
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৮২ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে শুধু আগস্ট মাসেই মারা গেছে ২৮ জন।

দেশে হাম ও হামের উপসর্গজনিত কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২২৮টি শিশু। আজ রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায়

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৮৮০টি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনের বরাতে বার্তা সংস্থা ইউএনবি এসব তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর দেশে হামে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৫ জনে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় এই তিন শিশুর মৃত্যু ঘটে। সদ্য মারা যাওয়া তিনজনের বিষয়টিকে ‘সন

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটে গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এ বিভাগে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ জনে। একই সময়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১৫৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮১৬ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, হাসপাতালের আপিল নিষ্পত্তির জন্য গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে যে প্রতিবেদন দিয়েছে, তা ‘সন্তোষজনক হওয়ায়’ শর্ত সাপেক্ষে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে আবারও কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে হামের লক্ষণ নিয়ে সর্বমোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৬৭ জন ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরে গেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুসহ চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৪৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২২ জন। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১১টি শিশু।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭ শিশু হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গে নতুন রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ জন। এই সময়ে ৯৪১ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৫ শিশু।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন দুই মৃত্যুর একটি ঘটেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং অন্যটি খুলনা বিভাগে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (ডিজিএইচএস) জানায়, নতুন তিনজনের মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৯৬ জন। এই সময়ে ৭৪৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৮৪টি শিশু।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। পাশাপাশি হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪১ জন। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৫টি শিশু।