চরচা ডেস্ক

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এডিস মশাবাহী রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও চারজন নারী। আর আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৬৩ জনই ঢাকার বাইরের। বর্তমানে দেশে মোট তিন হাজার ৩৩১ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, এর মধ্যে ঢাকাতেই এক হাজার ১৫৫ জন।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩০৭ জন, যাদের মধ্যে ১৬২ জন পুরুষ ও ১৪৫ জন নারী।
এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬ হাজার ২৬ জন, যার মধ্যে ৪৭ হাজার ৩৪৩ জন পুরুষ ও ২৮ হাজার ৬৮৩ জন নারী। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ শতাংশ নারী। মৃত্যুর ক্ষেত্রেও পুরুষের সংখ্যা বেশি।
গত বছর ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ বছর সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এডিস মশাবাহী রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও চারজন নারী। আর আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৬৩ জনই ঢাকার বাইরের। বর্তমানে দেশে মোট তিন হাজার ৩৩১ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, এর মধ্যে ঢাকাতেই এক হাজার ১৫৫ জন।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩০৭ জন, যাদের মধ্যে ১৬২ জন পুরুষ ও ১৪৫ জন নারী।
এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬ হাজার ২৬ জন, যার মধ্যে ৪৭ হাজার ৩৪৩ জন পুরুষ ও ২৮ হাজার ৬৮৩ জন নারী। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ শতাংশ নারী। মৃত্যুর ক্ষেত্রেও পুরুষের সংখ্যা বেশি।
গত বছর ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ বছর সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।