
৮তম ওভারে পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে নাহিদ আশা জাগিয়েছিলেন ১৬০ রানের মধ্যে আটকে দেওয়ার। তবে শেষ ওভারে তিনি নিজেই খরুচে বোলিং করে দেন ১৮ রান।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২০০ রানের টার্গেট দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ৭ উইকেট ও ৮৪ বল হাতে রেখেই জিতেছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল। তবে সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে, ২-১ ব্যবধানে।

সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ে অলআউট হওয়ার আগে করেছে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রান। প্রথম দুই ম্যাচে রান তাড়ায় যথাক্রমে ১৪২ ও ২৪৮ রান করতে ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশ।

তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৪৮ রান তাড়া করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে গেছে ২৩৪ রানে। জিম্বাবুয়ের লিড ২-০ ব্যবধানে।

৪৬তম ওভারে তাসকিনকে চার মেরে কারান পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি। তবে শেষের ঝড়টা তোলেন মূলত ব্র্যাড ইভান্স। তাসকিনের করা ইনিংসের শেষ ওভারে ৩ ছক্কা ও এক চারে আদায় করেন ২২ রান। তাতে প্রায় আড়াইশ ছুঁইছুঁই স্কোর পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

প্রথম ওয়ানডেতে হারারেতে বাংলাদেশের টার্গেট ছিল স্রেফ ১৪২ রান। তবে ৩৩.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে সফরকারীরা করতে পারে ১১৬ রান।

হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নাহিদের ক্যারিয়ার সেরা স্পেলে ৩৬.৪ ওভারে মাত্র ১৪১ রানেই গুটিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

পাকিস্তানকে বলা হয় ক্রিকেটের ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দল। তবে বাংলাদেশ সেই তকমা নিজেদের করে নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই যেন করে যাচ্ছে। সেই ধারায় সদ্যই পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করা নাজমুল হোসেনের দল জিম্বাবুয়ের কাছে টেস্টে হারলেন ইনিংস ব্যবধানে, তাও মাত্র তিন দিনেই!

বাংলাদেশের মাত্র ১৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে ৩৫০ করে লিড নিয়েছে ২১০ রানের।

১ উইকেটে ১৩৬ রান দিয়ে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল হক বলেছিলেন, লিড ১০০ রানের মধ্যে রাখতে চান তারা। তবে সফরকারীদের হতাশ করে দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতির আগপর্যন্ত জিম্বাবুয়ের রান ২ উইকেটে ২৪৯, লিড ১০৯ রানের।