
ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম
অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

একজন সাধারণ মানুষ যেখানে দিনে ২ হাজার ক্যালরি খেতেই হিমশিম খায়, সেখানে ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন নরওয়ের ভাইকিং ফুটবলার আর্লিং হালান্ড প্রতিদিন সাবাড় করছেন ৬ হাজার ক্যালরি! হ্যাঁ ঠিক শুনছেন। ৬ হাজার ক্যালরি!
ব্রাজিলকে বিশ্বকাপের এবারের আসর থেকে বিদায় করা এই ভাইকিংয়ের রাজকীয় ডায়েট চার্টে কী আছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক—
হালান্ডের দিন শুরু হয় সম্পূর্ণ কেমিক্যালমুক্ত এক গ্লাস মিনারেল ওয়াটার দিয়ে। এরপর মর্নিং কফিতে মেশান একদম কাঁচা অর্গানিক দুধ। সকালের মূল নাশতায় থাকে অর্গানিক মাখনে ভাজা ৫টি ডিমের অমলেট! সাথে খাঁটি মধু, অর্গানিক টক দই, ব্লু-বেরি এবং বিশেষ এক ধরনের ‘সাওয়ারডো ব্রেড’—যা সাধারণ ইস্ট দিয়ে নয়, তৈরি হয় প্রাকৃতিক ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া থেকে!
এবার আসা যাক লাঞ্চে। এখানেই লুকিয়ে আছে তার আসল ভাইকিং শক্তি। হালান্ড সাধারণ গরুর মাংসের চেয়ে গরুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খেতে বেশি পছন্দ করেন! তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো গরুর কলিজা আর গরুর হৃৎপিণ্ড। মাঝেমধ্যে ভেড়ার কলিজাও থাকে মেনুতে। আর এর সাথে সাইড ডিশ হিসেবে থাকে মাখন মাখানো মিষ্টি আলু আর এক গামলা তাজা সবজি।
বিকেলে হালান্ড খান কলা, সাথে থাকে মধু আর খাঁটি দুধে তৈরি প্রোটিন শেক। নাশতায় একটু কাঠবাদাম ও আখরোটও থাকে।
হালান্ডের ডিনারটাকে রাজকীয় ভোজ বললে কম হবে না। টেবিলে থাকে বিশাল আকারের গ্রিলড ‘তোমাহক স্টেক’। সাথে পুষ্টিতে ভরপুর বোন ব্রথ বা হাড়ের স্যুপ, অল্প একটু স্টিম রাইস এবং আরও দুটি ডিম! এখানেই শেষ নয়, ওমেগা-থ্রির জন্য মাখনে ভাজা স্যামন মাছ আর শসার সালাদ তো আছেই।
আর সবশেষে, রাতে গভীর ও দারুণ ঘুমের জন্য বিছানায় যাওয়ার আগে তিনি পান করেন দারুচিনি মেশানো এক গ্লাস গরম অর্গানিক দুধ।
মাঠের ভেতর ওই চিতার মতো গতির পেছনে এই কঠোর এবং অবিশ্বাস্য ডায়েটের অবদানই সবচেয়ে বেশি।

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ

মাইক্রোম্যানেজমেন্ট কর্মীদের মনে বার্তা দেয় যে তাদের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না, যা তাদের আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরায়। স্বাধীন চিন্তার সুযোগ না থাকায় কর্মক্ষেত্রে ‘আইডিয়া ভ্যাকিউম’ তৈরি হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কাজের গতি ধীর হয়ে যায়।