Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

নতুন বৈশ্বিক এআই ব্যবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কী বার্তা দিলেন সি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ১৩: ০৩
নতুন বৈশ্বিক এআই ব্যবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কী বার্তা দিলেন সি?

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বেইজিংকে নতুন বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থার নেতৃত্বদাতা হিসেবে তুলে ধরেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শুক্রবার সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত চীনের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি সম্মেলনে তিনি ওপেন-সোর্স প্রযুক্তির পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন এবং দ্রুত বিকাশমান এ খাতের নিয়ম-কানুন নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ জানান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

সাংহাইয়ে ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কনফারেন্সে (ডব্লিউএআইসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে সি দেশগুলোকে ওপেন-সোর্স এআইয়ের ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন এবং প্রযুক্তিতে অসম প্রবেশাধিকারের কারণে যেন ‘নতুন ধরনের ঐতিহাসিক অবিচার’ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক এআই শাসনব্যবস্থা গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা এ বক্তব্যে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। সি চীনের ওপেন-সোর্স এআই মডেলকে বৈশ্বিক জনসম্পদ হিসেবে তুলে ধরেন এবং প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বেইজিংকে ওয়াশিংটনের বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করেন।

বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও বিদ্যুতের আবিষ্কারের সঙ্গে এআইয়ের গুরুত্বের তুলনা করে সি বলেন, চীন ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর দেশগুলোর সঙ্গে এআই প্রযুক্তি ও দক্ষতা ভাগাভাগি করবে এবং একই সঙ্গে উদীয়মান এ প্রযুক্তির জন্য বৈশ্বিক মানদণ্ড প্রণয়নে নেতৃত্ব দেবে।

যদিও তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেননি, তবে তার বক্তব্যে চীনের এআই জোটকে যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন ‘প্যাক্স সিলিকা’ উদ্যোগের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরা হয়। এ উদ্যোগের লক্ষ্য বৈশ্বিক এআই ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খলকে নিরাপদ করা।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সাম্প্রতিক সময়ে বেইজিংয়ের এআই কৌশলকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা কথিত ‘এআই আয়রন কার্টেন’-এর জবাব হিসেবে তুলে ধরছে।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির সহযোগী জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ইউইউয়ান তানতিয়ান এক মন্তব্যে জানায়, চীন ‘মানবজাতি ও সব দেশের সম্মিলিত শক্তি’ দিয়ে একটি উন্মুক্ত ও সর্বসমন্বিত এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে ‘আরেকটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র–চীন–রাশিয়া চায় আর্কটিকের দখল নিতে, কে জিতবে?geopolitics

ডব্লিউএআইসি সম্মেলনে এআই খাতের পরিবর্তিত চিত্রও স্পষ্ট হয়েছে। চীনের ওপেন-ওয়েট এআই মডেলগুলো দ্রুতই ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের মতো আমেরিকান প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন মডেলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আসছে।

বেইজিংভিত্তিক স্টার্টআপ মুনশট এআই শুক্রবার কিমি কে৩ নামে একটি নতুন এআই মডেল উন্মোচন করেছে, যাকে তারা প্যারামিটারের সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওপেন এআই মডেল বলে দাবি করছে। এর এক মাস আগে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকার অ্যানথ্রপিকের সর্বাধুনিক এআই মডেলগুলোর ব্যবহার হঠাৎ প্রত্যাহার করে।

চলতি মাসের শুরুতে রয়টার্স জানায়, চীন তার শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি এআই মডেলে বিদেশি ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এতে একদিকে ওপেন-সোর্স এআইয়ের প্রচার এবং অন্যদিকে কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা নীতির মধ্যে ক্রমবর্ধমান টানাপোড়েনের ইঙ্গিত মিলছে।

এআই নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সি বলেন, এআই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ অবশ্যই মানুষের হাতেই থাকতে হবে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলোকে আগাম সতর্কতা ও জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্থা যেন মানুষের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে যেতে না পারে, সে জন্য নিয়ন্ত্রণ হারানোর সম্ভাবনা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে চীন’

সি জানান, চীন ব্রিকস, আসিয়ান, লাতিন আমেরিকা এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের দেশগুলোর সঙ্গে এআই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং এআই সহযোগিতা কেন্দ্র গড়ে তুলবে। এর মাধ্যমে ‘গ্লোবাল সাউথ’-এ চীনের বিদ্যমান প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

তার এ বক্তব্য আসে চীনের উদ্যোগে গঠিত ওয়ার্ল্ড এআই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএআইসিও) চালুর একদিন পর। ইতিমধ্যে ২৯টি দেশ এ সংগঠনের সদস্য হয়েছে। সি একে ‘বিশ্বের এআই উন্নয়নের ইতিহাসে একটি মাইলফলক’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এ সংগঠন বৈশ্বিক এআই শাসনব্যবস্থায় আরও বেশি অংশগ্রহণের জন্য গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর দাবির প্রতিফলন।

ইরান যুদ্ধ কি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন তৈরি করছে?trump & xi

বিশ্লেষকদের মতে, এ সময়ে সির বক্তব্য শুধু একটি নীতিগত ভাষণ নয়; বরং এটি চীনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে একটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করার বার্তা।

আঙ্কুরা চায়না অ্যাডভাইজার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলফ্রেডো মন্টুফার-হেলু বলেন, “বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তির নেতা, যে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যেও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ধরে রেখেছে, তিনি এখন এআই নিয়ে চীনের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে তুলে ধরছেন।”

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়াশিংটনের নেতৃত্বাধীন প্রযুক্তিগত জোটের প্রভাবে পরিচালিত এ খাতে চীন ‘নিয়ম মেনে চলা’ পক্ষ হিসেবে থাকতে চায় না।

দ্য এশিয়া গ্রুপের ডিজিটাল কার্যক্রমের প্রধান জর্জ চেন বলেন, “সির বার্তা স্পষ্ট—এআই প্রযুক্তি ও মানদণ্ড, কোনো ক্ষেত্রেই চীন অন্য কাউকে অনুসরণ করবে না। বরং উভয় ক্ষেত্রেই বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে।”

এআই নিয়ে দুই পরাশক্তির ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি

১৭ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে ওয়াশিংটন ও বেইজিং প্রথমবারের মতো সরকার পর্যায়ে এআই সংলাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এআই সংলাপে দুই দেশ ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেন, অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ উদ্ভাবনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। অন্যদিকে, চীন তুলনামূলক কম খরচের ওপেন-সোর্স এআই মডেলকে বৈশ্বিক বৈষম্য কমানোর কার্যকর উপায় হিসেবে তুলে ধরে।

যুক্তরাষ্ট্রের এআই অপরচুনিটি স্টেটমেন্টে এখন পর্যন্ত ৩৫টি দেশ সমর্থন দিয়েছে। অন্যদিকে চীন-নেতৃত্বাধীন ডব্লিউএআইসিওতে সদস্য হয়েছে ২৯টি দেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি জানান, কাজাখস্তানই একমাত্র দেশ, যারা উভয় উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। তার মতে, সদস্যপদের এই সীমিত মিল দেখায় যে, ওয়াশিংটনের কাঠামোর সঙ্গে থাকা অধিকাংশ দেশ এখনো বেইজিংয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী উদ্যোগকে সমর্থন করেনি।

চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ডব্লিউএআইসি সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ত তোকায়েভ এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলও অংশ নিচ্ছেন।

বিষয়: কাজাখস্তানপ্রযুক্তিএআইথাইল্যান্ডযুক্তরাষ্ট্রঅ্যান্তোনিও গুতেরেসচীনএশিয়া
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড