চরচা ডেস্ক

ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা ও ইউরোপের শিল্প সক্ষমতাকে একত্র করে যৌথ প্রকল্প গঠন এবং ড্রোন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউক্রেন একটি ‘ড্রোন চুক্তি’ সম্পন্ন করেছে বলে বুধবার জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের স্টেটহুড ডে (রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা দিবস) উপলক্ষে কিয়েভে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় ভন ডার লেন বলেন, “আমাদের নিজেদের শক্তিগুলোকে একত্র করতে হবে।”
তিনি বলেন, “এই চুক্তি ইউক্রেনের উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং ইউরোপের শিল্প উৎপাদন সক্ষমতাকে একসঙ্গে নিয়ে আসবে।”
এর আগে ইউক্রেন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পৃথকভাবে এ ধরনের একাধিক চুক্তি করেছে। গত সপ্তাহে আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আরও তিনটি চুক্তিতে সই করেন। তিনি তখন জানান, এর মাধ্যমে মোট চুক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয়টিতে।
তবে বুধবারের চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো ও তাদের কোম্পানিগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে করা প্রথম সমঝোতা।
জেলেনস্কিকে উদ্দেশ করে উরসুলা ভন ডার লেন বলেন, “ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে আপনারা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা সত্যিই অনন্য।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের একসঙ্গে এই জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। কারণ এই ক্ষেত্রে ইউরোপ যে হুমকির মুখোমুখি, তা আমরা জানি—ইইউর অনেক সদস্য দেশে আমরা অনুপ্রবেশের ঘটনা এবং সতর্কতা জারি হতে দেখেছি।”
উরসুলা ভন ডার লেন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে বিশাল প্রযুক্তিগত ও শিল্প সক্ষমতা এবং নিরাপদ ও সুরক্ষিত উৎপাদন অবকাঠামোর মতো সুবিধা দিতে পারে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার সময় দেশটির ড্রোন খাতে অভিজ্ঞতা সীমিত ছিল। তবে যুদ্ধের পর ইউক্রেন অত্যন্ত উন্নত একটি ড্রোন শিল্প গড়ে তুলেছে।
জেলেনস্কি ড্রোন উৎপাদনসংক্রান্ত চুক্তির প্রচারে বিভিন্ন দেশে সফর করেছেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে তিনি সক্রিয় ছিলেন। উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।

ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা ও ইউরোপের শিল্প সক্ষমতাকে একত্র করে যৌথ প্রকল্প গঠন এবং ড্রোন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউক্রেন একটি ‘ড্রোন চুক্তি’ সম্পন্ন করেছে বলে বুধবার জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের স্টেটহুড ডে (রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা দিবস) উপলক্ষে কিয়েভে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় ভন ডার লেন বলেন, “আমাদের নিজেদের শক্তিগুলোকে একত্র করতে হবে।”
তিনি বলেন, “এই চুক্তি ইউক্রেনের উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং ইউরোপের শিল্প উৎপাদন সক্ষমতাকে একসঙ্গে নিয়ে আসবে।”
এর আগে ইউক্রেন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পৃথকভাবে এ ধরনের একাধিক চুক্তি করেছে। গত সপ্তাহে আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আরও তিনটি চুক্তিতে সই করেন। তিনি তখন জানান, এর মাধ্যমে মোট চুক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয়টিতে।
তবে বুধবারের চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো ও তাদের কোম্পানিগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে করা প্রথম সমঝোতা।
জেলেনস্কিকে উদ্দেশ করে উরসুলা ভন ডার লেন বলেন, “ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে আপনারা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা সত্যিই অনন্য।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের একসঙ্গে এই জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। কারণ এই ক্ষেত্রে ইউরোপ যে হুমকির মুখোমুখি, তা আমরা জানি—ইইউর অনেক সদস্য দেশে আমরা অনুপ্রবেশের ঘটনা এবং সতর্কতা জারি হতে দেখেছি।”
উরসুলা ভন ডার লেন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে বিশাল প্রযুক্তিগত ও শিল্প সক্ষমতা এবং নিরাপদ ও সুরক্ষিত উৎপাদন অবকাঠামোর মতো সুবিধা দিতে পারে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার সময় দেশটির ড্রোন খাতে অভিজ্ঞতা সীমিত ছিল। তবে যুদ্ধের পর ইউক্রেন অত্যন্ত উন্নত একটি ড্রোন শিল্প গড়ে তুলেছে।
জেলেনস্কি ড্রোন উৎপাদনসংক্রান্ত চুক্তির প্রচারে বিভিন্ন দেশে সফর করেছেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে তিনি সক্রিয় ছিলেন। উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে।