্লেট হতে পারে?

পৃথিবীর কয়েকশ মাইল উপরে, চীনের তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন শেনঝু-২১ মিশনের সাহসী নভোচারীরা। মিশন কমান্ডার ঝাং লু এবং নভোচারী উ ফেই ও ঝাং হংঝাং ইতিমধ্যে কক্ষপথে ৭০ দিনের বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। গত এক সপ্তাহে তারা সম্পন্ন করেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং রোমাঞ্চকর কাজ।

দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে সম্প্রতি শুরু হওয়া এক বিশাল নৌমহড়া ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। ‘এক্সারসাইজ উইল ফর পিস ২০২৬’ নামের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে চীন, রাশিয়া ও ইরান। দক্ষিণ আফ্রিকা এই উদ্যোগকে ব্রিকস প্লাস দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা এই মহড়াকে শুধুমাত্র ‘শান্তির জন্য মহড়া’ এবং দক্ষিণ গোলার্ধের জলসীমায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, সমালোচকরা একে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্রিকস জোটের একটি শক্তি প্রদর্শন হিসেবেই দেখছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক দর্শনে ‘গায়ের জোরই সব’—এই নীতি আমেরিকার জন্য শেষ পর্যন্ত আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলা অভিযান এই প্রশ্নকে আরও ঘনীভূত করেছে।

দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখল ন্যাটো জোটের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করবে এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় নেতাদের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে। এমনকি ফ্রেডেরিকসেন এই মর্মে সতর্কবাণীও দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড দখল ন্যাটো বিলুপ্তির কারণ হতে পারে।

এটা আর শুধু ভেনেজুয়েলা নিয়ে নয়। এটা হলো–কে নিয়ন্ত্রণ করবে বিশ্বের তেলের সমুদ্রপথ ও বাণিজ্য পথ। আর এই মুহূর্তে আমেরিকা বলছে–আমরাই করি, আমরাই করব। গোলটা ওখানেই।

সবার কৌতূহল, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে আসলে কোন যুদ্ধবিমান আসতে যাচ্ছে? বাংলাদেশ কী জে–১০ সিই আনছে? নাকি ইউরোটাইফুন আনছে? নাকি শেষ পর্যন্ত জেএফ–১৭ থান্ডার ব্লক থ্রি দিয়েই বিমান বাহিনীকে আধুনিক করবে বাংলাদেশ?

বছরের শেষপ্রান্তে রুপার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ১৯৫১ সালের পর এটিই সবচেয়ে বেশি। সৌর প্যানেল, এআই ডেটা সেন্টার ও ইলেকট্রনিক পণ্যে রুপার ব্যবহার অপরিহার্য। রুপার এমন মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে কি চীনের আন্তর্জাতিক রাজনীতির কোনো সম্পর্ক রয়েছে?

উত্তর-পূর্ব চীনের হারবিনে বরফ ভাস্কর্য প্রতিযোগিতায় তৈরি হয়েছে ভারতের তাজমহলের বরফ সংস্করণ। হারবিন আন্তর্জাতিক বরফ ও তুষার উৎসবের অংশ হিসেবে বিশ্বের নানা দেশের শিল্পীরা প্রদর্শন করছেন অনন্য সব শিল্পকর্ম। এই উৎসব ঘিরে প্রতিবছরের মতো এবারও হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে শীতল এই শহরে।

উত্তর-পূর্ব চীনের হারবিনে বরফ ভাস্কর্য প্রতিযোগিতায় তৈরি হয়েছে ভারতের তাজমহলের বরফ সংস্করণ। হারবিন আন্তর্জাতিক বরফ ও তুষার উৎসবের অংশ হিসেবে বিশ্বের নানা দেশের শিল্পীরা প্রদর্শন করছেন অনন্য সব শিল্পকর্ম। এই উৎসব ঘিরে প্রতিবছরের মতো এবারও হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে শীতল এই শহরে।

মনরো ডকট্রিন প্রবর্তনের দুই শতাব্দীর মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ইউরোপ আর আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সেখানে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া, চীন, ইরান ও উত্তর কোরিয়া।

মনরো ডকট্রিন প্রবর্তনের দুই শতাব্দীর মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ইউরোপ আর আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সেখানে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া, চীন, ইরান ও উত্তর কোরিয়া।

চীনের হারবিন শহরে ৫ জানুয়ারি (২০২৫) খুলে দেওয়া হয়েছে ‘আইস অ্যান্ড স্নো ওয়ার্ল্ড’। এই কৃত্রিম বরফ-দুনিয়ায় প্রায় ৪ লাখ কিউবিক বরফ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বহু নান্দনিক প্রাসাদ ও ভাস্কর্য। গত বছর একই আয়োজনে প্রায় ৯০ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন দর্শনার্থী যোগ দিয়েছিল।

চীনের হারবিন শহরে ৫ জানুয়ারি (২০২৫) খুলে দেওয়া হয়েছে ‘আইস অ্যান্ড স্নো ওয়ার্ল্ড’। এই কৃত্রিম বরফ-দুনিয়ায় প্রায় ৪ লাখ কিউবিক বরফ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বহু নান্দনিক প্রাসাদ ও ভাস্কর্য। গত বছর একই আয়োজনে প্রায় ৯০ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন দর্শনার্থী যোগ দিয়েছিল।