
চীনের এআই মডেলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়াতে ওপেন-সোর্স বা ওপেন-ওয়েট এআই মডেলের ওপর থাকা বিধিনিষেধ কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শুধু প্রযুক্তির প্রতিযোগিতাই নয়, ভবিষ্যতে এটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শাসনব্যবস্থারও একটি বড় পরীক্ষা হবে। যে দেশ ভালো এআই মডেল তৈরি করতে পারবে এবং দ্রুত মানুষের কাজ ও ব্যবসাতে ব্যবহার করতে পারবে, সেই দেশই এগিয়ে থাকবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই হয়তো নতুন কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের জন্ম দেবে না, তবে এটি বিদ্যমান কৌশলগুলোকে আরও সস্তা, দ্রুত এবং সহজ করে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর ২০২৬ সালের জুলাইয়ের একটি প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য এটাই। এটি

বাংলাদেশের সামাজিক পরিসরে বিদ্বেষ বাড়ছে। লেখা বা বলায় ইচ্ছাকৃতভাবে কি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে? এর সাথে কি প্রযুক্তির উল্লম্ফন যুক্ত। বর্তমান সময়ের গতির সঙ্গে এখানকার মানুষ কি খাপ খাওয়াতে পারছে না? বাংলাদেশের সাহিত্য কেন বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিতে পারছে না? আমাদের এখানে কি ভালো অনুবাদক নেই?

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন এসার এসএ২৭২ইউ পি১ আলট্রা স্লিম মনিটর। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, অফিস, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, মাল্টিমিডিয়া এবং ক্যাজুয়াল গেমিং—সবারই কাজে লাগবে এই মনিটর। দাম কত, কী কী আছে এতে, সবই তারা জানিয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

সায়েন্স ফিকশান মুভি বা সিরিজে এমন দৃশ্য আপনি অনেক দেখেছেন। হয়তো ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ভয়ে আঁতকেও উঠেছেন। ঠিক তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে দিনকয়েক আগে। চ্যাটজিপিটি-র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই-এর এক এআই এজেন্ট প্রোগ্রাম নিজে নিজেই হাগিং ফেইস নামের অন্য এক টেক ফার্মে হ্যাক করেছে!

আমাদের অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষে এখনো শিক্ষক কথা বলেন, শিক্ষার্থীরা শোনে। পরীক্ষায় বইয়ের ভাষা যত নিখুঁতভাবে পুনরুৎপাদন করা যায়, তত বেশি নম্বর পাওয়া যায়। অথচ এআই তথ্য পুনরাবৃত্তিতে অনেক দ্রুত এবং দক্ষ। তাই যে শিক্ষা মুখস্থবিদ্যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেই শিক্ষা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

বিনা মূল্যে ব্যবহারকারীদের জন্য ভেরিফায়েড ব্যাজ আনতে যাচ্ছে ফেসবুক। মেটার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক পোস্টে আজ শুক্রবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এক নতুন এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল মোড়ে এসে পৌঁছেছে। চীনের উদীয়মান স্টার্টআপ ‘মুনশট এআই’ তাদের তৈরি নতুন এআই মডেল ‘কিমি কে৩’ উন্মোচন করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বহু অর্থায়নে পরিচালিত শীর্ষস্

এআইয়ের উত্থান, বিপুল করপোরেট নগদ অর্থ, সরকারি নীতির পরিবর্তন ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সুযোগে কয়েকটি বিশাল কোম্পানি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত আরও বড় হয়ে উঠছে।

এআই সিস্টেমটির সক্ষমতা ও প্রসেসিং পাওয়ারের পরিমাপ হিসেবে এতে ২.৮ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার যুক্ত করা হয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই মডেলটি ওপেন-সোর্স হিসেবে চালু হবে।

বাংলাদেশের জন্য এই প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের বড় ভিত্তি সস্তা শ্রমনির্ভর শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত।

এআই নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সি বলেন, এআই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ অবশ্যই মানুষের হাতেই থাকতে হবে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলোকে আগাম সতর্কতা ও জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে ইউক্রেন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পৃথকভাবে এ ধরনের একাধিক চুক্তি করেছে। তবে বুধবারের চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো ও তাদের কোম্পানিগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে করা প্রথম সমঝোতা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার বলেছেন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও যান্ত্রিকীকরণের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষিকে প্রথাগত ও শ্রমনির্ভর থেকে একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক খাতে রূপান্তর করতে সরকার একগুচ্ছ উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে

আর অন্যদিকে যে ধারাবাহিকভাবে একটি বাজে কাজ করেন, তাকে কোনো শাস্তি পেতে হয় না। এমনকি স্কুল-সমাপনী পরীক্ষার ব্যবস্থাটি যে নষ্ট করেছিলেন, তাকে কেবল কৃষি মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশের আইন ও অভিজ্ঞতা গভীরভাবে অধ্যয়ন ও পর্যালোচনার দায়িত্বও কমিটিকে দেওয়া হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা যায়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খুব দ্রুত বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু মানবসভ্যতা কি আদৌ এই ঝড়ের সাথে তাল মেলাতে প্রস্তুত? বিশ্বজুড়ে এআই-এর নিয়ন্ত্রণ কাঠামো, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং আইনি পরিকাঠামো এই প্রযুক্তির গতির কাছে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী খরচ বেড়ে যাওয়া ও তীব্র শ্রমিক সংকট সামাল দিতে দ্রুততার সঙ্গে বাড়ছে মানুষবিহীন দোকান। কফি শপ থেকে শুরু করে রামেন রেস্তোরাঁ— সবখানেই এখন রাজত্ব করছে রোবট আর সেলফ-সার্ভিস প্রযুক্তি। রোবোটিক্সের এই জয়জয়কার এবং ক্রেতাদের সততার ওপর ভর করে গড়ে ওঠা এক নতুন ব্যবসায়িক মডেলের গল্প এটি।

ঢাকায় খুলেছে জাপানের শতবর্ষী রিটেইল জায়ান্ট ‘কিনোকুনিয়া’র আউটলেট। উত্তরায় সেন্টার পয়েন্টের নিচতলায় ৫ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে এই বইয়ের দোকান। সাহিত্য, ইতিহাস, শিল্পকলা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিশুসাহিত্যসহ নানা বিভাগে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার বই।