চরচা ডেস্ক

দেশের বরেণ্য মননশীল প্রাবন্ধিক, গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের আকস্মিক প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন এ দেশের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তাধারার অন্যতম প্রধান বাতিঘর। ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকা থেকে শুরু করে ১৯৬০-এর দশকের প্রগতিশীল আন্দোলন ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও তিনি অবরুদ্ধ ঢাকায় অবস্থান করে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় ও অর্থ সংগ্রহ করে অনন্য অবদান রাখেন।
বিবৃতিতে আবুল কাসেম ফজলুল হকের অবদান উল্লেখ করে আরও বলা হয় যে, সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আন্দোলন এবং বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারাকে বেগবান করতে তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও চিন্তাদর্শন সবসময় পথ দেখিয়েছে। ‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘রাজনীতি দর্শন’ কিংবা ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’র মতো মৌলিক গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি সমাজ ও রাজনীতির যে বিশ্লেষণ রেখে গেছেন, তা চিরকাল তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তার এই প্রয়াণ দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী প্রয়াত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকে স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে।

দেশের বরেণ্য মননশীল প্রাবন্ধিক, গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের আকস্মিক প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন এ দেশের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তাধারার অন্যতম প্রধান বাতিঘর। ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকা থেকে শুরু করে ১৯৬০-এর দশকের প্রগতিশীল আন্দোলন ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও তিনি অবরুদ্ধ ঢাকায় অবস্থান করে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় ও অর্থ সংগ্রহ করে অনন্য অবদান রাখেন।
বিবৃতিতে আবুল কাসেম ফজলুল হকের অবদান উল্লেখ করে আরও বলা হয় যে, সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আন্দোলন এবং বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারাকে বেগবান করতে তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও চিন্তাদর্শন সবসময় পথ দেখিয়েছে। ‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘রাজনীতি দর্শন’ কিংবা ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’র মতো মৌলিক গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি সমাজ ও রাজনীতির যে বিশ্লেষণ রেখে গেছেন, তা চিরকাল তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তার এই প্রয়াণ দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী প্রয়াত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকে স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে।