ads

ব্রাজিলকে একাই হারানো হালান্ডের শক্তির উৎস কী?

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
ব্রাজিলকে একাই হারানো হালান্ডের শক্তির উৎস কী?
ছবি: এএফপি থেকে নেওয়া

একজন সাধারণ মানুষ যেখানে দিনে ২ হাজার ক্যালরি খেতেই হিমশিম খায়, সেখানে ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন নরওয়ের ভাইকিং ফুটবলার আর্লিং হালান্ড প্রতিদিন সাবাড় করছেন ৬ হাজার ক্যালরি! হ্যাঁ ঠিক শুনছেন। ৬ হাজার ক্যালরি!

ব্রাজিলকে বিশ্বকাপের এবারের আসর থেকে বিদায় করা এই ভাইকিংয়ের রাজকীয় ডায়েট চার্টে কী আছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক—

হালান্ডের দিন শুরু হয় সম্পূর্ণ কেমিক্যালমুক্ত এক গ্লাস মিনারেল ওয়াটার দিয়ে। এরপর মর্নিং কফিতে মেশান একদম কাঁচা অর্গানিক দুধ। সকালের মূল নাশতায় থাকে অর্গানিক মাখনে ভাজা ৫টি ডিমের অমলেট! সাথে খাঁটি মধু, অর্গানিক টক দই, ব্লু-বেরি এবং বিশেষ এক ধরনের ‘সাওয়ারডো ব্রেড’—যা সাধারণ ইস্ট দিয়ে নয়, তৈরি হয় প্রাকৃতিক ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া থেকে!

এবার আসা যাক লাঞ্চে। এখানেই লুকিয়ে আছে তার আসল ভাইকিং শক্তি। হালান্ড সাধারণ গরুর মাংসের চেয়ে গরুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খেতে বেশি পছন্দ করেন! তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো গরুর কলিজা আর গরুর হৃৎপিণ্ড। মাঝেমধ্যে ভেড়ার কলিজাও থাকে মেনুতে। আর এর সাথে সাইড ডিশ হিসেবে থাকে মাখন মাখানো মিষ্টি আলু আর এক গামলা তাজা সবজি।

বিকেলে হালান্ড খান কলা, সাথে থাকে মধু আর খাঁটি দুধে তৈরি প্রোটিন শেক। নাশতায় একটু কাঠবাদাম ও আখরোটও থাকে।

হালান্ডের ডিনারটাকে রাজকীয় ভোজ বললে কম হবে না। টেবিলে থাকে বিশাল আকারের গ্রিলড ‘তোমাহক স্টেক’। সাথে পুষ্টিতে ভরপুর বোন ব্রথ বা হাড়ের স্যুপ, অল্প একটু স্টিম রাইস এবং আরও দুটি ডিম! এখানেই শেষ নয়, ওমেগা-থ্রির জন্য মাখনে ভাজা স্যামন মাছ আর শসার সালাদ তো আছেই।

আর সবশেষে, রাতে গভীর ও দারুণ ঘুমের জন্য বিছানায় যাওয়ার আগে তিনি পান করেন দারুচিনি মেশানো এক গ্লাস গরম অর্গানিক দুধ।

মাঠের ভেতর ওই চিতার মতো গতির পেছনে এই কঠোর এবং অবিশ্বাস্য ডায়েটের অবদানই সবচেয়ে বেশি।

সম্পর্কিত