
প্রতিবেদনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশসহ ইথিওপিয়া ও তানজানিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে, সৃষ্টি হয়েছে চরম আতঙ্ক। নাফ নদীর ওপার থেকে ছোড়া গুলি ও ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে শিশুসহ দুই বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বিজিবি, গ্রেপ্তার করা হয়েছে সন্দেহভাজন সশস্ত্র সদস্যদে

আর্কটিক অঞ্চলের গলতে থাকা বরফ এক নতুন ভূরাজনীতির ছক সামনে আনছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া–সবাই চায় এর দখল নিতে, কীন্তু কে জিতবে? আর্কটিকের এই রাজনীতির সাথেই কি জড়িয়ে আছে ভেনেজুয়েলার বিষয়টি? পশ্চিম গোলার্ধের দখল কেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র? এ নিয়ে চরচার ধারাবাহিক ভূরাজনীতির খেল…

একটি স্বাধীন দেশের প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীসহ তুলে নিয়ে গেছে আরেকটি দেশের সেনারা। ভিন্ন দেশে সেই প্রেসিডেন্টের বিচারও শুরু হয়ে গেছে। অন্যদিকে সেই ‘পরাক্রমশালী’ দেশের প্রেসিডেন্ট বলে চলেছেন, তিনি ওই দেশ থেকে তেল নিয়ে নিতে চান। এমনকি আরও কিছু দেশেও হাত দিতে চান।

আদর্শ নিয়ে দোটানা রয়েছে। কিছু মানুষ বামপন্থায় বিশ্বাসী, আবার ডানপন্থায় বিশ্বাসী কিছু মানুষ। তবে বেশির ভাগই অবশ্য মধ্যপন্থী অবস্থানে। শুনতে সোনার পাথরবাটি মনে হলেও বিচিত্র এই উপমহাদেশে রয়েছে বাম, ডান, সেকুলার, কমিউনাল, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক–হরেক কিসিমের রাজনৈতিক মতাদর্শের ককটেল।

মনরো ডকট্রিন প্রবর্তনের দুই শতাব্দীর মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ইউরোপ আর আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সেখানে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া, চীন, ইরান ও উত্তর কোরিয়া।

মিয়ানমার কি সত্যিই একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, নাকি এটি সামরিক জান্তার জন্য বৈধতা অর্জনের আরেকটি কৌশল? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি—যুদ্ধ, নির্বাচন ও ভূরাজনীতির জটিল সমীকরণে মিয়ানমারের বিপ্লব কতটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছরে মিয়ানমারের বড় অংশ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে তুরস্ক আবারও দক্ষিণ এশিয়ায় শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে, যা মূলত তাদের ‘নব্য-অটোমান’ পররাষ্ট্রনীতির অংশ। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অটোমান এবং মুঘল সাম্রাজ্যের পতনকে একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখেন, যা সংশোধন করা প্রয়োজন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসে নিজেদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক।

নতুন বছরে পা রাখার আগে, ২০২৫ সালের ভূ-রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দশটি ঘটনার দিকে আলোকপাত করা যেতে পারে। আজ প্রথম পর্বে থাকছে ৫টি ঘটনা।

চীনা ও রুশ অস্ত্রে সজ্জিত সামরিক বাহিনী গত দুই বছরে হারানো কিছু এলাকা পুনর্দখল করেছে এবং জানুয়ারির শেষ ধাপে সেসব এলাকায় ভোট করার পরিকল্পনা রয়েছে। সু চি ও তার দল নির্বাচনে না থাকায় সেনা সমর্থিত দল ইউএসডিপির জয় প্রায় সুনিশ্চিত।

যদি আমরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যত বিশ্লেষণ করি, দেখব বিরোধী দল বিএনপির নেতা হিসেবে তিনি ম্যাজিক দেখিয়েছেন ২০০১ সালের নির্বাচনে। বিএনপি জোটের আশাতীত সাফল্যের পেছনে তার সাংগঠনিক কৌশল ম্যাজিক বা জাদুর মতো কাজ করেছে।

জুলাই বিপ্লব যেমন শেষ পর্যন্ত মর্যাদা এবং জবাবদিহিতার একটি দাবি ছিল, তেমনি হাসিনা-পরবর্তী একটি স্থিতিশীল পররাষ্ট্রনীতি উভয় পক্ষেরই পূর্বাভাসযোগ্য আচরণ এবং সংযমের ওপর নির্ভরশীল। উত্তেজনা কমানোর দ্রুততম উপায় হলো নেতিবাচক প্রণোদনা বদলে দেওয়া।

মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী পক্ষের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নতুন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে। অনেকেই আশা করছেন, এই নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে আরও সক্ষম হবে।

মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী পক্ষের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নতুন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে। অনেকেই আশা করছেন, এই নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে আরও সক্ষম হবে।

মব ভায়োলেন্সের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ এবং নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ২২ ডিসেম্বর (২০২৫) রাজধানীর একটি হোটেলে যৌথ সভার আয়োজন করে।

মব ভায়োলেন্সের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ এবং নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ২২ ডিসেম্বর (২০২৫) রাজধানীর একটি হোটেলে যৌথ সভার আয়োজন করে।

ভারত ও মিয়ানমারের মাঝামাঝি অবস্থানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে এখানে দীর্ঘায়িত অস্থিরতা বাণিজ্য করিডোরকে ব্যাহত করতে পারে। পাশাপাশি নৌ-চলাচলের পথকে প্রভাবিত করতে পারে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ভারত ও মিয়ানমারের মাঝামাঝি অবস্থানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে এখানে দীর্ঘায়িত অস্থিরতা বাণিজ্য করিডোরকে ব্যাহত করতে পারে। পাশাপাশি নৌ-চলাচলের পথকে প্রভাবিত করতে পারে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।