
মাকাইয়ের উইকেট নাকি আরও বেশি ফাস্ট বোলিং–বান্ধব। দ্বিতীয় টেস্টের আগে বাংলাদেশ ম্যানেজমেন্টের ভাবনা সেই ফাস্ট বোলিং কন্ডিশনকে ভালোভাবে ব্যবহার করা। এখন সেটা করতে গেলে ডারউইনের উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে হবে। সেটা কী বাংলাদেশ করবে? বাংলাদেশ একাদশে কী একজন বাড়তি পেসার থাকবেন?

বাংলাদেশ যদি ম্যাকাইতে দ্বিতীয় টেস্ট জিততে পারে, তাহলে তারা অস্ট্রেলিয়াকে এমন এক লজ্জায় ফেলতে পারবে, যে লজ্জায় অস্ট্রেলিয়া নিজেদের দেশে গত ১৩৯ বছর পড়েনি।

শুরু থেকেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে যা বলে এসেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, সেটা এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই জানালেন। চলতি বছর বিপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা নেই বিসিবির। সময় নিয়ে স্বচ্ছভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। বিসিবি সভাপতি নির্ব

বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের আত্মপর্যালোচনা নিয়ে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তিন ফাস্ট বোলার ডেমিয়েন ফ্লেমিং, গ্লেন ম্যাকগ্রা ও জেসন গিলেস্পি তাদের পডকাস্ট শো ‘দ্য ফাস্ট বোলিং কার্টেল’-এ বাংলাদেশের অসাধারণ পারফরম্যান্স আর টেস্টে অস্ট্রেলিয়ান দলের ভুলভ্রান্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

টি-টোয়েন্টির এই যুগে ক্রিকেটারদের টেস্টের প্রতি আকর্ষণ বজায় রাখতে এটি ছিল মাস্টারস্ট্রোক। এই কারণেই বাংলাদেশের টেস্ট দলের অংশ হতে চান সবাই। টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করার পূর্বশর্ত একটা টেস্ট সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট জয়কে টেস্ট ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ও মহাকাব্যিক অধ্যায় বলছেন সাবেক ইংলিশ টেস্ট অধিনায়ক মাইকেল আথারটন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান’ পত্রিকায় লেখা এক কলামে বলেছেন, এই জয়ে বাংলাদেশ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সব দর্প, অহম ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের একজন সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে পরিচিত হার্শা ভোগলে। ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজের সুবাদে কাছ থেকে দেখেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। তিনি সাক্ষী এমন কিছু ম্যাচের, যেখানে জেতার অবস্থান থেকেও হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়া

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এখন পর্যন্ত টেস্ট খেলেছেন ইতিহাসের সেরা সব স্পিনাররা। তাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যারা দেশটিতে ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখাই পাননি। এদের মধ্যে আছেন মুত্তিয়া মুরালিধরন, রবিচন্দ্রন অশ্বিনরা। আর বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ সেখানে নিজের প্রথম ম্যাচেই ৫ উইকেটের কীর্তি গড়ে ফেলেছেন।

টেস্টে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা অধিনায়ক হয়েছেন আগেই। নেতৃত্ব দিয়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে। এর আগে সাক্ষী হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়েরও। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুলের কাছে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয়ই সবচেয়ে বড়।

২০০০ সালের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর অনেক স্মরণীয় মুহূর্তই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল উপহার দিয়েছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে উড়িয়ে দিয়ে জেতাটাকেই সবার ওপরে রাখতে হবে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে ৯ উইকেটে হারানোর এই দিনটি—১৬ আগস্ট ২০২৬!

অস্ট্রেলিয়ান সামারের শুরুতে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ বলেই হয়ত কিছুটা গা-ছাড়া ভাব ছিল অস্ট্রেলিয়ার। মাঠের ক্রিকেটে সেই সুযোগ লুফে নিতে ভুল করেনি নাজমুল হোসেনের দল। চার দিন ধরে প্রতিপক্ষের ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে তুলে নিয়েছে অবিশ্বাস্য এক জয়।

অস্ট্রেলিয়ার মতো এমন আর কেউ করেনি বাংলাদেশের সঙ্গে। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর টেস্ট খেলা সব দেশেই কমবেশি সফর করেছে বাংলাদেশ। পারফরম্যান্স যা–ই হোক, অতিথ্যে কোনো কার্পণ্য ছিল না কারওরই। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া কেন যেন বাংলাদেশের ব্যাপারে আতিথেয়তার ধার ধারতে চায়নি কখনোই। ২০০৩ সালে একবার নিজে

প্রথম দিনে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় দুইশ রানের আগেই শেষ হয়েছিল প্রথম ইনিংস। আর দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও পারেননি জ্বলে উঠতে। বিশাল লিড নিয়ে চালকের আসনে চলে গেছে বাংলাদেশ। তবে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক রিকি পন্টিং এখনো সফরকারীদের জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন না। তার মতে, প্যাট কামিন্সের দলই

অস্ট্রেলিয়াকে চলমান টেস্টে যেভাবে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ, অন্য অনেক দল হলে নিশ্চিতভাবেই জয়ের লড়াইয়ে তাদেরই এগিয়ে রাখা হত। তবে অতীতে অনেকবার এমন অবস্থান থেকেও বাংলাদেশের হারের ঘটনা রয়েছে বলেই আশাবাদী হওয়াটাও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে যখন ফিরে আসছে ২০ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই এক হতাশাজনক হ

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান করা কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা একবার বলেছিলেন, সেঞ্চুরি করার পর তিনি আবার জিরো বা শূন্য থেকে শুরু করেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনন্তকালের এক আক্ষেপ, শতক করেই ব্যাটসম্যানদের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি করেই তানজিদ হাসান

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের শুরুর দিনটা দারুণ কেটেছে বাংলাদেশের। গতির দাপটে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ১৯৮ রানেই। পেসার হাসান মাহমুদ নিয়েছেন ৬ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস শেষে অ্যাডাম গিলক্রিস্টের মুখোমুখি হয়েছিলেন হাসান। ডারউইন টেস্টে ধারাভাষ্যের দায়িত্ব পালন করা অস্ট্রেলিয়া

২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশকে টেস্ট খেলতে হয়েছিল অখ্যাত দুই ভেন্যুতে। ২৩ বছর পর আরেকটি সফরেও নাজমুল হোসেনের দল খেলতে পারবে না সিডনি, মেলবোর্ন বা পার্থের মত বিখ্যাত ভেন্যুগুলোতে। বারবার শুধু বাংলাদেশকেই এই অবহেলা করে আসছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। দায়টা কার?

২০০৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দল যখন প্রথমবার অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল, তখন সেটিকে বিবেচনা করা হচ্ছিল ডেভিড ও গোলিয়াথের লড়াই হিসেবে। বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলে তখন তারকার হাট, আর টেস্ট ক্রিকেটে হাঁটি হাঁটি পা করা বাংলাদেশ লাল বলের ক্রিকেটে শিক্ষানবিশ এক দল। সিরিজ শুরুর আগে ক্রিকেট দুনিয়ায় তোলপাড়

এক মাস আগেও জাতীয় দলে সাকিব আল হাসানের জায়গা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর হরহামেশাই দিতে হতো নির্বাচকদের। ২০২৭ বিশ্বকাপের ভাবনায় তাকে রাখা উচিত, এমন আলোচনাও বাতাসে ভেসেছে। তবে দিল্লিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এক সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি হাজির হয়ে ক্রিকেটার আর রাজনীতিবিদ সাকিব

অস্ট্রেলিয়া কেন বাংলাদেশকে টেস্ট খেলতে ডাকে না! দুই, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কেন বাংলাদেশের খেলাগুলো মেলবোর্ন, সিডনির, অ্যাডিলেডের মতো প্রচলিত ভ্যেনুতে অনুষ্ঠিত হয় না!