ads

ফের লেজের ব্যাটসম্যানরাই ভোগাল বাংলাদেশকে

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ফের লেজের ব্যাটসম্যানরাই ভোগাল বাংলাদেশকে

টানা তিন ম্যাচে একই ঘটনার যখন পুনরাবৃত্তি যখন হয়, তখন সেখানে দলীয় পরিকল্পনার ভুলই ফুটে ওঠে। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতায় ফের বাংলাদেশের বোলাররা ব্যর্থ হলেন জিম্বাবুয়ের টেলএন্ডারদের সামনে। বোলার ব্র্যাড ইভান্স পরপর দুই ম্যাচে করলেন ফিফটি। বাগে পেয়েও স্বাগতিকদের অল্প রানে আটকে রাখাও তাই হলো না।

সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ে অলআউট হওয়ার আগে করেছে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রান। প্রথম দুই ম্যাচে রান তাড়ায় যথাক্রমে ১৪২ ও ২৪৮ রান করতে ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশ।

সেই টেস্ট সিরিজ থেকে বাংলাদেশের ভোগান্তির কারণ হয়ে থাকা বেন কারান এদিন সুবিধা করতে পারেননি। আগের ম্যাচে অপরাজিত সেঞ্চুরি করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে মাত্র ২ রানে বোল্ড করেন শরীফুল ইসলাম।

প্রথম দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতায় নতুন বলে তাসকিন আহমেদ আরও একবার দারুণ স্পেল উপহার দেন। ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দেন ব্রায়ান ব্রেনেট (৬)। রানের জন্য রীতিমত ধুঁকতে থাকা ক্রেইগ এরভিনকে এরপর ফিরিয়ে দেন শরীফুল।

জিম্বাবুয়েকে আরও চাপে ফেলার সুযোগ তৈরি করেছিলেন তানভীর ইসলাম। তবে ৬ রানে থাকা অবস্থায় ওয়েসলি মাধেভেরের ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দেওয়া সহজ ক্যাচ ফেলে দেন রিশাদ হোসেন। এর চড়া মাশুলই পরে গুনতে হয় দলকে।

তানভীরের বলেই এরপর ইনোসেন্ট কাইয়াকে আউটের সুযোগও নষ্ট হয় নুরুল হাসান সোহানের ভুলে। স্ট্যাম্পিং মিস করেন অভিজ্ঞ এই কিপার। তবে এক ওভার বাদেই ইনোসেন্টকে (২৩) রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফেরান তাসকিন।

দ্রুতই আরও দুই উইকেটে হারিয়ে এক পর্যায়ে জিম্বাবুয়ের রান দাঁড়ায় ৬ উইকেটে মাত্র ১০৮। তবে প্রথম ওয়ানডেতে ৭০ রানে ৮ উইকেট এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪৮ রানে ৬ উইকেট থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দলটি। আর তাই বাংলাদেশের বোলারদের দরকার ছিল চাপ অব্যাহত রাখা।

৭৪ বলে ৭৫ করা মাধেভেরে ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাকে থামান সেই তানভীরই। তবে ইভান্স জিম্বাবুয়েকে লড়াই করার মত একটা স্কোর এনে দেন। মাত্র ৪৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন এই পেসার, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি।

৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন শরীফুল।

সম্পর্কিত