চরচা ডেস্ক

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
মৃত দম্পতি হলেন, উপজেলার রাজৈর গ্রামের আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে কবির হোসেন হাওলাদার (৩২) এবং তার স্ত্রী হালিমা বেগম (২৭)।
এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। একজনের বয়স পাঁচ বছর এবং অপরজনের বয়স দেড় মাস।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, সকাল প্রায় ১১টার দিকে পুলিশ ঘরের শোবার কক্ষ থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তাদের দেড় মাস বয়সী শিশুকে একই বিছানায় জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।
তিনি জানান, বড় সন্তানটি দাদা আবদুল মজিদ হাওলাদারের সঙ্গে পাশের আরেকটি ঘরে ঘুমাত।
ওসি বলেন, কবির ও হালিমার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। তাদের বিছানায় একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়া গেছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “তাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”। চিরকুটটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান, ঘরটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাতে দম্পতি ও দেড় মাসের শিশু ছাড়া সেখানে আর কেউ ছিলেন না। সকালে তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
মৃত দম্পতি হলেন, উপজেলার রাজৈর গ্রামের আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে কবির হোসেন হাওলাদার (৩২) এবং তার স্ত্রী হালিমা বেগম (২৭)।
এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। একজনের বয়স পাঁচ বছর এবং অপরজনের বয়স দেড় মাস।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, সকাল প্রায় ১১টার দিকে পুলিশ ঘরের শোবার কক্ষ থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তাদের দেড় মাস বয়সী শিশুকে একই বিছানায় জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।
তিনি জানান, বড় সন্তানটি দাদা আবদুল মজিদ হাওলাদারের সঙ্গে পাশের আরেকটি ঘরে ঘুমাত।
ওসি বলেন, কবির ও হালিমার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। তাদের বিছানায় একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়া গেছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “তাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”। চিরকুটটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান, ঘরটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাতে দম্পতি ও দেড় মাসের শিশু ছাড়া সেখানে আর কেউ ছিলেন না। সকালে তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে।