Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬, ১৯: ০৪
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে?

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর সম্পন্ন করে দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। প্রথমে মালয়েশিয়া সফর করেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর যান চীনে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় তারেক রহমান চীনের সফর ঘিরে বিশেষ আগ্রহ ছিল সবার।

Advertisement

চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এই সফরের প্রভাব এক প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে বেইজিংভিত্তিক চীনের রাষ্ট্রীয় ইংরেজি ভাষার সংবাদ চ্যানেল সিজিটিএন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, নিজেদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থাকে বাস্তব সহযোগিতায় পরিণত করতে চায় চীন ও বাংলাদেশ। বিশেষ করে নতুন শিল্প, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে করা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সিজিটিএন বলছে, এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক বিশ্বাস আরও শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে প্রচলিত খাতের পাশাপাশি নতুন নতুন ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

তারেক রহমানের চীন সফর ও কিছু প্রাসঙ্গিক কথাPM tareque

চীন সফরের সময় তারেক রহমান দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর দালিয়ানও সফর করেন। সেখানে তিনি ১৭তম ‘অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স’। এই সম্মেলন ‘সামার দাভোস’ নামে পরিচিত। এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীরা উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন।

pm-beijing
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

এই সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ একটি বার্তা দিয়েছে। সেটি হলো–কেবল প্রচলিত খাতেই নয়, নতুন শিল্প, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

রাজনৈতিক আস্থা থেকে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব

শুক্রবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “বৈশ্বিক পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সামগ্রিক দিকনির্দেশনার প্রতি চীন তার অঙ্গীকার থেকে কখনোই বিচ্যুত হবে না। চীন সবসময় বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী এবং ভালো অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।”

সি আরও বলেন, বৈঠকে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সমর্থন করে চীন। একই সঙ্গে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন করে দেশটি। নতুন সরকারের দেশ পরিচালনার উদ্যোগে চীন সমর্থন দিয়ে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের একান্ত বৈঠকPM tareque

অন্যদিকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনকে বাংলাদেশের এক বিশ্বস্ত ও মূল্যবান অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। চীনের আধুনিকায়নের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

এছাড়া বাংলাদেশ ‘এক চীন নীতি’র প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশ এক চীন নীতির প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ স্বীকার করে যে তাইওয়ান চীনের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যেকোনো ধরনের ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে এবং জাতীয় পুনরেকত্রীকরণে চীন সরকারের প্রচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।

মজবুত ভিত্তির ওপর নতুন সম্পর্ক

সিজিটিএন প্রতিবেদনে বলেছে, দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়তে থাকায় চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টানা ১৫ বছর ধরে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে।

তাছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

গত এক দশকে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে বহু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে কাজ করেছে। এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও সহায়তা মিলেছে।

শুক্রবারের বৈঠকে দুই দেশ জানায়, আগের সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। সেই সঙ্গে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর নতুন খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে।

তারেক রহমান-লি ছিয়াং বৈঠক, সমঝোতা সইtarek-li-china

ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতা সম্প্রসারণ

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের অঞ্চল ও পথের উদ্যোগে (বিআরআই) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। বৃহত্তর আঞ্চলিক সংযুক্তি আরও জোরদারের লক্ষ্যে চীন–মিয়ানমার–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

শুক্রবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, ই-কমার্স, শিল্প ও সরবরাহব্যবস্থা এবং বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা জোরদার করবে চীন, যাতে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থা যৌথভাবে রক্ষা করা যায়।

tarek-rahman-and-si-jingping
ছবি: পিএমও থেকে নেওয়া

বাংলাদেশ জানায়, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে। দুই পক্ষ যৌথভাবে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নিতে সম্মত হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো নতুন খাতে সহযোগিতার সুযোগ খুঁজে বের করতে হবে।

চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক ঝাং জিয়াডং বলেন, প্রচলিত বড় অবকাঠামো প্রকল্পের তুলনায় সবুজ জ্বালানি ও ডিজিটাল অর্থনীতি বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নের জন্য কম খরচে এবং আরও কার্যকর পথ হতে পারে।

তার মতে, এসব খাতে চীনের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে চীনের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বড় সহায়তা মিলবে। এ ছাড়া দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগও আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতি খাতে সহযোগিতা এবং স্থানীয় পর্যায়ের আদান-প্রদান বাড়াতে চায় চীন।

তারেক রহমান বলেছেন, আধুনিকায়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় পরিসরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ জোরদার, অঞ্চল ও পথের উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া এবং অর্থনীতি ও বাণিজ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি, প্রযুক্তি, সবুজ জ্বালানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে চীনের সহযোগিতা ও বিনিময় বাড়ানোর প্রত্যাশা করে।

কেন আগে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন তারেক?Tarique rahman Ziaur rahman Khaledia zia

গ্লোবাল সাউথের পক্ষে আরও শক্তিশালী অবস্থান

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়েও দুই দেশের সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়টি এই সফরে গুরুত্ব পেয়েছে।

tarek-meeting-with-si-jinping
ছবি: পিএমও

সি চিনপিং বলেছেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও বাড়াতে চায় চীন। লক্ষ্য হলো একটি ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা এবং সবার জন্য উপকারী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক অর্থনীতি গড়ে তোলা। পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা করা।

তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্পন্ন সম্প্রদায় গড়ে তোলার ধারণা এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের প্রস্তাবিত গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই), গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই), গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ (জিসিআই) এবং গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ (জিজিআই) বিশ্বে শান্তি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার পাশাপাশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ের অর্জন এবং জাতিসংঘকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ কাজ করে যাবে।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশভূরাজনীতিতারেক রহমানবৈদেশিক সম্পর্কচীনএশিয়া
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    মহাকাশে অস্ত্রের বিস্তার, জিপিএস থেকে ব্যাংকিং—ঝুঁকিতে যে সেবাগুলো

  • ২

    ‘৫ আগস্টের পর মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা পাহারা দিয়েছে দাড়ি-টুপিঅলা লোকগুলো’

  • ৩

    ‘অনুঘটক না থাকলে আমি অভিনয় করতে চাই না’

  • ৪

    ‘আলেম-ওলামাদের সম্পর্কে বলা হয়- আরে ওরা তো দাওয়াত খাইয়া বেড়াবে’

  • ৫

    ব্রাজিলেও সরকার বদলাতে চায় আমেরিকা?

সম্পর্কিত
  • বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    কয়েক বছর আগেও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তারকা- বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ সারির সুরকার ও শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখরিত থাকত ঢাকার কনসার্ট অঙ্গন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত কনসার্টের টিকিট কেনা দর্শক-শ্রোতাদের জন্য যেন এক বড় ধরনের অনিশ্চয়তার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং বিতর্কিত বিশেষ নিবিড় পুনর্নিরীক্ষণ (এসআইআর ) বাতিলের দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

  • আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    একদিন বাদেই বাংলাদেশের একটা টেস্ট ম্যাচ, তবে তার আগে নেই কোনো উত্তাপ। এমনকি অনেকেই জানেন না যে কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে লাল বলের ক্রিকেট খেলবে নাজমুল হোসেনের দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এমন একটি ম্যাচে চলতি বছরই জিম্বাবুয়ের কাছে ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশ দলের। তা

  • রাশিয়ায় প্লেগ আতঙ্ক: আসলে কী ঘটেছে?

    রাশিয়ায় প্লেগ আতঙ্ক: আসলে কী ঘটেছে?

    সাইবেরিয়ার একটি অ্যান্টি-প্লেগ গবেষণাগারে কাজ করা এক তরুণীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ কমানোর চেষ্টা করছে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ। তবে ওই তরুণীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের আলাদা করে রাখা এবং স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে নতুন রোগ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।