চরচা ডেস্ক

অরুণাচল প্রদেশে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) কর্তৃক অনুপ্রবেশ এবং ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে সামরিক ক্যাম্প স্থাপনের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সোমবার এক বিবৃতিতে এই দাবিগুলোকে ‘ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার তাকসিং এলাকার সামাজিক সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ (এনডব্লিউএস) ডেপুটি কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। ওই স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় যে, গত ১০-১৫ বছর ধরে চীনা বাহিনী তাকসিং সার্কেলের সীমান্ত এলাকায় ধীরে ধীরে তাদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
সংগঠনটির অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দাদের ঐতিহ্যগত শিকার, গবাদি পশু চরানো ও বনজ সম্পদ সংগ্রহের জায়গায় চীন রাস্তা, সেতু এবং সামরিক ক্যাম্প তৈরি করেছে। তারা ২০২০ সাল থেকে চীনা দখলে চলে যাওয়া পাঁচটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম উল্লেখ করে— ওয়িং, চুজর্তা এলাকার পানিয়ার, মারপান, পোটরাং হ্রদ এবং তিন্দিংতাং। এর মধ্যে কিছু এলাকা তাকসিং সদর দপ্তরের কাছে অবস্থিত এবং স্থানীয়দের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সংগঠনটি সীমান্ত সুরক্ষায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রাখলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র ও অরুণাচল প্রদেশ সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করে এবং প্রমাণ হিসেবে কিছু ছবি জমা দেয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের বিবৃতিতে এই সুনির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোর সরাসরি জবাব না দিলেও সাম্প্রতিক অনুপ্রবেশের দাবি ঢালাওভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
উল্লেখ্য, বেইজিংয়ে ভারত-চীন সীমান্ত বিষয়ক ‘ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন’ (ডব্লিউএমসিসি)-এর ৩৫তম বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ পর এই অভিযোগগুলো সামনে এলো।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেইজিংয়ের ওই বৈঠকটি ছিল গঠনমূলক ও দূরদর্শী। সেখানে উভয়পক্ষই সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভূমিকা রাখছে। বৈঠকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সীমানা নির্ধারণ ও আস্থা বৃদ্ধির কৌশলের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বৈঠক দ্রুত করার ওপর জোর দেয় ভারত।

অরুণাচল প্রদেশে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) কর্তৃক অনুপ্রবেশ এবং ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে সামরিক ক্যাম্প স্থাপনের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সোমবার এক বিবৃতিতে এই দাবিগুলোকে ‘ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার তাকসিং এলাকার সামাজিক সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ (এনডব্লিউএস) ডেপুটি কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। ওই স্মারকলিপিতে দাবি করা হয় যে, গত ১০-১৫ বছর ধরে চীনা বাহিনী তাকসিং সার্কেলের সীমান্ত এলাকায় ধীরে ধীরে তাদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
সংগঠনটির অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দাদের ঐতিহ্যগত শিকার, গবাদি পশু চরানো ও বনজ সম্পদ সংগ্রহের জায়গায় চীন রাস্তা, সেতু এবং সামরিক ক্যাম্প তৈরি করেছে। তারা ২০২০ সাল থেকে চীনা দখলে চলে যাওয়া পাঁচটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম উল্লেখ করে— ওয়িং, চুজর্তা এলাকার পানিয়ার, মারপান, পোটরাং হ্রদ এবং তিন্দিংতাং। এর মধ্যে কিছু এলাকা তাকসিং সদর দপ্তরের কাছে অবস্থিত এবং স্থানীয়দের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সংগঠনটি সীমান্ত সুরক্ষায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রাখলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র ও অরুণাচল প্রদেশ সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করে এবং প্রমাণ হিসেবে কিছু ছবি জমা দেয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের বিবৃতিতে এই সুনির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোর সরাসরি জবাব না দিলেও সাম্প্রতিক অনুপ্রবেশের দাবি ঢালাওভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
উল্লেখ্য, বেইজিংয়ে ভারত-চীন সীমান্ত বিষয়ক ‘ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন’ (ডব্লিউএমসিসি)-এর ৩৫তম বৈঠকের কয়েক সপ্তাহ পর এই অভিযোগগুলো সামনে এলো।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেইজিংয়ের ওই বৈঠকটি ছিল গঠনমূলক ও দূরদর্শী। সেখানে উভয়পক্ষই সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভূমিকা রাখছে। বৈঠকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সীমানা নির্ধারণ ও আস্থা বৃদ্ধির কৌশলের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বৈঠক দ্রুত করার ওপর জোর দেয় ভারত।