
মাঠে আর্লিং হালান্ড এত বিনয়ী কেন? আধুনিক ক্যাপিটালিজম এবং পশ্চিমা ফুটবল সংস্কৃতি যেখানে “ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং” এবং অহংকারকে প্রমোট করে, সেখানে হালান্ড চলেন উল্টো স্রোতে। কেন?

স্পেন–ভক্তদের একটা সুসংবাদ দিতে পারি। এবারের আগে স্পেন সেমিফাইনালে খেলেছিল ২০১০ সালে। সেবার তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তার মানে সেমিফাইনালে উঠলেই স্পেন বিশ্বকাপ জেতে। ব্যাপারটা তো এমনই।

এই ব্যাগটির মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা! তবে টাকা থাকলেই এই ব্যাগ কেনা সম্ভব নয়। কিনতে হলে বড় বড় লাক্সারি অকশন বা নিলামে অংশ নিতে হবে! হালান্ড নিলাম থেকেই এই ব্যাগটি কিনে তার প্রেমিকাকে উপহার দিয়েছেন।
একটা সাধারণ চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য তোলা এই ছবিটা একদিন ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘মিথ’ বা রূপকথা হয়ে দাঁড়াবে! কারণ, মেসির হাতে গোসল করা সেই ছোট্ট শিশুটিই আজকের বিশ্ব ফুটবলের নতুন সেনসেশন—লামিন ইয়ামাল!

আসলে কোনো সামাজিক আচরণগত পরিবর্তনই হুট করে তৈরি হয় না। এর পেছনে নানামাত্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কারণ থাকে। আমাদের এই দেশটা সংকট ছাড়া খুব বেশি সময় থাকেনি। বেশির ভাগ সময়ই বহুমাত্রিক সংকটে ভুগে চলেছে বাংলাদেশের মানুষ। কখনো প্রত্যক্ষ, কখনো পরোক্ষ সংকট তাড়া করছে মানুষকে। ফলে উৎসবের উপলক্ষ বেশ কম। আর যখনই

স্পেন ২ : ১ বেলজিয়াম
৮৬ মিনিটে নেমেছেন মেরিনো। ৮৮ মিনিটেই দেখা গেল, দুই হাত দুই দিকে ছড়িয়ে আকর্ণবিস্তৃত হাসিতে উদ্যাপন করছেন ‘মিডফিল্ডার-কাম-গোলস্কোরার’ মেরিনো! স্পেন ২-১ বেলজিয়াম! ওই ব্যবধানেই ঘাম ঝরিয়ে ম্যাচটা জিতে সেমিফাইনালে উঠে গেল স্পেন!

এই অদ্ভুত চুপচাপ, নির্বিকার স্বভাবের কারণে ওলিস একটা নাম পেয়েছেন। তা হল - ‘মিস্টার ননশ্যালান্ট’ বা শান্ত, নির্বিকার স্বভাবের একজন মানুষ। তবে ফুটবল পায়ে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন মানুষ। লন্ডনে জন্ম নেওয়া এই ফরাসি প্লেমেকারকে দূর থেকে যতোটা নির্লিপ্ত মনে হয়, বাস্তবে তিনি এর ঠিক উল্টোটাই।

২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে ‘সেই ইতিহাসের সেরা ম্যাচে’ আর্জেন্টিনার সঙ্গে তীব্র লড়াই করে টাইব্রেকারে হারার পর থেকেই ফ্রান্স ক্ষুধার্ত। যেকোনো পরিস্থিতিতে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার খেলোয়াড় এই দলটিতে আছে। সে কারণেই ফ্রান্সকে এতটা অজেয় মনে হচ্ছে। তবে সব মিলিয়ে প্রশ্ন, ফ্রান্সকে এই বিশ্বকাপে হারাবে কে!

ফ্রান্স তো রীতিমতো অজেয়! এবারের বিশ্বকাপে আসলে ফ্রান্সকে হারাবে কে? যদিও ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নদের মূল পরীক্ষা এখনো বাকি, এমবাপ্পে, দেম্বেলেদের ফ্রান্সের ব্যাপারে ‘অজেয়’ শব্দটা ব্যবহার করা কিছুটা আগ বাড়িয়ে বলার মতোই, তবুও এখনো পর্যন্ত যে ফ্রান্সকে আমরা দেখছি, সেই ফ্রান্স প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েই এ পর্

কোয়ার্টার ফাইনালে কাল সহজেই ২-০ গোলে জিতেছে ফ্রান্স। কিন্তু সে পথে এমবাপ্পে হয়ে গেলেন ‘মেসি।’ এতে একটি রেকর্ডে মেসিকে ধরে ফেলার খুব কাছে চলে গেলেন এমবাপ্পে, আরেক দৌড়ে মেসিকে ছাড়িয়েও গেলেন।

মরক্কো কি পরাশক্তি হয়ে উঠছে? ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্সের মতো দলের কি এখন থেকেই মরক্কোকেও পরাশক্তির মতো করেই দেখা উচিত? হাকিমি, ব্রাহিম, বুনু, বুয়াদ্দিদের দল এবারও আফ্রিকার মুখ হয়ে উঠেছে। গত বিশ্বকাপ থেকে এবার মরক্কোর খেলার স্টাইলে কী বদল এসেছে?

মেসির আর্জেন্টিনা নাকি এমবাপ্পের ফ্রান্স? ইয়ামালের স্পেন নাকি কেইনের ইংল্যান্ড? নাকি চমক দেখাবে হালান্ডের নরওয়ে কিংবা মরক্কো, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের কেউ? বিশ্বকাপে আর দল বাকি ৮টি, শিরোপার হিসাবের পথে ম্যাচ বাকি ৭টি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতবে কে?

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণ। সামনে সুইজারল্যান্ড। কিন্তু তার আগেই আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় গুঞ্জন! বুধবার কানসাস সিটির অনুশীলন মাঠে যখন দল ঘাম ঝরাচ্ছিল, তখন মাঠের বাইরে সাইডলাইনে বসে ছিলেন স্বয়ং অধিনায়ক লিওনেল মেসি! কিন্তু কেন?

ফ্রান্স ২ : ০ মরক্কো
স্কোরলাইন বলবে, ম্যাচে ২-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। চার বছর আগে কাতারে সেমিফাইনালেও মরক্কোর বিপক্ষে এই ব্যবধানেই জিতেছিল দিদিয়ের দেশঁর দল। কিন্তু ম্যাচের গল্পটা বলবে, ইয়াসিন বুনু বারবার বাধা হয়ে না দাঁড়ালে এই ম্যাচে পাঁচ-ছয় গোলও পেতে পারত ফ্রান্স।

ফ্রান্স ২ : ০ মরক্কো
স্কোরলাইন বলবে, ম্যাচে ২-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। চার বছর আগে কাতারে সেমিফাইনালেও মরক্কোর বিপক্ষে এই ব্যবধানেই জিতেছিল দিদিয়ের দেশঁর দল। কিন্তু ম্যাচের গল্পটা বলবে, ইয়াসিন বুনু বারবার বাধা হয়ে না দাঁড়ালে এই ম্যাচে পাঁচ-ছয় গোলও পেতে পারত ফ্রান্স।