
এবারের হামলাটি হয়েছে পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ অঞ্চলে, যার সীমান্ত ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে একটি ‘বৈশ্বিক হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ট্রাম্প জানান যে, তেলসমৃদ্ধ দেশটির শাসনব্যবস্থা তদারকি করার ইচ্ছা ওয়াশিংটনের রয়েছে। মার্কিন এই সামরিক অভিযান ডেনমার্কের মনে নতুন করে শঙ্কা জাগিয়েছে যে, ডেনিশ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকেও হয়তো একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে।

পুতিন বারবার তাদের এই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছেন যে, ন্যাটোর উপর আক্রমণ করার কোনো পরিকল্পনা তার নেই এবং তার মতে ন্যাটোর প্রচলিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিপরীতে রাশিয়ার জন্য এমন পদক্ষেপ বোকামি হবে।

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্রসহ ন্যাটোর প্রায় সব প্রচলিত সামরিক দায়িত্ব ইউরোপের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে এই সময়সীমা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন অনেক ইউরোপীয় কর্মকর

আমেরিকা দেশে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আদতে গণতন্ত্রের পথ কি? ইরান ও ফিলিস্তিন আমেরিকার সঙ্গে বিরোধ করে কীসের জোরে টিকে আছে? বিশ্ব রাজনীতির নানা সমীকরণের সঙ্গে আছে ডিডলারাইজেশনের মতো বিষয়ও। একদিকে চীনের নেতৃত্বাধীন ব্রিকস, অন্যদিকে আছে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন কোয়াড, ন্যাটো।

মনে হচ্ছে, জেলেনস্কি অনেক কিছু ভুলে গেছেন এবং কিছুই শিখতে পারেননি। তিনি ভুলে গেছেন যে তার দেশ একবার ন্যাটোর সদস্যপদ সংক্রান্ত ভঙ্গুর এবং অতি প্রশংসাপূর্ণ পশ্চিমা প্রতিশ্রুতির স্বাদ পেয়েছে এবং সেটি কীভাবে শেষ হয়েছে।

তারা চাইলে আগামীকাল শনিবারই এই হামলা চালাতে পারবে। তবে সেটা হয়তো স্বল্প পরিসরের হামলা হবে। এমন আভাসই দিয়েছেন জার্মানির সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আলেক্সান্ডার সোলফ্রাঙ্ক।

ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় সমর্থন করবে কিনা এমন প্রশ্নে অ্যাডমিরাল জিউসেপ জানান, দেশগুলো প্রস্তুত এবং তারা এক ধরনের সতর্কবার্তা পেয়েছে।