চরচা ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ কি আসন্ন? দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে সম্প্রতি শুরু হওয়া এক বিশাল নৌমহড়া ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ‘এক্সারসাইজ উইল ফর পিস ২০২৬’ নামের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে চীন, রাশিয়া ও ইরান। দক্ষিণ আফ্রিকা এই উদ্যোগকে ব্রিকস প্লাস দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
গত ৯ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার সাইমনস টাউন নৌ-ঘাঁটির কাছে শুরু হয়েছে এই যৌথ নৌ-মহড়া। এই মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো ব্রিকস প্লাস জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়ানো। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো মূল সদস্য ছাড়াও, মিশর, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো নতুন যুক্ত হওয়া দেশগুলোকেও এই মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়মিতভাবে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে এই ধরনের সামরিক মহড়া চালিয়ে থাকে, কিন্তু এই বছরের মহড়াটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই মহড়া একটি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।
আর এই কারণেই, নৌ-ঘাঁটির বাইরে দেখা গেছে তীব্র প্রতিবাদ। ইউক্রেনীয় অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকার সদস্যরাসহ অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা রুশ নৌ-বাহিনীর অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “দক্ষিণ আফ্রিকার জলসীমায় রুশ নৌ-বাহিনী নয়” এবং “রাশিয়া মানুষ খুন করে”।
ইউক্রেনীয় অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকার সদস্য কাতেরিনা ফেদকিনা বলছেন, ‘‘ইউক্রেনীয়দের জন্য এবং একজন ইউক্রেনীয় হিসেবে আমার জন্য এটি অত্যন্ত আবেগঘন। এবং এটা দেখা খুবই কষ্টের যে, রাশিয়ান নৌবাহিনী যারা ইউক্রেনের মানুষকে হত্যা করছে, তারা দক্ষিণ আফ্রিকার জলসীমায় নৌ-প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।”
তিনি বলেন, “তাই আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে অনুরোধ করছি, রাশিয়ান নৌবাহিনীর সাথে এই প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা বন্ধ করুন। কারণ এটি রাশিয়ান সামরিক বাহিনী এবং সেনাবাহিনীরই অংশ, যারা শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনীয়দের হত্যা করছে এবং একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে ইউক্রেনের ওপর আগ্রাসন চালাচ্ছে।”
দক্ষিণ আফ্রিকা এই মহড়াকে শুধুমাত্র ‘শান্তির জন্য মহড়া’ এবং দক্ষিণ গোলার্ধের জলসীমায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, সমালোচকরা একে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্রিকস জোটের একটি শক্তি প্রদর্শন হিসেবেই দেখছেন।

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ কি আসন্ন? দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে সম্প্রতি শুরু হওয়া এক বিশাল নৌমহড়া ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ‘এক্সারসাইজ উইল ফর পিস ২০২৬’ নামের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে চীন, রাশিয়া ও ইরান। দক্ষিণ আফ্রিকা এই উদ্যোগকে ব্রিকস প্লাস দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
গত ৯ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার সাইমনস টাউন নৌ-ঘাঁটির কাছে শুরু হয়েছে এই যৌথ নৌ-মহড়া। এই মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো ব্রিকস প্লাস জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়ানো। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো মূল সদস্য ছাড়াও, মিশর, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো নতুন যুক্ত হওয়া দেশগুলোকেও এই মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়মিতভাবে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে এই ধরনের সামরিক মহড়া চালিয়ে থাকে, কিন্তু এই বছরের মহড়াটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই মহড়া একটি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।
আর এই কারণেই, নৌ-ঘাঁটির বাইরে দেখা গেছে তীব্র প্রতিবাদ। ইউক্রেনীয় অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকার সদস্যরাসহ অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা রুশ নৌ-বাহিনীর অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “দক্ষিণ আফ্রিকার জলসীমায় রুশ নৌ-বাহিনী নয়” এবং “রাশিয়া মানুষ খুন করে”।
ইউক্রেনীয় অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকার সদস্য কাতেরিনা ফেদকিনা বলছেন, ‘‘ইউক্রেনীয়দের জন্য এবং একজন ইউক্রেনীয় হিসেবে আমার জন্য এটি অত্যন্ত আবেগঘন। এবং এটা দেখা খুবই কষ্টের যে, রাশিয়ান নৌবাহিনী যারা ইউক্রেনের মানুষকে হত্যা করছে, তারা দক্ষিণ আফ্রিকার জলসীমায় নৌ-প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।”
তিনি বলেন, “তাই আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে অনুরোধ করছি, রাশিয়ান নৌবাহিনীর সাথে এই প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা বন্ধ করুন। কারণ এটি রাশিয়ান সামরিক বাহিনী এবং সেনাবাহিনীরই অংশ, যারা শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনীয়দের হত্যা করছে এবং একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে ইউক্রেনের ওপর আগ্রাসন চালাচ্ছে।”
দক্ষিণ আফ্রিকা এই মহড়াকে শুধুমাত্র ‘শান্তির জন্য মহড়া’ এবং দক্ষিণ গোলার্ধের জলসীমায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, সমালোচকরা একে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্রিকস জোটের একটি শক্তি প্রদর্শন হিসেবেই দেখছেন।