ads

জাহাজ ভাঙা শিল্পের ‘হারানো গৌরব’ ফেরানোর কথা জানালেন শিল্পমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
জাহাজ ভাঙা শিল্পের ‘হারানো গৌরব’ ফেরানোর কথা জানালেন শিল্পমন্ত্রী
ছবি: চরচা।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূল জুড়ে ওঠা জাহাজ ভাঙা শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার কথা বললেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ সোমবার দুপুরে সীতাকুণ্ডে পিএইচপি শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং ইর্য়াড পরিদর্শনকালে এ কথা জানান তিন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “এ শিল্পে ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই গ্রিন লাইসেন্স নিতে হবে। আমাদের শিপ রিসাইক্লিং যে ইউনিটগুলো আছে তার প্রত্যেকটা কমপ্লায়েন্স হতে হবে, পরিবেশবান্ধব হতে হবে। আন্তর্জাতিক মান অর্জন করে এখানে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। অনেকগুলি ইয়ার্ড উন্নতি করেছে।”

বর্তমানে ৩১টি গ্রিন লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “আরও যারা ব্যবসা করতে চায় তাদেরকে আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেব। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেব। কিন্তু যারা জাহাজ রিসাইক্লিং এর ব্যবসা করবেন তাদের সবাইকে গ্রিন লাইসেন্স নিতে হবে।”

মন্ত্রী আরও বলেন, “এক সময় জাহাজ ভাঙা শিল্প নিয়ে একটা জেনারেল সেন্টিমেন্ট ছিল যে এটা অ্যান্টি এনভায়রনমেন্ট, দ্বিতীয়ত এখানে লেবার এক্সপ্লয়েট হয়, তৃতীয় হলো অস্বাস্থ্যকর ও অমানবিক পরিবেশে কাজ হয়। কিন্তু আজকের দিনের স্টোরি অল টুগেদার ডিফরেন্ট। এখানে যে উপায়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কাজ হয়, কমপ্লায়েন্সের হাই স্ট্যান্ডার্ড মানা হয় যা গর্বিত হওয়ার মত একটা ব্যাপার।”

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, “দুই বছর আগেও সারাবিশ্বে যে পরিমাণ জাহাজ রিসাইক্লিং হত তার ৪০-৪৫ শতাংশের মত আমরা নিজেরা করেছি। এই অবস্থান আবার সাময়িককালের জন্য বিচ্যুত হয়েছি। ইনশাল্লাহ আমাদের এই এক নম্বর পজিশন আবার আমরা দ্রুত ফিরিয়ে আনব।”

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) তথ্য অনুযায়ী, একসময় সীতাকুণ্ড উপকূলে দেড়শর মতো শিপইর্য়াড ছিল। এর মধ্যে বতর্মানে সক্রিয় শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের সংখ্যা ৪০টি।

শিল্পমন্ত্রী সীতাকুণ্ডের তিনটি শিপইয়ার্ড ঘুরে দেখার সময় বিএসবিআরএ সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত