চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বসুন্ধরা ও উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ চীনা নাগরিকসহ টেলিগ্রামভিত্তিক প্রতারণা চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিসি (সাইবার উত্তর) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার এসব কথা জানান।
ডিবি সূত্র জানায়, অভিযানে বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম, ৫১টি মোবাইল ফোন এবং ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন চেন লিং ফেং, জেং কং, জেং চাংকিয়াং, ওয়েন জিয়ান কিউ, হুয়াং ঝেং জিয়াং, মো. জাকারিয়া, নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়।
ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপভিত্তিক জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিয়াজ মাসুম ও হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, ৫১ হাজার ৬৭টি সিম, চারটি মোবাইল ফোন, দুটি সিপিইউ ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তদন্তে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় আরও প্রতারক চক্রের তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৯ নম্বর সেক্টরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ বিদেশি নাগরিকসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের থেকে সাতটি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, ৪৭টি মোবাইল ফোন, ১৮৪টি সিম ও পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
সাইবার সূত্র জানায়, গ্রেপ্তাররা কখনো চাকরির প্রলোভন, কখনো উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের ফাঁদ, আবার কখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কম দামে দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত।
গ্রেপ্তার নিয়াজ মাসুম ও হাসান জয়কে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে ডিবি।

রাজধানীর বসুন্ধরা ও উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ চীনা নাগরিকসহ টেলিগ্রামভিত্তিক প্রতারণা চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিসি (সাইবার উত্তর) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার এসব কথা জানান।
ডিবি সূত্র জানায়, অভিযানে বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম, ৫১টি মোবাইল ফোন এবং ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন চেন লিং ফেং, জেং কং, জেং চাংকিয়াং, ওয়েন জিয়ান কিউ, হুয়াং ঝেং জিয়াং, মো. জাকারিয়া, নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়।
ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপভিত্তিক জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিয়াজ মাসুম ও হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, ৫১ হাজার ৬৭টি সিম, চারটি মোবাইল ফোন, দুটি সিপিইউ ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তদন্তে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় আরও প্রতারক চক্রের তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৯ নম্বর সেক্টরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ বিদেশি নাগরিকসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের থেকে সাতটি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, ৪৭টি মোবাইল ফোন, ১৮৪টি সিম ও পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
সাইবার সূত্র জানায়, গ্রেপ্তাররা কখনো চাকরির প্রলোভন, কখনো উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের ফাঁদ, আবার কখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কম দামে দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত।
গ্রেপ্তার নিয়াজ মাসুম ও হাসান জয়কে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে ডিবি।

সভায় নতুন নেতৃত্বের অধীনে গবেষণা ও উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার সাফায়েত মোহাম্মদ রাজু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।