চরচা প্রতিবেদক

নবম উইকেটে জিম্বাবুয়ে দারুণ একটা জুটি গড়ায় স্কোরটা পার হয়েছিল একশ। তবুও যে মামুলি টার্গেট ছিল বাংলাদেশের সামনে, তাতে হেরে যাওয়াটাই কঠিন কাজ। অবিশ্বাস্যভাবে মেহেদি হাসান মিরাজের দল সেটাই করল। ব্যাটিং ব্যর্থতার ভয়াবহ এক প্রদর্শনীতে প্রথম ওয়ানডেতে ২৫ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হারারেতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল স্রেফ ১৪২ রান। তবে ৩৩.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে সফরকারীরা করতে পারে ১১৬ রান।
দ্বিতীয় ওভারে একটি চার মারার পরই ব্লেসিং মুজারাবানির বলে নিউম্যান নিয়ামহুরি দারুণ এক ক্যাচে বিদায় নেন তানজিদ হাসান (৮)। নেই রানের চাপ, তবুও ক্রিজে গিয়ে অহেতুক বড় শট খেলতে গিয়ে উইকেট উপহার দিয়ে আসেন নাজমুল হোসেন (৩)।
এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগে বাজে শট খেলে আউট হন অভিজ্ঞ সৌম্য সরকারও। মাত্র ১৭ রানেই বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। চাপ সামাল দিতে ডট বল খেলার দিকে মনোযোগী হন তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান।
ব্র্যাড ইভান্সকে ছক্কা মেরে সোহান কিছুটা আগ্রাসনের আভাস দেন। তবে জিম্বাবুয়ে পেসারদের বাউন্স, সুইংয়ের সামনে প্রতিটি রানের জন্যই সংগ্রাম করতে হচ্ছিল তাদের। টানা দুই ওভার মেডেন তারই প্রমাণ।
১৬তম ওভারে দলীয় ফিফটি হয় বাংলাদেশের। নিয়ামহুরির লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারিতে কাট করতে গিয়ে ক্যাচ দেন তাওহীদ (২৫)। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ দিয়ে ওয়ানডে দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন দারুণ ফর্মে থেকেই নেমেছিলেন। তবে অন্যদের হতাশার দিনে তিনিও দলকে বিপদে ফেলে আউট হন ৩ রানে।
নুরুল একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন বটে, তবে তার ব্যাটে ছিল আস্থার অভাব। প্রায় প্রতি ওভারেই এমন কিছু শট খেলেছেন, যা তাকে সমস্যায় ফেলেছে। বিশের বেশি রান করেও ক্রিজে ছটফট করে গেছেন।
অধিনায়ক মিরাজের সামনে সুযোগ ছিল দলের হাল ধরার। তবে তিনিও পারেননি। রিচার্ড এনগারাভার শিকার হওয়ার আগে করতে পারেন মোটে ১০ রান। দলকে চূড়ান্ত চাপে ফেলে নুরুলও খানিক বাদে ফেরেন ৩১ রানে।
১০৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর জিম্বাবুয়ের জয় পাওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এর আগে বল হাতে অবশ্য পেসাররা তাদের কাজটা সর্বোচ্চ ভালোভাবেই করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ওয়ানডে বোলিং ফিগার উপহার দেন নাহিদ রানা। তার গতির সামনে কোনো উত্তরই ছিল না জিম্বাবুয়ে ব্যাটাসম্যানদের। তরুণ এই পেসার স্পেল শেষ করেন মাত্র ২১ রানে ৬ উইকেটে।
সঙ্গে অন্য বোলারদের অবদানে এক পর্যায়ে আশা জেগেছিল একশ রানে কমেই বেধে ফেলার। তবে নিয়ামহুরি ও এনগারাভার ৬৩ রানের মহামূল্যবান জুটি শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।

নবম উইকেটে জিম্বাবুয়ে দারুণ একটা জুটি গড়ায় স্কোরটা পার হয়েছিল একশ। তবুও যে মামুলি টার্গেট ছিল বাংলাদেশের সামনে, তাতে হেরে যাওয়াটাই কঠিন কাজ। অবিশ্বাস্যভাবে মেহেদি হাসান মিরাজের দল সেটাই করল। ব্যাটিং ব্যর্থতার ভয়াবহ এক প্রদর্শনীতে প্রথম ওয়ানডেতে ২৫ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হারারেতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল স্রেফ ১৪২ রান। তবে ৩৩.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে সফরকারীরা করতে পারে ১১৬ রান।
দ্বিতীয় ওভারে একটি চার মারার পরই ব্লেসিং মুজারাবানির বলে নিউম্যান নিয়ামহুরি দারুণ এক ক্যাচে বিদায় নেন তানজিদ হাসান (৮)। নেই রানের চাপ, তবুও ক্রিজে গিয়ে অহেতুক বড় শট খেলতে গিয়ে উইকেট উপহার দিয়ে আসেন নাজমুল হোসেন (৩)।
এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগে বাজে শট খেলে আউট হন অভিজ্ঞ সৌম্য সরকারও। মাত্র ১৭ রানেই বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। চাপ সামাল দিতে ডট বল খেলার দিকে মনোযোগী হন তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান।
ব্র্যাড ইভান্সকে ছক্কা মেরে সোহান কিছুটা আগ্রাসনের আভাস দেন। তবে জিম্বাবুয়ে পেসারদের বাউন্স, সুইংয়ের সামনে প্রতিটি রানের জন্যই সংগ্রাম করতে হচ্ছিল তাদের। টানা দুই ওভার মেডেন তারই প্রমাণ।
১৬তম ওভারে দলীয় ফিফটি হয় বাংলাদেশের। নিয়ামহুরির লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারিতে কাট করতে গিয়ে ক্যাচ দেন তাওহীদ (২৫)। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ দিয়ে ওয়ানডে দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন দারুণ ফর্মে থেকেই নেমেছিলেন। তবে অন্যদের হতাশার দিনে তিনিও দলকে বিপদে ফেলে আউট হন ৩ রানে।
নুরুল একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন বটে, তবে তার ব্যাটে ছিল আস্থার অভাব। প্রায় প্রতি ওভারেই এমন কিছু শট খেলেছেন, যা তাকে সমস্যায় ফেলেছে। বিশের বেশি রান করেও ক্রিজে ছটফট করে গেছেন।
অধিনায়ক মিরাজের সামনে সুযোগ ছিল দলের হাল ধরার। তবে তিনিও পারেননি। রিচার্ড এনগারাভার শিকার হওয়ার আগে করতে পারেন মোটে ১০ রান। দলকে চূড়ান্ত চাপে ফেলে নুরুলও খানিক বাদে ফেরেন ৩১ রানে।
১০৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর জিম্বাবুয়ের জয় পাওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এর আগে বল হাতে অবশ্য পেসাররা তাদের কাজটা সর্বোচ্চ ভালোভাবেই করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ওয়ানডে বোলিং ফিগার উপহার দেন নাহিদ রানা। তার গতির সামনে কোনো উত্তরই ছিল না জিম্বাবুয়ে ব্যাটাসম্যানদের। তরুণ এই পেসার স্পেল শেষ করেন মাত্র ২১ রানে ৬ উইকেটে।
সঙ্গে অন্য বোলারদের অবদানে এক পর্যায়ে আশা জেগেছিল একশ রানে কমেই বেধে ফেলার। তবে নিয়ামহুরি ও এনগারাভার ৬৩ রানের মহামূল্যবান জুটি শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।