
আর্কটিক রাজনীতি ও দক্ষিণ আমেরিকা কোথায় মিলে যায়? যুক্তরাষ্ট্র কি উপনিবেশ গড়তে চায়? মনরো ডকট্রিন কেন এসেছিল, এখন এ দিয়ে কী করতে চায় ওয়াশিংটন? যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ কোন বিশ্বব্যবস্থার ইঙ্গিত রয়েছে? নিকোলাস মাদুরোর অপহরণ কি অনুমিত ছিল না? ভূরাজনীতির খেল এ পর্বে এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা হয়েছে…

নোবেল শান্তি পুরস্কার বর্তমান বিশ্বে একটি ‘প্যারাডক্স’ বা স্ববিরোধী ধারণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিয়ানমার থেকে শুরু করে ভেনেজুয়েলা পর্যন্ত–প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, পুরস্কারটি শান্তির দূত হওয়ার পরিবর্তে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার বারুদ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ইউরো-আটলান্টিক সংহতির ওপর বড় আশা রাখা হয়েছিল। ন্যাটোর পরামর্শ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে ট্রাম্পকে ‘সংখ্যায় হারিয়ে দেওয়ার’ চিন্তা করা হয়েছিল। যেমনটা ইউক্রেন ইস্যুতে দেখা গেছে।

ইরানে চলমান গণবিক্ষোভ দমাতে গুলি, ফাঁসি ও ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের অভিযোগে দেশটি রক্তক্ষয়ী সংকটে পড়েছে। এই সহিংসতার জেরে ইরান ইস্যু আর অভ্যন্তরীণ থাকেনি, সরাসরি মুখোমুখি অবস্থানে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা বিশ্ব রাজনীতিকে ঠেলে দিচ্ছে এক নতুন ও ভয়ংকর সংঘাতের দিকে।

আর্কটিক অঞ্চলের গলতে থাকা বরফ এক নতুন ভূরাজনীতির ছক সামনে আনছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া–সবাই চায় এর দখল নিতে, কীন্তু কে জিতবে? আর্কটিকের এই রাজনীতির সাথেই কি জড়িয়ে আছে ভেনেজুয়েলার বিষয়টি? পশ্চিম গোলার্ধের দখল কেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র? এ নিয়ে চরচার ধারাবাহিক ভূরাজনীতির খেল…

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়ালকে নিজের কব্জায় নিয়ে নিয়েছেন বললে ভুল হবে না। তারপর তিনি কোথায় হাত দেবেন? ইরানে? কিন্তু ইরানের সঙ্গে পেরে ওঠা কি ভেনেজুয়েলার মতো সহজ হবে? ইরানের নাগরিকরা তাদের সরকারকে হয়তো চায় না, তার মানে কি তারা আমেরিকা বা ইসরায়েলের আধিপত্য মেনে নেবে?

বিটিএস ও কে–কালচারের পশ্চিমা প্রভাবের শিকড় লুকিয়ে আছে কোরীয় অভিবাসনের ইতিহাসে। ১৯০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কোরীয়দের আগমন শুরু হয় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা দিয়ে। আজ সেই ঐতিহাসিক দিনটি পালিত হচ্ছে ‘কোরিয়ান আমেরিকান ডে’ হিসেবে।

আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে মার্কিন নাগরিক নিহতের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে মানুষ। নিউ ইয়র্ক থেকে মিনেসোটা-প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়ে পড়ছে দেশজুড়ে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার কিউবাকে সতর্ক করে বলেছেন, তারা যেন অবিলম্বে চুক্তির আওতায় আসে, অন্যথায় তাদের অনির্দিষ্ট পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এখন থেকে হাভানায় ভেনেজুয়েলার তেল ও অর্থের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, অতিরিক্ত সহায়তার জন্য তিনি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এ সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বড় অংশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে লাখো মানুষ চরম গরমে ভুগেছে।

আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা জগৎ এখন অনেক বদলে গেছে, কিন্তু এই দুজনের ঘটনার তাৎপর্য এখনও রয়ে গেছে। এজন্য এই জগতে এই দুজন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পতনের আন্দোলনে রুপ নিয়েছে। আন্দোলন দমনে মাঠে নামানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চলমান বিক্ষোভে শুধু রাজধানী তেহরানেই এক রাতে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন।

এবারের হামলাটি হয়েছে পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ অঞ্চলে, যার সীমান্ত ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে একটি ‘বৈশ্বিক হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপের পথে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপের পথে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভেনেজুয়েলাতে আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য কী? কেন বিশ্ব রাজনীতিকে বিপজ্জনক দিকে নিতে সে মরিয়া। আমেরিকার ‘আমরাই করি, আমরাই করব’ নীতি কত দিন চলবে?

ভেনেজুয়েলাতে আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য কী? কেন বিশ্ব রাজনীতিকে বিপজ্জনক দিকে নিতে সে মরিয়া। আমেরিকার ‘আমরাই করি, আমরাই করব’ নীতি কত দিন চলবে?

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির প্রশাসন ও তেল অবকাঠামোর দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির প্রশাসন ও তেল অবকাঠামোর দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।