
“বাংলাদেশ এখন নির্বাচনের মহাসড়কে চলা শুরু করেছে। কিন্তু কয়েকটি রাজনৈতিক দল জোট করেছে। তাদের দাবি দাওয়া জানাচ্ছে। সেই জোটের আবার একটি দল ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের ডামি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।”

রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সঙ্গে মতবিনিময় করবে ইসি

সব দলের কিছু কিছু দাবি পূরণ করে সরকার আসলে সবাইকে খুশি করতে চাইছে না কি কোনো একটা দলকে ভরসা দিতে চাইছে তা হয়তো আর কিছু দিনের মধ্যে বোঝা যাবে। তবে, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি যেভাবে হঠাৎ করে পরিবর্তনের নজির অতীতে আছে তাতে এখনই হয়তো বলা যাবে না, বল কার কোর্টে?

গণতন্ত্র মঞ্চের একাধিক শীর্ষ নেতা চরচাকে জানান, গণতন্ত্র মঞ্চ এবং সিপিপির সঙ্গ তাদের আসন সমঝোতা চলছে। বিশেষত গণতন্ত্র মঞ্চের দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের আসনের তালিকাও চেয়েছে বিএনপি।

স্বয়ংক্রিয়ভাবেই যদি সংবিধান সংস্কার হয়ে যায়, তাহলে পরিষদ গঠনের কাজ কী? বলে দিলেই ভালো হতো এটাই মানতে হবে। একটা অধ্যাদেশ করে দিলেই হয়। গণভোটের দরকারই বা কী আর সেটা সংসদে রেক্টিফাই করা প্রয়োজনই বা কী।

নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, 'জামায়াতে ইসলামী পিআর পদ্ধতি নিয়ে যে তথাকথিত আন্দোলন শুরু করেছিল, আসলে সেটি ছিল এক সুচিন্তিত রাজনৈতিক প্রতারণা।

গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে না করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তাহের বলেন, “একসাথে হলে দলীয় প্রতীকের প্রতিযোগিতায় সংস্কারের ইস্যু আড়ালে চলে যাবে। কোথাও ভোট স্থগিত হলে গণভোটও থেমে যাবে। জাতীয় নির্বাচন জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার জন্য, আর গণভোট জাতির সংস্কারের জন্য—দুইয়ের প্রকৃতি আলাদা।”