
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অস্ত্রের ‘বিপুল মজুত’ রয়েছে: ট্রাম্প
এ ধরনের মিসাইল ফুরিয়ে এলে ট্রাম্প যদি পুনরায় ইরানের ওপর বড় আকারের হামলা চালাতে চান, তবে তাকে পাইলট চালিত বোমারু বিমানের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে, যা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
চরচা ডেস্ক

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ভাঙচুর হওয়া ভাস্কর্য পরিদর্শন ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধি দল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় প্রতিনিধি দলটি ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে অবস্থিত হামিদুর রহমান চত্বরে পৌঁছায়। এ সময় বীরশ্রেষ্ঠের বোন রিজিয়া বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে ভাস্কর্যটি ভাঙা শুরু হলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়ায়। জেলা প্রশাসন বীরশ্রেষ্ঠের প্রকৃত অবয়বের সঙ্গে মিল রেখে নতুন ভাস্কর্য নির্মাণের কথা জানালেও, যেভাবে স্থাপনাটি ভাঙা হয়েছে তা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা অব্যাহত থাকে। এই প্রেক্ষাপটে সরজমিনে পরিদর্শনে যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও অগ্রদূত সম্পাদক আবু সাইদ খান; মানবাধিকার কমিশনের সাবেক কমিশনার নূর খান লিটন; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস; নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারহা তানজীম তিতিল।
অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্যকালে আবু সাইদ খান মুজিবনগরের ঘটনা তুলে ধরে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানান এবং ভাস্কর্য পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।
মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, “যারা এ ধরনের কাজ করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের না। এদেশের বিরোধী শক্তি, সে উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী কে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এবং এ ভাস্কর্য পুনঃ নির্মান করতে হবে। আরও সুন্দরভাবে এবং এখানেই।’’
অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, “আমরা ৭১ কে ধারণ করি আমরা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে ধারণ করি। আমরা মনে করি ৭১, ৯০ এবং ২৪ এর মধ্যে কোন বিরোধিতা নাই কিন্তু একটা সম্প্রদায়িক উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীরা একাত্তরের পরাজিত শক্তি আপনারা জানেন তোর কে মানতে চায় না তারা মুক্তিযুদ্ধকে মানতে চায় না।”
নাগরিক উদ্যোগের জাকির হোসেন মুক্তিযুদ্ধে হামিদুর রহমানের স্মৃতিচারণ করেন এবং ভাস্কর্য ভাঙার দায়ে প্রশাসনকে অভিযুক্ত করে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন।
ফারহা তানজীম তিতিল সকলের অংশগ্রহণে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা আমরা স্থানান্তরিত করব।” এছাড়া তিনি বলেন, “কোন অপরাধী, দুষ্কৃতিকারী, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী লোকেরা যারা এই অপরাধ করেছে এই সকল দোষী ব্যক্তিদের কে চিহ্নিত করতে হবে এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এটা আমাদের প্রধান দাবি।”
বক্তারা ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

এ ধরনের মিসাইল ফুরিয়ে এলে ট্রাম্প যদি পুনরায় ইরানের ওপর বড় আকারের হামলা চালাতে চান, তবে তাকে পাইলট চালিত বোমারু বিমানের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে, যা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১২৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৬৪টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫৪টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৯টি অন্য কারণে ঘটেছে।

গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা হামলায় শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়। তিন দিন পর নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা হামলায় আরও ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।