চরচা ডেস্ক

সেন্ট জন’স ডে-এর বর্ণিল উৎসব শেষে সবেমাত্র ঘরে ফিরেছিলেন সবাই। ছুটির আমেজে পরিবারের সাথে জমে উঠেছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের আড্ডা। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই আনন্দ-উচ্ছ্বাস রূপ নিল চরম আতঙ্কে। পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পুরো ভেনেজুয়েলা। এই জোড়া ভূমিকম্পে দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
এর ঠিক ৪০ সেকেন্ড পর কারাকাস থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে।
কারাকাস থেকে রিপোর্টিং করার সময় সাংবাদিক নোরিস সতো আল জাজিরাকে জানান, ভেনেজুয়েলায় সরকারি ছুটি থাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন অনেকেই তাদের ঘরে অবস্থান করছিলেন।
সতো বলেন, “আমি বাড়িতেই ছিলাম, সাধারণ ছুটির দিনের মতোই আমরা বিশ্বকাপ খেলা দেখছিলাম, আর তখনই আমরা এক বিশাল ঝাঁকুনিসহ তীব্র কম্পন অনুভব করলাম। এরপর আমি শুধু চারদিকে ভাঙা কাচই দেখতে পাচ্ছিলাম। আমার ভবনটি একদম মাঝখান থেকে ফেটে গিয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “মানুষজন তাদের অ্যাপার্টমেন্ট ও ঘরবাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছিল। আমি যা বলতে পারি তা হলো, আজ যা ঘটেছে তার জন্য আমরা মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।”
সতো জানান, ১৯৬০-এর দশকের পর ভেনেজুয়েলায় আর কোনো ভূমিকম্প না হওয়ায়, এই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে তা নিয়ে মানুষজন নিশ্চিত ছিল না।
দেশটিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কতটা, তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেন সতো।
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, “আমরা মাঠপর্যায়ের খুব বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে পারিনি, কারণ ফোন লাইন এবং ইন্টারনেটসহ যোগাযোগের সব মাধ্যমই বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে আমরা সামান্য যেটুকু তথ্য পেয়েছি, তা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে পরিস্থিতি আসলে আরও অনেক বেশি ভয়াবহ।”
সতো আরও যোগ করেন, “মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং মূলত তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।”

সেন্ট জন’স ডে-এর বর্ণিল উৎসব শেষে সবেমাত্র ঘরে ফিরেছিলেন সবাই। ছুটির আমেজে পরিবারের সাথে জমে উঠেছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের আড্ডা। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই আনন্দ-উচ্ছ্বাস রূপ নিল চরম আতঙ্কে। পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পুরো ভেনেজুয়েলা। এই জোড়া ভূমিকম্পে দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
এর ঠিক ৪০ সেকেন্ড পর কারাকাস থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে।
কারাকাস থেকে রিপোর্টিং করার সময় সাংবাদিক নোরিস সতো আল জাজিরাকে জানান, ভেনেজুয়েলায় সরকারি ছুটি থাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন অনেকেই তাদের ঘরে অবস্থান করছিলেন।
সতো বলেন, “আমি বাড়িতেই ছিলাম, সাধারণ ছুটির দিনের মতোই আমরা বিশ্বকাপ খেলা দেখছিলাম, আর তখনই আমরা এক বিশাল ঝাঁকুনিসহ তীব্র কম্পন অনুভব করলাম। এরপর আমি শুধু চারদিকে ভাঙা কাচই দেখতে পাচ্ছিলাম। আমার ভবনটি একদম মাঝখান থেকে ফেটে গিয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “মানুষজন তাদের অ্যাপার্টমেন্ট ও ঘরবাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছিল। আমি যা বলতে পারি তা হলো, আজ যা ঘটেছে তার জন্য আমরা মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।”
সতো জানান, ১৯৬০-এর দশকের পর ভেনেজুয়েলায় আর কোনো ভূমিকম্প না হওয়ায়, এই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে তা নিয়ে মানুষজন নিশ্চিত ছিল না।
দেশটিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কতটা, তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেন সতো।
আল জাজিরাকে তিনি বলেন, “আমরা মাঠপর্যায়ের খুব বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে পারিনি, কারণ ফোন লাইন এবং ইন্টারনেটসহ যোগাযোগের সব মাধ্যমই বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে আমরা সামান্য যেটুকু তথ্য পেয়েছি, তা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে পরিস্থিতি আসলে আরও অনেক বেশি ভয়াবহ।”
সতো আরও যোগ করেন, “মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং মূলত তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।”

সরকারি দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১০) বলেছেন, যারা ‘জুলাইয়ের চেতনা’ বিক্রি করেন, তারা একসময় রিকশায় চড়লেও এখন প্রাডো গাড়িতে ঘোরেন। আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।