
বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (ডিজিএইচএস) জানায়, নতুন তিনজনের মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে।

সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর রোগ শনাক্তে এনএস১ পরীক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সুবিধা চলবে।

এর আগে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। যার মধ্যে ৪১৩ জন রোগী প্রাণ হারিয়েছিলেন।

বাংলাদেশের ওষুধ বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এবার ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে রক্তক্ষরণের আশঙ্কাও রয়েছে। সেজন্য আগে থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সরকার এবার চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যয় বহনের দায়িত্ব দিয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ৮০ শতাংশ ব্যয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বহন করবে। আর খাদ্য ওষুধসহ ২০ শতাংশ ব্যয় বহন করবে রোগী।

সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৩ জুনের মধ্যে জমা দেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদেরকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আসাদুজ্জামান আরও বলেন, এই ফিল্ড হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া হবে।

চলতি বছর সেপ্টেম্বরে মৃত্যু ছিল সর্বোচ্চ, ৭৬ জন। গবেষণা বলছে, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০৮০ সালে ২০০ কোটি বেশি মানুষ ডেঙ্গু ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

চলতি বছর সেপ্টেম্বরে মৃত্যু ছিল সর্বোচ্চ, ৭৬ জন। গবেষণা বলছে, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০৮০ সালে ২০০ কোটি বেশি মানুষ ডেঙ্গু ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯২ হাজার ৭৮৪ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯০ হাজার ২১৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৮১৯ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬ হাজার ২৬ জন, যার মধ্যে ৪৭ হাজার ৩৪৩ জন পুরুষ ও ২৮ হাজার ৬৮৩ জন নারী। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ শতাংশ নারী। মৃত্যুর ক্ষেত্রেও পুরুষের সংখ্যা বেশি।

চলতি অক্টোবর মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার আগে সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি অক্টোবর মাসে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার আগে সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।