নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি)সহ চট্টগ্রাম বন্দরের যেকোনো স্থাপনা ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে প্রতীকী গণঅনশন পালন করছে বন্দর রক্ষা কমিটি।
আজ শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে শুরু হওয়া কর্মসূচি থেকে এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। প্রতীকী এই গণঅনশন কর্মসূচি বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর দেশের সম্পদ। এ সম্পদের মালিকানা জনগণের থাকবে। আর সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। সরকার জনগণের পক্ষেই থাকবে।”
দেলোয়ার মজুমদার বলেন, “আমাদের লড়াই হচ্ছে সরকারকে জনগণের পক্ষে আনার জন্য। স্বাধীনতার পর থেকে দেশের সম্পদ লুণ্ঠনের উদ্দেশ্যে বহুজাতিক কোম্পানি ও সাম্রাজ্যবাদী পুঁজিবাদী গোষ্ঠী দেশে কিছু অনুচর সৃষ্টি করেছে। অতীতেও আমরা ধারাবাহিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসএসএ পোর্টের মতো ভুয়া প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছি। দেশের মানুষ কখনোই আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়নি। আর যদি সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে জনগণই এ লড়াইয়ে জয়ী হবে।”
প্রতীকী অনশনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। এই বন্দর যদি বিদেশিদের হাতে চলে যায়, তাহলে আমরা অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে পড়ব। এতে দেশ ও জনগণের ক্ষতি হবে। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন।”
কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি কমরেড অশোক সাহা, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম এবং বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।