
উত্থান-পতন আর চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২০২৫ সাল। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বছরজুড়ে চলা সংঘাত এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার প্রক্রিয়া বিশ্বজুড়ে আলোচিত ছিল। ২০২৬ সালের শুরুর এই সময়ে ব্রিটিশ সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ এই অঞ্চলের তিন প্রধান দেশ—

তাইজার সান বর্তমানে মিয়ানমারের সবচেয়ে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ব্যক্তি। কৃশকায়, চশমা পরা এই চিকিৎসক ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওই অভ্যুত্থান দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে।

সিনুইজু শহরটি চীনের ডানডং শহরের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় এলাকাটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে চলছে বিশাল এক গ্রিনহাউস ফার্ম তৈরির কাজ। কিম সেখানে দায়িত্বরত তরুণ কর্মী এবং সেনাদের সাথে সময় কাটান এবং তাদের কাজের প্রশংসা করেন।

বর্তমানে তুরস্ক আবারও দক্ষিণ এশিয়ায় শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে, যা মূলত তাদের ‘নব্য-অটোমান’ পররাষ্ট্রনীতির অংশ। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অটোমান এবং মুঘল সাম্রাজ্যের পতনকে একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখেন, যা সংশোধন করা প্রয়োজন।

যদিও কিছু ভারতীয় বিশ্লেষক এই মিথস্ক্রিয়াকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন। তবুও পাকিস্তানের অনেকে একে ‘বরফ জমে যাওয়া’ সম্পর্কের মধ্যে একটি সামান্য উষ্ণতার সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আতশবাজি, আলোকসজ্জা আর উৎসবের আমেজে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সাল। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ছিল আনন্দঘন উদযাপন। সময়ের পার্থক্য থাকলেও নতুন আশা, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তায় একসঙ্গে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব।

চীনা ও রুশ অস্ত্রে সজ্জিত সামরিক বাহিনী গত দুই বছরে হারানো কিছু এলাকা পুনর্দখল করেছে এবং জানুয়ারির শেষ ধাপে সেসব এলাকায় ভোট করার পরিকল্পনা রয়েছে। সু চি ও তার দল নির্বাচনে না থাকায় সেনা সমর্থিত দল ইউএসডিপির জয় প্রায় সুনিশ্চিত।

মানব ইতিহাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় বর্তমান মানুষের প্রজাতি ‘হোমো সেপিয়েন্স’ পৃথিবীর বুকে একা ছিল না। এই প্রজাতির খুব কাছাকাছি আরও কিছু মানব প্রজাতি একসময় পৃথিবীতে বিচরণ করত, যাদের অন্যতম হলো ডেনিসোভান।

দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞ এবং লন্ডনভিত্তিক লেখক প্রিয়জিৎ দেব সরকার বলেন, ‘‘নির্বাচন নিরাপদে সম্পন্ন করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে এই অস্থিরতা প্রশ্ন তুলেছে। সহিংস ঘটনা ও বিক্ষোভ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটেছে এবং তা কেবল একটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ ছিল না।”

নতুন বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন হওয়া দরকার? এই নিয়ে আলোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খান ও চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।

নতুন বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন হওয়া দরকার? এই নিয়ে আলোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খান ও চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।

আগামী দিনের বিশ্বব্যবস্থার চালকের আসনে থাকবে কারা? আমেরিকা, ইউরোপ, রাশিয়া নাকি এশিয়া? নতুন বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন হওয়া দরকার? এই সব নিয়ে আলোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খান ও চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।

জাপানের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যেই বেইজিংয়ের কূটনীতিকরা জানাচ্ছেন যে, চীন তাদের দিকটি ব্যাখ্যার জন্য বৈঠকে বসতে চায়। তাদের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাইওয়ানের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দিয়েছে।

দারের মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন এই অঞ্চলে ক্রমাগত উত্তেজনা বাড়ছে। এমনিতেও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের রয়েছে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই দেশ গত মে মাসে একটি বিমানযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যা সম্পর্ককে আরও খারাপ করেছে।

দারের মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন এই অঞ্চলে ক্রমাগত উত্তেজনা বাড়ছে। এমনিতেও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের রয়েছে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই দেশ গত মে মাসে একটি বিমানযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যা সম্পর্ককে আরও খারাপ করেছে।

দরিদ্রতম মানুষের সম্পদ সামান্য বাড়লেও শীর্ষ স্তরে সম্পদের দ্রুত সঞ্চয় সেই অগ্রগতিকে ছাপিয়ে গেছে। ফলে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, যেখানে অতি ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠীর হাতে আছে বিপুল সম্পদ, আর কোটি কোটি মানুষ মৌলিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য সংগ্রাম করছে।

দরিদ্রতম মানুষের সম্পদ সামান্য বাড়লেও শীর্ষ স্তরে সম্পদের দ্রুত সঞ্চয় সেই অগ্রগতিকে ছাপিয়ে গেছে। ফলে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, যেখানে অতি ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠীর হাতে আছে বিপুল সম্পদ, আর কোটি কোটি মানুষ মৌলিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য সংগ্রাম করছে।

বিশ্বজুড়ে ২০২৩ সালে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ১০০ কোটির বেশি নারী শৈশবে যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। প্রায় ৬০ কোটি ৮০ লাখ নারী ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন। 'দ্য ল্যানসেট' জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

বিশ্বজুড়ে ২০২৩ সালে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ১০০ কোটির বেশি নারী শৈশবে যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। প্রায় ৬০ কোটি ৮০ লাখ নারী ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন। 'দ্য ল্যানসেট' জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।