চরচা ডেস্ক

সরকারি দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১০) বলেছেন, যারা ‘জুলাইয়ের চেতনা’ বিক্রি করেন, তারা একসময় রিকশায় চড়লেও এখন প্রাডো গাড়িতে ঘোরেন। আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, “যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন, তাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ থাকবে। তাদের অনেকেই আগে রিকশায় চড়তেন, কিন্তু এখন তারা প্রাডো গাড়িতে ঘোরেন। আর তারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন।”
এই সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, সংসদের অনেক সদস্যই জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “কিন্তু অনেকেই জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন। আমরা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করি না; আমরা তা ধারণ করি। জুলাই এমন কোনো জিনিস নয় যা বিক্রি করা যায়।”
ময়মনসিংহ-১০ আসনের এই সংসদ সদস্য প্রশ্ন তোলেন, বাজেটের পদক্ষেপের কারণে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমার পরও বিরোধী দলের বন্ধুরা প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে কেন কিছুটা অসন্তুষ্ট বলে মনে হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে বাজেটে কেবল সিগারেট ও মদের দাম বেড়েছে। বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, “দেশের সাধারণ মানুষ এই বাজেট গ্রহণ করেছে। কিন্তু বিরোধী দলের বন্ধুরা এটিকে ‘চানাচুর টাইপের বাজেট’ বলছেন। আমরা জানি চানাচুর শিশুরা খায়, বড়রাও খায়। তবে বড়রা সাধারণত অন্য কিছু সেবনের পর চানাচুর খায়। তারা সেই কারণে অসন্তুষ্ট কি না আমি জানি না।”

সরকারি দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১০) বলেছেন, যারা ‘জুলাইয়ের চেতনা’ বিক্রি করেন, তারা একসময় রিকশায় চড়লেও এখন প্রাডো গাড়িতে ঘোরেন। আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, “যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন, তাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ থাকবে। তাদের অনেকেই আগে রিকশায় চড়তেন, কিন্তু এখন তারা প্রাডো গাড়িতে ঘোরেন। আর তারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন।”
এই সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, সংসদের অনেক সদস্যই জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “কিন্তু অনেকেই জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন। আমরা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করি না; আমরা তা ধারণ করি। জুলাই এমন কোনো জিনিস নয় যা বিক্রি করা যায়।”
ময়মনসিংহ-১০ আসনের এই সংসদ সদস্য প্রশ্ন তোলেন, বাজেটের পদক্ষেপের কারণে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমার পরও বিরোধী দলের বন্ধুরা প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে কেন কিছুটা অসন্তুষ্ট বলে মনে হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে বাজেটে কেবল সিগারেট ও মদের দাম বেড়েছে। বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, “দেশের সাধারণ মানুষ এই বাজেট গ্রহণ করেছে। কিন্তু বিরোধী দলের বন্ধুরা এটিকে ‘চানাচুর টাইপের বাজেট’ বলছেন। আমরা জানি চানাচুর শিশুরা খায়, বড়রাও খায়। তবে বড়রা সাধারণত অন্য কিছু সেবনের পর চানাচুর খায়। তারা সেই কারণে অসন্তুষ্ট কি না আমি জানি না।”