
বিবৃতিতে আবুল কাসেম ফজলুল হকের অবদান উল্লেখ করে আরও বলা হয় যে, সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আন্দোলন এবং বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারাকে বেগবান করতে তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও চিন্তাদর্শন সবসময় পথ দেখিয়েছে।

জাতীয় সংসদের বাজেট বক্তৃতায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামীর জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্যকে মোটেই ভালোভাবে নেননি জামায়াতের নেতারা।

ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অনন্য ভূমিকার কথা চিরস্মরণীয়। ১৯৫২ সালে তিনি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র। তখন ভাষা আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে আঁকা কার্টুনের জন্য তাকে সাময়িকভাবে কারাবন্দী থাকতে হয়েছিল।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে দলটির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। একই সঙ্গে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

নীলফামারীর এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমার বক্তব্যে অসাবধানতাবশত ভুল হয়ে গিয়েছে। এটা নিয়ে আমি সংশোধনী দিয়েছি স্পিকার বরাবর। যা আজকে জমা হচ্ছে।”

অনুষ্ঠানের সভাপ্রধান ফউজুল আজিম বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের দেশের যেসব স্থানে অবাঙালি বা বিহারি অধ্যুষিত ছিল সেই সব স্থানেই অধিক হারে গণহত্যা হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশ এখনো এই বিষয়ে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি।”

সৈয়দপুর একটি সমৃদ্ধ প্রান্তর অনেককাল ধরে। না, মহকুমা কিংবা জেলার তকমা পড়ার সৌভাগ্য হয়নি সৈয়দপুরের। ব্রিটিশ শাসকেরা পুরো ভারতবর্ষকে রেল সংযোগ জালে বেঁধে নিয়েছিল ওদের সুক্ষ্ম শোষণ বুদ্ধিতে। সেই জালের সুবাদে সৈয়দপুরে রেলস্টেশন ছাড়াও সেখানে গড়ে উঠেছিল ১৮৭০ সনে এক বৃহৎ পরিসরের রেল ওয়ার্কশপ।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আগে ১৯৬৮-৬৯ সালের উত্তাল সময়ে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ((ডাকসু) ভিপি। সেই সময়ের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি ছাত্র সমাজের নেতৃত্বের প্রথম কাতারে চলে এসেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসেছিলেন কয়েকজন। তাদের অভিযোগ, তারা শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি। ভিডিও: তারিক সজীব

দক্ষিণ এশিয়ায় রাষ্ট্রহীনতার বিষয়টি বুঝতে হলে আধুনিক নাগরিকত্ব ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, তা নতুনভাবে ভাবতে হবে। নাগরিকত্বের ধারণা দেখায়, আইনি সদস্যপদ বা নাগরিক স্বীকৃতি আসলে নিরপেক্ষ নয়, বরং এটি অতীত থেকে পাওয়া রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দ্বারা প্রভাবিত।

পুলিশের কাছে দেওয়া সাক্ষ্যে এ জেড তোফায়েল আহাম্মদ বলেন, “২ জুন ভোরে আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে সিএমএইচ থেকে বাসায় টেলিফোন আসে যে, আমাকে সিএমএইচএ গিয়ে পোস্টমর্টেম করতে হবে। কার পোস্টমর্টেম করতে হবে, বলে নাই।

রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মূলত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বিশেষত প্রগতিশীল অংশকে আরও কোণঠাসা এবং বাকি সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করতেই পরিকল্পিতভাবে এই অভ্যৃত্থান সংঘটন করা হয়।

জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা সংহতকরণের এই পথ মৃসণ ছিল না। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর ৯ অক্টোবর থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থানের (ক্যু) চেষ্টা হয়।

জিয়া হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন, আসল সত্য আসলে উদ্ঘাটিত হওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। জেনারেল মঞ্জুরকে হত্যা করে সেই পথ ৪৬ বছর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ।

১৯৬৮ সালে ভিয়েতনামের মাই লাই, ১৯১৭১ সালে ২৫-২৬ মার্চ ঢাকা, ১৯৯৫ সালে স্রেব্রেনিকার গণহত্যার চেয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় খুলনার চুকনগর গণহ*ত্যা কেন আলাদা? চুকনগর গণহ*ত্যা দিবসে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক রাশেদুর রহমান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভিয়েতনামের মাই লাই গণহত্যার ঘটনা সারা বিশ্বের মানুষকে আলোড়িত করেছিল। ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালে ১৯৬৮ সালের ১৬ মার্চ তৎকালীন দক্ষিণ ভিয়েতনামের মাই লাই গ্রামে আমেরিকান সেনাবাহিনীর একটি দল নিরস্ত্র নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ কয়েক শ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবগঠিত বিজেপি সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন সেটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে, এটি কি সত্যিই নিরাপত্তার প্রয়োজনে, নাকি রাজনৈতিক বার্তা?

মুক্তিযুদ্ধের এক ভিন্ন ইতিহাস চরচার সামনে তুলে ধরেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ালিউল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধের এক ভিন্ন ইতিহাস চরচার সামনে তুলে ধরেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ালিউল ইসলাম।