
ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম
অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

মাছে-ভাতে বাঙালি আমরা। পাতে এক টুকরো ইলিশ বা রুই পেলেই যে সুখ। কিন্তু গলায় একটা ছোট্ট কাঁটা বিঁধলে সেই সুখ নিমেষেই মাটি! আধা সেন্টিমিটারের একটা ছোট্ট কাঁটা কী তুলকালামই না করতে পারে! এমনকি এ জন্য যেতে হতে পারে হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতেও।
সাধারণত রুই, ইলিশ, তেলাপিয়া, টেংরা, ছোট পুঁটি-টাকির কাঁটাগুলোই বেশি খলনায়কের ভূমিকা নেয়। কাঁটা সবচেয়ে বেশি আটকায় গলার মধ্যে, জিবের গোড়ায় কিংবা গলবিলে।
সাধারণত গলায় কাঁটা বিঁধলে তা ১ বা ২ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। এমনকি ১ সপ্তাহও হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ মাস গলায় কাঁটা আটকে থাকার রেকর্ড আছে।
প্রখ্যাত গবেষণা সংস্থা ‘উইলি’র মতে, সবচেয়ে বেশি কাঁটা আটকায় ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে। পড়াশোনা, ক্যারিয়ার আর চাকুরির তাড়াহুড়োয় মনোযোগহীনভাবে দ্রুত গিলতে গিয়েই এই বিপত্তি ঘটে। এ ছাড়া শিশু, বয়স্ক, নকল দাঁত ব্যবহারকারী এবং স্নায়বিক রোগ বা মাংসপেশির দুর্বলতায় ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকিটা অনেক বেশি।
কী করবেন?
গলায় কাঁটা বিঁধলে আমরা অনেকেই অদ্ভুত সব কাণ্ড করে বসি। ছোটবেলায় এমন পরিস্থিতিতে একটা কথা খুব শোনা যেত। গলায় কাঁটা আটকালে বিড়ালের পা ধরে মাফ চাইতে হয় নাকি। এগুলো যে কুসংস্কার, তা এখন কারো অজানা নয়। এর বদলে কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি মেনে চললে এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

ভুলেও যা করা যাবে না
গলায় কাঁটা বিঁধলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে সবার আগে গলার ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে বেশি হাতাহাতি শুরু করে দেন। এটা কোনোভাবেই করা যাবে না। এতে বিপদ আরও বাড়তে পারে। গলায় আঙুলের খোঁচায় কাঁটা আরও বাজেভাবে আটকে যেতে পারে। তখন সেখান থেকে হতে পারে ইনফেকশন।
আবার অনেকে আছেন কবিরাজ বা ঝাড়ফুঁকের পেছনে দৌড়ে সময় নষ্ট করেন। ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো কাজ না করলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?
রাতটা পার হোক, সকালে ডাক্তার দেখাব–এমন অলসতা কিন্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে। ঘরোয়া টোটকায় কাজ না হলে এবং নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে সোজা হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে ছুটুন:
মাছ খাওয়ার আনন্দ যেন হাসপাতালের বেডে গিয়ে শেষ না হয়, তাই তাড়াহুড়ো না করে একটু চিবিয়ে, মন দিয়ে মাছ খান। কারণ সাবধানতার কোনো মার নেই।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ

মাইক্রোম্যানেজমেন্ট কর্মীদের মনে বার্তা দেয় যে তাদের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না, যা তাদের আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরায়। স্বাধীন চিন্তার সুযোগ না থাকায় কর্মক্ষেত্রে ‘আইডিয়া ভ্যাকিউম’ তৈরি হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কাজের গতি ধীর হয়ে যায়।