সিলেট প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সিলেটে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। অধিকাংশ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও, নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন জেলার নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা।
আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার পানি পরিমাপ অনুযায়ী, জেলার প্রধান নদীগুলোর পানি বাড়লেও তা এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে যেকোনো সময় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিলেটের কিন ব্রিজ এলাকায় সুরমা নদীর পানি দেখতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী রবিন মিয়া বলেন, ‘‘লাগাতার বৃষ্টির কারণে সুরমায় দ্রুত পানি বাড়ছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে দু-একদিনের মধ্যে বন্যা হয়ে যেতে পারে।’’ সুনামগঞ্জে তার গ্রামের বাড়ির উঠানে ইতিমধ্যে পানি উঠে গেছে উল্লেখ করে তিনি নিজের পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেন।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৩৪ মিটার, যা বিপৎসীমার (১২.৭৫ মিটার) ০.৪১ মিটার নিচে রয়েছে। সুরমা নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৯.৮১ মিটার, যা বিপৎসীমা (১০.৮০ মিটার) থেকে ০.৯৯ মিটার নিচে অবস্থান করছে।
অন্যদিকে, কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১৪.৫১ মিটার, যা বিপৎসীমার (১৫.৪০ মিটার) চেয়ে ০.৮৯ মিটার নিচে। শেওলা পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১২.১০ মিটার, যা বিপৎসীমা থেকে ০.৯৫ মিটার নিচে। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৯.৭০ মিটার, যা বিপৎসীমার চেয়ে ০.৮৫ মিটার নিচে এবং শেরপুর পয়েন্টে পানি ৮.৪৯ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমা (৮.৫৫ মিটার) থেকে মাত্র ০.০৬ মিটার নিচে রয়েছে।
এ ছাড়া জেলার সারি, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সবকটি পয়েন্টেই পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাউবো জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট শহরে ৪৪ মিলিমিটার, শেওলায় ২৩ মিলিমিটার, শেরপুরে ১৩ মিলিমিটার এবং কানাইঘাটে ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনগুলোতে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সিলেটে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। অধিকাংশ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও, নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন জেলার নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা।
আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার পানি পরিমাপ অনুযায়ী, জেলার প্রধান নদীগুলোর পানি বাড়লেও তা এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে যেকোনো সময় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিলেটের কিন ব্রিজ এলাকায় সুরমা নদীর পানি দেখতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী রবিন মিয়া বলেন, ‘‘লাগাতার বৃষ্টির কারণে সুরমায় দ্রুত পানি বাড়ছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে দু-একদিনের মধ্যে বন্যা হয়ে যেতে পারে।’’ সুনামগঞ্জে তার গ্রামের বাড়ির উঠানে ইতিমধ্যে পানি উঠে গেছে উল্লেখ করে তিনি নিজের পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেন।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৩৪ মিটার, যা বিপৎসীমার (১২.৭৫ মিটার) ০.৪১ মিটার নিচে রয়েছে। সুরমা নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৯.৮১ মিটার, যা বিপৎসীমা (১০.৮০ মিটার) থেকে ০.৯৯ মিটার নিচে অবস্থান করছে।
অন্যদিকে, কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১৪.৫১ মিটার, যা বিপৎসীমার (১৫.৪০ মিটার) চেয়ে ০.৮৯ মিটার নিচে। শেওলা পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১২.১০ মিটার, যা বিপৎসীমা থেকে ০.৯৫ মিটার নিচে। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৯.৭০ মিটার, যা বিপৎসীমার চেয়ে ০.৮৫ মিটার নিচে এবং শেরপুর পয়েন্টে পানি ৮.৪৯ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমা (৮.৫৫ মিটার) থেকে মাত্র ০.০৬ মিটার নিচে রয়েছে।
এ ছাড়া জেলার সারি, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সবকটি পয়েন্টেই পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাউবো জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট শহরে ৪৪ মিলিমিটার, শেওলায় ২৩ মিলিমিটার, শেরপুরে ১৩ মিলিমিটার এবং কানাইঘাটে ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনগুলোতে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।

মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।